বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোয় উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২১১ শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৫৬ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী। বাকি ১৫৫ জন শিক্ষকেরই এই ডিগ্রি নেই, যা মোট শিক্ষকের ৭৩ শতাংশের বেশি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এই ছয়টি বিভাগে একজনও পিএইচডিধারী শিক্ষক নেই।
এ ছাড়া ইতিহাস, অর্থনীতি, বাংলা, লোক প্রশাসন, আইন এবং কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মাত্র একজন করে শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।
তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ছয়জন পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন রসায়ন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগে।
গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে পাঁচ শিক্ষকের রয়েছে পিএইচডি ডিগ্রি। মার্কেটিং বিভাগে চারজন এবং সিএসই, সমাজবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান এবং প্রাণ রসায়ন বিভাগে তিনজন করে পিএইচডিধারী শিক্ষক কর্মরত আছেন। এ ছাড়া ইংরেজি এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগে দুজন করে পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন।

এদিকে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫৮ জন শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন, যা শিক্ষক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, পিএইচডিধারী শিক্ষক কম থাকায় গবেষণায় তত্ত্বাবধায়ক সংকট তৈরি হচ্ছে। উচ্চমানের থিসিস সুপারভিশন, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রকাশ এবং একাডেমিক গবেষণার গতি এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ চরচাকে বলেন, “পিএইচডি একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা। এটি থাকলে শিক্ষকের পক্ষে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অনেক সহজ হয়। তবে শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকেও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “ আমাদের প্রতিটি বিভাগে কমবেশি গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের একটি রিসার্চ সেন্টার আছে, যেখানে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং সেখানে কাজও চলছে। তবে পিএইচডি করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। শিক্ষকদের জন্য পিএইচডি করার তেমন কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না; তাদের নিজ উদ্যোগেই তা করতে হয়। বর্তমানে আমাদের যে শিক্ষকরা ছুটিতে রয়েছেন, তারা মূলত পিএইচডি করার উদ্দেশ্যেই ছুটিতে গেছেন।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোয় উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২১১ শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৫৬ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী। বাকি ১৫৫ জন শিক্ষকেরই এই ডিগ্রি নেই, যা মোট শিক্ষকের ৭৩ শতাংশের বেশি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এই ছয়টি বিভাগে একজনও পিএইচডিধারী শিক্ষক নেই।
এ ছাড়া ইতিহাস, অর্থনীতি, বাংলা, লোক প্রশাসন, আইন এবং কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মাত্র একজন করে শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।
তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ছয়জন পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন রসায়ন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগে।
গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে পাঁচ শিক্ষকের রয়েছে পিএইচডি ডিগ্রি। মার্কেটিং বিভাগে চারজন এবং সিএসই, সমাজবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান এবং প্রাণ রসায়ন বিভাগে তিনজন করে পিএইচডিধারী শিক্ষক কর্মরত আছেন। এ ছাড়া ইংরেজি এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগে দুজন করে পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন।

এদিকে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫৮ জন শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন, যা শিক্ষক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, পিএইচডিধারী শিক্ষক কম থাকায় গবেষণায় তত্ত্বাবধায়ক সংকট তৈরি হচ্ছে। উচ্চমানের থিসিস সুপারভিশন, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রকাশ এবং একাডেমিক গবেষণার গতি এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ চরচাকে বলেন, “পিএইচডি একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা। এটি থাকলে শিক্ষকের পক্ষে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অনেক সহজ হয়। তবে শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকেও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “ আমাদের প্রতিটি বিভাগে কমবেশি গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের একটি রিসার্চ সেন্টার আছে, যেখানে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং সেখানে কাজও চলছে। তবে পিএইচডি করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। শিক্ষকদের জন্য পিএইচডি করার তেমন কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না; তাদের নিজ উদ্যোগেই তা করতে হয়। বর্তমানে আমাদের যে শিক্ষকরা ছুটিতে রয়েছেন, তারা মূলত পিএইচডি করার উদ্দেশ্যেই ছুটিতে গেছেন।”