
পাকিস্তানে জামাত-ই-ইসলামী সরকারের নতুন সাংবিধানিক সংশোধনীগুলোকে বিচারব্যবস্থা দুর্বল করার প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। শাসকদল এগুলোকে প্রশাসনিক দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখালেও বিরোধীরা বলছে—এটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য গুরুতর হুমকি।

ইকবাল পার্কে সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত নেতারা ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনীকে প্রত্যাখ্যান করেন। সরকারের দাবি, শাসনব্যবস্থা আরও করতে এই সংশোধনী প্রয়োজন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, এসব পরিবর্তন দেশের মূল সংবিধানিক কাঠামোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের রদবদলে ‘কোনো একটা ডিজাইন বা উদ্দেশ্য’ কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে।

পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”

রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে মতবিনিময় করবে ইসি

জামায়াত নেতা তাহেরে অভিযোগ, “অপ্রত্যাশিতভাবে ইচ্ছাকৃতভাবে হোক অথবা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হোক, সরকার একটি দলের ফাঁদে পা দিয়েছে এবং সংস্কারকে প্রায় গুরুত্বহীন করেছে।”

এদিকে সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস।

শফিকুর রহমান বলেন, “এটি কোনো দলের আন্দোলন নয়, এটি জনতার আন্দোলন। বিজয় হবে জনগণের।”জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন জানান, ‘’ডিসেম্বরের শুরুতেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে এবং দুই মাসের মতো প্রচারণার সময় পাওয়া যাবে।‘’

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন জানান, ‘’ডিসেম্বরের শুরুতেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে এবং দুই মাসের মতো প্রচারণার সময় পাওয়া যাবে।‘’

পাটওয়ারী বলেন, “মনোনয়ন ফরমের মূল্য আমরা সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেখেছি। কেউ চাইলে এর চেয়ে বেশি দিতে পারেন।"

পাটওয়ারী বলেন, “মনোনয়ন ফরমের মূল্য আমরা সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেখেছি। কেউ চাইলে এর চেয়ে বেশি দিতে পারেন।"

“আমরা আটটি ইসলামী দলের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা জোট করছি না, তবে সমঝোতা ভিত্তিতে প্রার্থী দেব। অর্থাৎ, এক দল কোনো আসনে প্রার্থী দিলে, অন্য দল সেই আসনে প্রার্থী দেবে না।”

“আমরা আটটি ইসলামী দলের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা জোট করছি না, তবে সমঝোতা ভিত্তিতে প্রার্থী দেব। অর্থাৎ, এক দল কোনো আসনে প্রার্থী দিলে, অন্য দল সেই আসনে প্রার্থী দেবে না।”