
শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
আসক জানায়, গত ২৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫–এর পর থেকেই কিছু ধর্মভিত্তিক দল সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানায়। তারা বিভিন্ন সভা–সমাবেশ ও বিক্ষোভের মাধ্যমে সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের জন্য চাপ প্রয়োগ করে।

ধর্মভিত্তিক কয়েকটি সংগঠনের সমালোচনার মুখে গত রোববার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সৃষ্টি করা সংগীত শিক্ষক পদ বাতিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে বাতিল করা হয় নতুন সৃষ্টি করা শরীরচর্চা শিক্ষকের পদটিও।

চাকরির দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট ও ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রেস ক্লাব এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন।

সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার প্রসঙ্গে এবি পার্টির এই নেতা বলেন,গুম, খুন, আয়নাঘর এবং লাখো মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করার পেছনে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করার আয়োজনকে আমরা স্বাগত জানাই।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একইসঙ্গে, আগামী বছরের জুলাই মাস থেকে বাড়ি ভাড়া আরও সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাড়ি ভাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ৭.৫ শতাংশ সম্মতি দিয়েছে। যা পহেলা নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। বাকি ৭.৫ শতাংশ নতুন অর্থ বছর দেওয়া হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় শিক্ষকদের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করেছে, সেই ধারাবাহিকতায় বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত যে অগ্রগতি, সেটা হয়েছে। আমি মনে করি, এখন আন্দোলনরত শিক্ষক যারা রয়েছেন, তারা শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাবেন। শিক্ষা কার্যক্রম স্কুলগুলোতে শুরু হবে।’’

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এখন থেকে তারা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, তবে এই হার কোনোভাবেই সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকার কম হবে না।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এখন থেকে তারা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, তবে এই হার কোনোভাবেই সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকার কম হবে না।

গতকাল মঙ্গলবার ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

ধর্ম উপদেষ্টা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা বর্তমান সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বরং কওমি মাদ্রাসার দাওরা হাদিস সনদপ্রাপ্তদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে।

ধর্ম উপদেষ্টা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা বর্তমান সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বরং কওমি মাদ্রাসার দাওরা হাদিস সনদপ্রাপ্তদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে।