Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৩২
সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়
স্বাস্থ্যসচেতনেরা ব্রেকফাস্টে ফল খেতে পছন্দ করেন। ছবি: পেক্সেল ডট কম

দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো সকালের নাশতা। এটি আমাদের সারাদিনের শক্তি জোগায়। সারাদিন শরীরকে সতেজ রাখতে এর কোন তুলনা নেই। এ কারণের পুষ্টিবিদ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসচেতনেরা ব্রেকফাস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাই সকালের নাশতায় কী খাওয়া হবে, কী খাওয়া যাবে না— সবার আগ্রহের কমতি নেই। যেমন, সকালে খালি পেটে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ফল খাওয়া যাবে কি না– এই প্রশ্ন মোটামুটি সব স্বাস্থ্যসচেতনদের।

Advertisement

সকালের নাশতায় ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ফল শরীরের ভিটামিন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। তবে ওজন কমানো, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করা বা স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টায় অনেকেই সকালের নাশতায় শুধু ফল খান। শুধু ফল খেলে তা আবার আমাদের শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। ফল খাওয়া ভালো, কিন্তু সকালের নাশতা একমাত্র খাবার হিসেবে রাখা উচিত নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়। এর শর্করা শরীর দ্রুত শোষণ করে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। ফলে রয়েছে ফাইবার যা দ্রুত ও সহজে হজমের কারণে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান (টক্সিন) বের করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারী ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেলের মাত্রা শুরু হয় যা কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে আনে।

সকালের নাশতায় কী খাওয়া উচিত নয়breakfast

অনেকের ধারণা ফল দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এই কথা কিছুটা সঠিক। হেলথলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলছে, ২০১৪ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ফলের ফাইবারের একটি ধরণ জেলযুক্ত পেকটিন যারা গ্রহণ করেছিলেন, তাদের পাকস্থলী খালি হতে সময় লেগেছে প্রায় ৮২ মিনিট। অন্যদিকে যারা পেকটিন খাননি, তাদের ক্ষেত্রে এই সময় ছিল প্রায় ৭০ মিনিট। তবে ফল কাজটি একা করতে পারে না। এজন্য তার কিছু ‘সঙ্গীসাথি’-র দরকার হয়।

ফল খেতে হবে প্রোট্রিনের সঙ্গে। ছবি: ম্যাগনেফিক
ফল খেতে হবে প্রোট্রিনের সঙ্গে। ছবি: ম্যাগনেফিক

পুষ্টিবিদরা ফলের সাথে প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার যেমনঃ টক দই, ডিম, চিয়া সিড, বাদাম মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই সংমিশ্রণ হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সকালের খাবার না খেলে কী হয়?Breakfast

তবে সকালের নাশতায় শুধু ফল খাওয়ার অসুবিধা রয়েছে। বেশিরভাগ ফলেই প্রোটিন এবং ফ্যাট খুব কম থাকে। এই দুটি পুষ্টি উপাদান দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে, পেশী ধরে রাখতে এবং খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। আগেই বলা হয়েছে, শরীর ফলের শর্করা দ্রুত শোষণ করে নেয়। তাই ব্রেকফাস্টে কেবল ফল মাত্র ১-২ ঘণ্টা পরেই আবার ক্ষুধা পায়। এতে দুপুরের খাবারে বেশি খাওয়া সহজ হয়ে যায়। ওজন তখন নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

প্রতিটি ফলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও অ্যাসিড থাকে যা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সাথে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করতে পারে এবং ব্যক্তিভেদে নির্ভর করে প্রভাব ভালো বা খারাপ হতে পারে। অ্যাসিডিটি, জ্বালাপোড়া সকালে খালি পেটে টক জাতীয় ফল যেমনঃ কমলা, লেবু, আমলকি, জাম্বুরা, আনারস খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। এসব ক্ষেত্রে কলা, ড্রাগন, পেঁপে নাশতায় রাখা তুলনামূলক নিরাপদ। আর টক জাতীয় ফল সকালের নাশতা খাওয়ার আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পরে খাওয়া যেতে পারে।

তবে একটি কথা মনে রাখা জরুরি যে, ফল কেবল সকালেই খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, দিনের অন্য সময়ে খেলে এর উপকারীতা পাওয়া যাবে না— বিষয়টি এমন নয়। পুষ্টিবিদেরাই বলেছেন ফল খাওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। সকালেই ফল খেতে হবে—এমন দাবির কোনো ভিত্তি নেই। সময় যা-ই হোক না কেন, ফল সবসময়ই একটি স্বাস্থ্যকর খাবার।

তথ্যসূত্র: ইটিং ওয়েল, হেলথ ডট কম

বিষয়: ফলড্রাগন ফললেবুআমলাভিটামিনপুষ্টিপুষ্টিগুণপুষ্টিবিদস্বাস্থ্যস্বাস্থ্যবিধিস্বাস্থ্য টিপসজীবনধারালাইফস্টাইল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    মহাকাশে অস্ত্রের বিস্তার, জিপিএস থেকে ব্যাংকিং—ঝুঁকিতে যে সেবাগুলো

  • ২

    ‘৫ আগস্টের পর মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা পাহারা দিয়েছে দাড়ি-টুপিঅলা লোকগুলো’

  • ৩

    ‘অনুঘটক না থাকলে আমি অভিনয় করতে চাই না’

  • ৪

    ‘আলেম-ওলামাদের সম্পর্কে বলা হয়- আরে ওরা তো দাওয়াত খাইয়া বেড়াবে’

  • ৫

    ব্রাজিলেও সরকার বদলাতে চায় আমেরিকা?

সম্পর্কিত
  • সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

  • শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।