
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ওই বিধানকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দিয়েছে দলটি।

নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি এবং বিধিবিধান সংশোধনের কাজ চলছে জানিয়ে সিইসি জানান, সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

একই বিষয়ে গত ৩ মার্চ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন হলে আপত্তিগুলো সাধারণত ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই সামনে আসে। এবারও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নতুন এমপিদের শপথ পড়ান সংসদের স্পিকার। সেই হিসেবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর শপথ পড়ানোর কথা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটে নির্বাচনে সারা দেশে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক।

সিইসির বক্তব্যের পর নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে (২৯৯ আসনে) মোট ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২২ জন ভোটার ভোট দেওয়ার যোগ্য। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৭৭ জন পুরুষ, ৬ কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২ জন নারী এবং এক হাজার ২১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৩০০ আসনে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯।

জুবায়ের বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাটি একটি ‘সাজানো নাটক’। তিনি বলেন, “জনগণের সমর্থন না থাকায় একটি পক্ষ ছলে-বলে-কৌশলে আমাদের ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চায়। আমাদের মর্যাদা ও জনসমর্থন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভোটার, প্রার্থী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ব্যক্তিগত কষ্ট উপেক্ষা করে এই জাতীয় নির্বাচনকে সফল করার অনুরোধ করা হয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশে একযোগে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপকে তারা কল দিচ্ছেন, কল দিয়ে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। তার প্রেক্ষিতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে ইতিমধ্যে কিছু স্পেসিফিক অফিসারদের অপসারণ এবং পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছি।”

২০২৪ সালের আগস্টে হওয়া গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই অদ্যাবধি বাংলাদেশ যেমন প্রকৃতির শাসন দেখছে, সেসবই ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা গাঢ় করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আবারও এক ধরনের চাপিয়ে দেওয়া শাসনব্যবস্থাই এই দেশের মানুষের ঘাড়ে চাপতে যাচ্ছে। এমনকি যে আওয়ামী শাসনকে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমন শাসনই অন্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটের সার্বিক পরিবেশসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বাংলাদেশের নির্বাচনে আমেরিকা কোনো দলের পক্ষ নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, সেই যে কোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আমরা প্রস্তুত।”

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সর্বোচ্চ আস্থা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় আপিলের জন্য স্থাপিত বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই ক্রমশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। এ অবস্থায় খোদ নির্বাচন নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আশা করছেন, ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা কেটে যাবে।

প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এমএস কিবরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনা তো সব সময় ছিল। আগে আহসানউল্লাহ মাস্টারের সাথেও এরকম হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা হয় বাংলাদেশে, এটা নতুন কিছু না।”