Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগের সদস্যরা অংশ নিতে পারবেন?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ২২: ০৫
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগের সদস্যরা অংশ নিতে পারবেন?

দলীয় প্রার্থী দেওয়ার বিধি না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৎপর হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, চলতি বছরই তারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটের খাতা খুলবে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যরা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না?

Advertisement

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন শোনা যায় আচরণবিধিমালা সংশোধন করে স্থানীয় নির্বাচনেও দলটির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করা হচ্ছে।

তবে আইনি বাধা না থাকায় দলটির সদস্যরা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। এক প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, ‘‘নির্বাচন নির্দলীয় হবে। আইন অনুযায়ী যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ জুন ইসির চূড়ান্ত বিধিমালার খসড়ায়ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যদের নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো সংশোধন আনা হয়নি সে খসড়ায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত বছরের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

যা আছে আইনে

স্থানীয় সরকার আইনে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা প্রায় একই রকম। নির্বাচনগুলো সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯, পৌরসভা আইন ২০০৯, ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এবং উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের যেকোনো সময় হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ছবি: সংগৃহীত
সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের যেকোনো সময় হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি আইনেই ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা এক। আইন অনুযায়ী, বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে অথবা বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩ ও ৩৫৩-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ছাড়া আদালত-কর্তৃক ফেরারি আসামি ঘোষিত হলে থাকবে না নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ।

আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনছে কারা, কীভাবে?awami michil at asadgate

আর আন্তর্জাতিক বা জাতীয় অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্যতার বিষয়টিও স্পষ্ট করা আছে আইনে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর কেউ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে সাজাপ্রাপ্ত হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। একইভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতের রায় অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

থাকছে না অঙ্গীকারনামা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর নেতা-কর্মীরা যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় নতুন বিধি যুক্তের প্রস্তাব করেছিল ইসি সচিবালয়। প্রস্তাবিত ওই বিধিতে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই–এই মর্মে ইসির তৈরি করা অঙ্গীকারনামায় সই দেওয়ার বিধান যুক্তের পরিকল্পনা ছিল। তবে এমন কোনো অঙ্গীকারনামা থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে ইসি।

সরকার চাইছে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকুক: তথ্য উপদেষ্টাjahed ur rahman

সম্প্রতি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো অঙ্গীকারনামার বিধান নতুন করে যুক্ত হচ্ছে কি না–জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা কোনো অঙ্গীকারনামা থাকবে না। হলফনামায় ফরমের সঙ্গে একটা ঘোষণাপত্র থাকবে। প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলবেন–ঘোষণাপত্রে এমন একটি লাইন যুক্ত হবে।’’

এড়াতে চাইছে সরকার?

গত বছর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তটি ছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে। যদিও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী হবে, প্রশ্নটি উঠছে সবখানেই।

গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জানতে চান। সে সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের ফেরার বিষয়ে করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান। ছবি: বাসস
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের ফেরার বিষয়ে করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান। ছবি: বাসস

যদিও গত ৯ জুন নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার ভাষ্য, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করলে ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

জাহেদ উর রহমান বলেন, “কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তার প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তার যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।”

বিষয়: নির্বাচন কমিশনারইসি সচিবস্থানীয় সরকারনির্বাচননিষিদ্ধআওয়ামী লীগঅন্তর্বর্তীকালীন সরকারমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরস্থানীয় সরকার মন্ত্রীঅন্তর্বর্তী সরকারইসি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

  • ২

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে করা প্রশ্নগুলোর ইন্টেনশন ঠিক নাই’

  • ৩

    ‘এনজিও সরকার ২ বছরের শাসনে দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেল’

  • ৪

    ‘আমাদের হাতে অন্য ধর্মের লোকেরা অনিরাপদ-এটা আওয়ামী লীগের পুরনো খেলা’

  • ৫

    ষষ্ঠ বাংলাদেশ ফিনটেক সামিট অনুষ্ঠিত

সম্পর্কিত
  • বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    রাজধানীর দোকানে দোকানে ঘুরে এলপি গ্যাস পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কোনো দোকানে পাওয়া গেলে তার জন্য গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে দুই হাজার ৪০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ ছিল, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় এলপি গ্যাস। যদিও তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স

  • গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চলতি অর্থ-বছরের বাজেটে গবেষণায় কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। গবেষণায় বরাদ্দে নতুন নিয়ম করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এখন থেকে ইউজিসি গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা করে তহবিল দেবে।

  • ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    রাজধানীর গলি থেকে আবাসিক সড়ক, বাজার, এমনকি প্রধান সড়কও এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। ‘অটোরিকশা’ নামেই বেশি পরিচিত এই রিকশাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিশাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

  • হকার-দোকানের দখলে খুলনার ফুটপাত, ভোগান্তি

    হকার-দোকানের দখলে খুলনার ফুটপাত, ভোগান্তি

    খুলনা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়কগুলোর দু’পাশের ফুটপাত হকার ও ব্যবসায়ীদের অবৈধ দখলে থাকায় নিত্যদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের সুযোগ না থাকায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।