আমরা
প্রতিবেদক, চরচা
আগামী জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রথম ধাপের ভোট আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জুনের মধ্যে পাঁচ ধাপে দেশের প্রায় ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রমজানের আগে অন্তত তিন ধাপে
আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে সরকারের সঙ্গে আলোচনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার সূচি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে কমিশনকে।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিএনপি যে আশঙ্কা করেছিল, এক বছর পর সেই প্রশ্নই আবার সামনে এসেছে। তখন দলটি বলছিল, আগে গণভোটে সংস্কারের অনুমোদন নেওয়ার পর নির্বাচিত সংসদ সংবিধান সংশোধন করলে ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবারও গণভোটের প্রয়োজন হতে পারে।
নতুন বিধানে প্রার্থীর আয়-সম্পদ ও করসংক্রান্ত তথ্য, জামানত, নির্বাচনী ব্যয়, প্রতিবন্ধী ভোটারকে সহায়তা, সমান ভোটে পুনর্নির্বাচন, নির্বাচনী অনিয়মে প্রার্থিতা বাতিল এবং ফল বাতিল করে পুনরায় ভোট নেওয়ার মতো বিষয় যুক্ত হয়েছে।
গাজী নজরুল দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়নি। তার সদস্যপদ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে সংসদ থেকে বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে ইসিতে পাঠানোর বিষয়টি সামনে আসবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তিন অধিবেশনে আটবার ওয়াকআউট করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট। প্রথম অধিবেশনে ২৫ কার্যদিবসে তিনবার, দ্বিতীয় অধিবেশনে ২৭ কার্যদিবসে একবার এবং তৃতীয় অধিবেশনে ৯ কার্যদিবসেই চারবার ওয়াকআউট করে তারা। রাষ্ট্রপতির ভাষণ থেকে শুরু করে সংবিধান সংস্কার, বিশেষ কমিটি
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার কথা বলে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া আনা হয়েছে। খসড়ার ধারা ৩(২)-এ কমিশনকে ‘একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান’ বলা হয়েছে; মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কমিশনের ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে’ কাজ করার কথাও সেখানে রয়েছে।
ইসির খসড়া রোডম্যাপে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের কারণ হিসেবে অতীতের নির্বাচনে ধাপগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রায় ৩৫ বছর পর আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে হবে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের ভোট। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদে ভোট হয়েছিল। এরপর প্রতিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিন
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ‘অসুস্থতাজনিত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধান ও বিদ্যমান আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া,সময়সীমা ও ধাপগুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সদ্য রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়া মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন ওঠার সাথে সাথেই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। পরে শুক্রবার সাহবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এনসিপি সংবাদ সম্মেলন করে একই দাবি তোলে।
গত সোমবার ইসির ১২তম কমিশন সভায় অনুমোদিত সংশোধনীর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন চারটি অযোগ্যতার শর্ত সংযোজন। তবে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ঠেকাতে আলাদা কোনো বিধান আপাতত বিবেচনায় নেই।
সেই প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্ন এখনো প্রাসঙ্গিক–জামায়াত কি বিএনপির পথে হাঁটছে, নাকি তারা নতুন এক রাজনৈতিক কাঠামোর দাবি তুলছে, যা ভবিষ্যতের সংবিধান সংস্কারের ধরন নির্ধারণ করবে?
প্রশ্ন উঠেছে, উগ্রবাদে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে এনসিপির একটি মহানগর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে এলেন? দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বাজেটের ওপর আলোচনা নিয়ে সংসদে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা এর ওপর তাদের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু অর্থবিল পাসের সময় যেসব সংশোধনী দেন, সেগুলো মূলত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব। সরকার এর কিছু গ্রহণ করে, কিছু করে না। অনেক সময় সরকারি দলের সদস্যরাও সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। মূলত সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু পরিবর্তন
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে নিজেদের ছায়া বাজেট প্রকাশ করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ছায়া বাজেটে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শুধু প্রস্তাব নয়, বাজেট অধিবেশনে দলটির সংসদ সদস্যদের এ–সংক্রান্ত বক্তব্যও সবার নজর
আমদানিকারকরা বলছেন, এই সংকটের শেষ হতে সময় লাগতে পারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ। ফলে কম্পিউটার পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের সুবিধা সহসাই মিলছে না। বরং কিছুটা সময় নিয়ে এর প্রভাব দৃশ্যমান হতে পারে।
আইভীর রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে তিনি এবং তার ঘনিষ্ঠরা সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তার শুভানুধ্যায়ী ও সমর্থকেরা মনে করেন, নির্বাচনে অংশ নিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন তিনি।
চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এখন পর্যন্ত প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলেছে, তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় এককভাবে নির্বাচন করবে।
বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের জুনে, আর চট্টগ্রামের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছর।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো বিজেপি জয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ও পুশ ইনের বিষয়টি।
নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় চরচাকে বলেন, “ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে তাদের নেতা নির্বাচন করেছে। সেখানে কোন দল ক্ষমতায় এল-না এল তা মুখ্য না। তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথাও নেই। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। তাই যে-ই
‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদে এক জটিল ও বহুস্তরীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঠিক ছয় মাস আগে সনদটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও ছিল একই চিত্র। সনদের আইনি বৈধতা এবং বাস্তবায়নের পথ নিয়ে মতপার্থক্য নানা পথ ঘুরে শেষমেশ যেন আবার একই বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে।