
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগ নিয়ে আবারও ইসিতে অভিযোগ জামায়াতের
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ওই বিধানকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দিয়েছে দলটি।
আজ বুধবার জামায়াতের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুদীর্ঘ ইতিহাসে স্কুল কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে থাকেন। দিস ইজ ফার্স্ট টাইম। এমন কি হলো? এবং উইদ আউট এনি ডিসকাশন উইদ স্টেকহোল্ডার?”
তিনি আরও বলেন, “এই প্রথমবারের মত উনারা (কমিশন) এটা অ্যাপ্রুভ করেছেন। এবং এটা যুক্তি দিয়েছেন যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা দায়িত্ব পালনে লেখাপড়ার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা পলিটিসাইজ হয়। নানান রকম যুক্তি তারা দিয়েছেন। সবাই আমরা ভোটার। সংবিধানে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের লোকদের রাজনীতি করা তো নিষিদ্ধ নেই এবং জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনের ব্যাপারে তো আপনারা কোন বিধিনিষেধ আরোপ করেননি।”
পরওয়ার বলেন, তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি পুনঃবিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
চিঠিতে জামায়াত জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে অযোগ্য ঘোষণা করে একটি প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিধান কার্যকর হলে দেশের প্রায় ৩০ হাজারের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।
চিঠিতে বলা হয়, “যা সাংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮ এ বর্ণিত সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই আমরা মনে করি, প্রস্তাবিত বিধানটি পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার যা সংশোধন করা প্রয়োজন, খাতে যোগ্য নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে।”
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে মো. সামসুল আলমের নিয়োগের বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে জামায়াত।
চিঠিতে বলা হয়েছে, “সরকার কর্তৃক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অতি সম্প্রতি মো. সামসুল আলমের নিয়োগের বিষয়টি আমাদের সৃষ্টিগোচর হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সামসুল আলমের সম্পৃক্ততার বিষয়টি ইতোমধ্যে জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে জনমনে প্রশ্ন ও আস্থাহীনতা তৈরি করেছে বিধায় উক্ত নিয়োগটি বাতিল করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।”
চিঠিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রণীত খসড়া আচরণবিধিমালার বিষয়েও নিজেদের মতামত তুলে ধরে জামায়াত। দলটি জানিয়েছে, খসড়া আচরণবিধিমালায় উত্থাপিত বিষয়গুলোর যৌক্তিক সমাধান প্রত্যাশা করে তারা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মোটরসাইকেলে এসে এক ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নিহত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্রপতি হত্যা তদন্তে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার গঠন করেছিলেন একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। কিন্তু সেই কমিটির প্রতিবেদন গত ৪৫ বছরেও প্রকাশিত হয়নি। সম্প্রতি সেই অপ্র

বাঘের বর্তমান সংখ্যা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, সুন্দরবনে রয়েছে ১২৪টি বাঘ, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় রয়েছে প্রায় ১৫টি এবং দেশের অন্য চিড়িয়াখানায় মিলিয়ে রয়েছে প্রায় ৫০টি বাঘ।