
২৩৭ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ফাঁকা রাখা ৭টি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ ক্ষেত্রে জোট ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে। বিশেষ করে রয়েছে ইসলামী দলগুলো ও এনসিপি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সব দলের কিছু কিছু দাবি পূরণ করে সরকার আসলে সবাইকে খুশি করতে চাইছে না কি কোনো একটা দলকে ভরসা দিতে চাইছে তা হয়তো আর কিছু দিনের মধ্যে বোঝা যাবে। তবে, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি যেভাবে হঠাৎ করে পরিবর্তনের নজির অতীতে আছে তাতে এখনই হয়তো বলা যাবে না, বল কার কোর্টে?

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, প্রবাসীরা এবার প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন, যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে নতুন অধ্যায়।

“আগে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই যাচাই করতে হবে যে দেশে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কি না। আমি কিন্তু নির্বাচন পিছাতে চাই না। অনুরোধ থাকবে যে ভোটের পরিবেশটা আগে নিশ্চিত করা।”

গণভোট প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “এখনো আমরা অফিসিয়ালি কিছু জানি না। এটা নিয়ে খুব আলোচনা আছে। এটাও যদি আমাদের ওপর এসে পড়ে…এমনিতেই তো বিশেষ পরিস্থিতিতে একটা বিশেষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে।”

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের ফ্যাসিস্ট হিসেবে প্রমাণ করছে। তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে জুলাই সনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। হাসিনাকে আমরা একটি লাল কার্ড দেখিয়েছি। তবে নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্র-জনতা তাদেরকে ডাবল লাল কার্ড দেখাবে।

বুথফেরত জরিপ
বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন বিজেপি-জেডিইউ জোট এনডিএ বড় ব্যবধানে এগিয়ে। এনডিটিভি জানিয়েছে, দৈনিক ভাস্করের জরিপে এনডিএ ১৪৫–১৬০টি, কংগ্রেস–আরজেডি জোট এমবিবি ৭৩–৯১টি, জেএসপি ০–৩টি ও অন্যরা ৫–৭টি আসন পেতে পারে। অন্য জরিপগুলোও প্রায় একই ইঙ্গিত দিয়েছে

সংলাপের দিন আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইসি সচিব বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি শেষ এবং ১৩ তারিখেই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।”

সংলাপের দিন আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইসি সচিব বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি শেষ এবং ১৩ তারিখেই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।”

শফিকুর রহমান বলেন, “এটি কোনো দলের আন্দোলন নয়, এটি জনতার আন্দোলন। বিজয় হবে জনগণের।”জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, “এটি কোনো দলের আন্দোলন নয়, এটি জনতার আন্দোলন। বিজয় হবে জনগণের।”জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘আমি মনে করি, কেউ যদি কোনো বিষয়ে সংক্ষুব্ধ থাকেন, তিনি যে কোনো সময় পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারেন।’’

ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘আমি মনে করি, কেউ যদি কোনো বিষয়ে সংক্ষুব্ধ থাকেন, তিনি যে কোনো সময় পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারেন।’’