Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রার্থী অযোগ্যতা যেভাবে মাপতে চায় ইসি

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ২১: ৪২
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রার্থী অযোগ্যতা যেভাবে মাপতে চায় ইসি

আইন সংশোধন করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে এসব সংশোধনী প্রস্তাব খসড়া আকারে অনুমোদন দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত সোমবার ইসির ১২তম কমিশন সভায় অনুমোদিত সংশোধনীর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন চারটি অযোগ্যতার শর্ত সংযোজন। তবে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ঠেকাতে আলাদা কোনো বিধান আপাতত বিবেচনায় নেই। এছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের আইনি ভিত্তি স্পষ্ট করার সংশোধনী প্রস্তাব রয়েছে।

প্রার্থী অযোগ্যতায় নতুন শর্ত
ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার তালিকায় নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করতে যাচ্ছে। বিদ্যমান আইনে এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট বিধান থাকলেও নতুন প্রস্তাবে তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব
বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই, তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমন কোনো বাধা ছিল না। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদ ছাড়া অন্য সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সীমিত করার কথা বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ মন্তব্য করেছেন, “দ্বৈত নাগরিকত্বধারীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না—এগুলো সংবিধানে প্রদত্ত বিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।’’ সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মকর্তা

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এখনকার আইনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। নতুন প্রস্তাবে তাদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

আইসিটি মামলার আসামিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। ছবি: চরচা
আইসিটি মামলার আসামিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। ছবি: চরচা

ঋণ ও বিল খেলাপি
ঋণ খেলাপির ক্ষেত্রে বন্ধকদাতা ও গ্যারান্টার উভয়কেই অযোগ্য করার প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে কমিশন। একইভাবে বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার বিল খেলাপি ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক এগুলোকেও অযোগ্যতার আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশোধনী প্রস্তাব রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি।
আইসিটি মামলার আসামি
আরেকটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গৃহীত হয়েছে, তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে।

আইসিটি আইনের ২০সি ধারায় অভিযোগপত্রভুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান আগে থেকেই রয়েছে। তবে এটি স্থানীয় সরকার আইনে যুক্ত না থাকায় আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই কারণে বিধানটি স্থানীয় সরকারের ক্ষেত্রেও চালু করা হবে।
সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব
সংশোধনী প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই চার ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনে পরিবর্তনের খসড়া তৈরি করেছে সংস্থাটির আইন–বিধি সংস্কার কমিটি। জেলা পরিষদ এই প্রস্তাবনার আওতার বাইরে রয়েছে।

বর্তমান আইনি কাঠামোতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা আইনে ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’র তালিকায় প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের উল্লেখ থাকায় প্রয়োজন হলে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন আইনে এ ধরনের স্পষ্টতা নেই। এই বৈষম্য দূর করতে সব স্থানীয় সরকার আইনে সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে ইসি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ‘‘সশস্ত্র বাহিনী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সব আইনে সমভাবে নেই, তাই আমরা মনে করি এটি সব আইনেই একইভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।’’

আইন সংশোধনে ধাপগুলো
খসড়া প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ হিসেবে পাঠানো হবে। এরপর সরকার চাইলে সংশ্লিষ্ট আইনে সংশোধনের উদ্যোগ নেবে। সেই প্রক্রিয়ায় প্রথমে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন এবং পরে জাতীয় সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

ইসির সিনিয়র সচিব কমিশন সভার পর এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনি প্রক্রিয়ার ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। তারা যদি আমাদের প্রস্তাব উপযুক্ত মনে করে, তবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আমরা আইন চূড়ান্ত করার এখতিয়ার রাখি না, আমরা কেবল প্রস্তাবনা বা সুপারিশ করতে পারি। চূড়ান্ত করার দায়িত্ব তো স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাতীয় সংসদের।’’

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার আইনে অধ্যাদেশের মাধ্যমে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন আয়োজনের বিধান বাতিল করা হয় এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগের বিধান যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে এসব অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে অনুমোদিত হয়।

বিষয়: নির্বাচন কমিশনারস্থানীয় সরকারনির্বাচননির্বাচন কমিশনইসি
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।