
ইসির খসড়া রোডম্যাপে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের কারণ হিসেবে অতীতের নির্বাচনে ধাপগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশে পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অংশ নেওয়ার সুযোগ বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ দাবিতে বুধবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকও করেছে দলটি। নির্বাচন কমিশনের নতুন আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্র

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ওই বিধানকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দিয়েছে দলটি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনে প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এই নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের পরিচয় বা প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান নেই। তাহলে ইসি কীভাবে প্রার্থীদের আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা যাচাই করবে? জামায়াতে ইসলামী সদ্যসাবেক রাষ্ট্রপতির বিষয়ে কী ভাবছে?

গত সোমবার ইসির ১২তম কমিশন সভায় অনুমোদিত সংশোধনীর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন চারটি অযোগ্যতার শর্ত সংযোজন। তবে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ঠেকাতে আলাদা কোনো বিধান আপাতত বিবেচনায় নেই।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচন করতে পারবেন কি পারবেন না- এই বিষয়ে কমিশন মনে করে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হয় সে বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে।”

মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সরকার, সিটি করপোরেশন এবং নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

মীর শাহে আলম বলেন, “আমি আপনাদের মাধ্যমে আবারও বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করি, এই বিষয়টি কখনোই কেউ নোটিশে বা নজরে নিয়ে আসবেন না।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অবনতির কারণ কী? বরাদ্দ বাড়ালেই কি এই সংকট কেটে যাবে? শিক্ষাকে কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে কী করা এখনো বাকি? চরচার এ নিয়ে কথা বলেছেন শিক্ষাবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

জামায়াত নেতারা বলছেন, ঢাকা উত্তরে দলের প্রভাব রয়েছে বেশি। বিশেষ করে মিরপুর ও উত্তরায় দলীয় অবস্থান ভালো। এমন পরিস্থিতিতে উত্তরে বেশি জোর দেওয়া স্বাভাবিক। এ ছাড়া দক্ষিণে যাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ভাবা হচ্ছে, তিনি এখনো নির্বাচনী মাঠেই নামেননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মহানগর দক্ষিণ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

সংবিধানে স্থানীয় পর্যায়ে স্বশাসনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় শাসনের দাপটই সর্বত্র। কেন্দ্র থেকেই সব সিদ্ধান্ত যায়, বাস্তবায়নের নির্দেশিকাও দেওয়া হয়। তাহলে স্থানীয় সরকার নামের বস্তুটি থাকার প্রয়োজন আছে কি না, সেই প্রশ্নও আছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, “যেহেতু আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পূর্ণ নির্দলীয় বা দলীয় প্রতীক ছাড়া হবে, তাই সেখানে আইনি কোনো বাধা নেই।

স্থানীয় উন্নয়নকাজে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করা উচিত কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে বহুদিন ধরে। সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জেলা পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্ব পুরনো।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে গণমাধ্যমের ওপর শারীরিক হামলা, হুমকি এবং হয়রানি বৃদ্ধির বিষয়টি নথিভুক্ত করেছে সিপিজে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর নেতা-কর্মীরা যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় নতুন বিধি যুক্তের প্রস্তাব করেছিল ইসি সচিবালয়।

মন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

চলতি বছরে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, তারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটের খাতা খুলবে।

রাসিক ঠিক কোন ডিলারের মাধ্যমে সড়কবাতি কিনছে–তা নিশ্চিত করতে পারেননি সিগনিফাই বাংলাদেশের এই ব্যবস্থাপক। তিনি জানান, তাদের ৩-৪ জন ডিলার রয়েছে। তবে বর্তমানে কার মাধ্যমে এই সরবরাহ চলছে–তা তার জানা নেই।