চরচা প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা না পেলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা ‘মুশকিল’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজিনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শুরু হওয়া সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে সিইসি বলেন, “নির্বাচনে খেলবেন আপনারা, আপনারাই প্লেয়ার। আমরা প্রকৃত অর্থে রেফারির ভূমিকায় থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া রেফারির ভূমিকা রাখা, সুষ্ঠু নির্বাচন করা মুশকিল।”
সিইসি বলেন, “একটা ফ্রি, ফেয়ার ক্রেডিবেল ইলেকশন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা মূলত দরকার। মূল প্লেয়ারদের সহযোগিতা যদি আমরা না পাই, তাহলে এটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়ে যাবে।”
ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তফসিল ঘোষণার আগে দল ও প্রার্থীর করণীয়, তফসিল ঘোষণার পর আচরণ বিধি মানা, দলের ও প্রার্থী অঙ্গীকারনামা মানা, নির্বাচনে এআই অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন প্রতিরোধ করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না ভাঙা, লিঙ্গ-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে বৈষম্য না করা, ধর্মীয় উপসানলয়কে রাজনৈতিক প্রচারে ব্যবহার না করা, এআই ভিডিও দ্বারা প্রতিপক্ষ, লিঙ্গ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করা- বিষয়ে আলোচনা করবে।
সংলাপের শুরুতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত সব দলই সমান। সেটা বড়-ছোট যে দলই হোক না কেন। ৫৪টি নিবন্ধিত দল আছে। এই ৫৪ দলই আমাদের কাছে সমান। নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরে কী করা যায় সে জন্য দলগুলো থেকে সুচিন্তিত পরামর্শ ও মতামত দরকার।”
ঢাকা শহর পোস্টারে ছেয়ে গেছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “অথচ আমরা পোস্টার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি। এগুলো সরাতে হবে আমাদের। যারা লাগিয়েছেন, সরিয়ে নিন। আমরা কঠোর হব। এ সমস্ত ক্ষেত্রে উই উইল নট স্পেয়ার, আমরা ব্লাইন্ডলি উইল জাম্প ওভার দিস ভায়োলেশন। যখন তফসিল ঘোষণা হবে, তখন আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।”
গণভোট প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “এখনো আমরা অফিসিয়ালি কিছু জানি না। এটা নিয়ে খুব আলোচনা আছে। এটাও যদি আমাদের ওপর এসে পড়ে…এমনিতেই তো বিশেষ পরিস্থিতিতে একটা বিশেষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। এর মধ্যে নির্বাচন করতে গিয়ে অনেকগুলো অতিরিক্ত জিনিস আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা না পেলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা ‘মুশকিল’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজিনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শুরু হওয়া সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে সিইসি বলেন, “নির্বাচনে খেলবেন আপনারা, আপনারাই প্লেয়ার। আমরা প্রকৃত অর্থে রেফারির ভূমিকায় থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া রেফারির ভূমিকা রাখা, সুষ্ঠু নির্বাচন করা মুশকিল।”
সিইসি বলেন, “একটা ফ্রি, ফেয়ার ক্রেডিবেল ইলেকশন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা মূলত দরকার। মূল প্লেয়ারদের সহযোগিতা যদি আমরা না পাই, তাহলে এটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়ে যাবে।”
ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তফসিল ঘোষণার আগে দল ও প্রার্থীর করণীয়, তফসিল ঘোষণার পর আচরণ বিধি মানা, দলের ও প্রার্থী অঙ্গীকারনামা মানা, নির্বাচনে এআই অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন প্রতিরোধ করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না ভাঙা, লিঙ্গ-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে বৈষম্য না করা, ধর্মীয় উপসানলয়কে রাজনৈতিক প্রচারে ব্যবহার না করা, এআই ভিডিও দ্বারা প্রতিপক্ষ, লিঙ্গ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করা- বিষয়ে আলোচনা করবে।
সংলাপের শুরুতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত সব দলই সমান। সেটা বড়-ছোট যে দলই হোক না কেন। ৫৪টি নিবন্ধিত দল আছে। এই ৫৪ দলই আমাদের কাছে সমান। নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরে কী করা যায় সে জন্য দলগুলো থেকে সুচিন্তিত পরামর্শ ও মতামত দরকার।”
ঢাকা শহর পোস্টারে ছেয়ে গেছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “অথচ আমরা পোস্টার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি। এগুলো সরাতে হবে আমাদের। যারা লাগিয়েছেন, সরিয়ে নিন। আমরা কঠোর হব। এ সমস্ত ক্ষেত্রে উই উইল নট স্পেয়ার, আমরা ব্লাইন্ডলি উইল জাম্প ওভার দিস ভায়োলেশন। যখন তফসিল ঘোষণা হবে, তখন আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।”
গণভোট প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “এখনো আমরা অফিসিয়ালি কিছু জানি না। এটা নিয়ে খুব আলোচনা আছে। এটাও যদি আমাদের ওপর এসে পড়ে…এমনিতেই তো বিশেষ পরিস্থিতিতে একটা বিশেষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। এর মধ্যে নির্বাচন করতে গিয়ে অনেকগুলো অতিরিক্ত জিনিস আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।