
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর নেতা-কর্মীরা যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় নতুন বিধি যুক্তের প্রস্তাব করেছিল ইসি সচিবালয়।

নির্বাচনের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট–দলের সুদিনে বিএনপির বাইরে থাকা বিদ্রোহী নেতাদের বড় অংশ আবারও পুরনো পতাকার নিচে ফিরতে চান। এখন অপেক্ষা শুধু হাইকমান্ডের সবুজ সংকেতের।

মন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্ম, বর্ণ কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি না।”

বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই। যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

“নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে প্রচার চালানো হয়েছিল যে, বিপুল ভোটে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসবে। এমনকি আমাকে নিয়েও বলা হয়েছিল, আমিও নাকি পরাজিত হব।”

বিএনপির এই ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য দেশবাসী ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে এ ধরনের অরাজনৈতিক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘‘দেশে ফিরে আসার পরে পারিবারিক বা সামাজিক শিক্ষার কোথায় যেন একটা অভাব মনে হয়েছে।’’

সারা বছর তাদের বড় বড় নেতাদের নামাজের কোনো খবর থাকে না, অথচ নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই তাদের গায়ে পাজামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি চড়ে, হাতে তসবিহ দেখা যায় এবং আতর মেখে মসজিদে ঢুকতে দেখা যায়।

মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ নষ্ট করে কোনো চুক্তিই আমরা করতে দেব না। চুক্তি নবায়নে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই সব করা হবে।”

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দল ক্ষমতায় আসার পর সরকার ও দল–দুই ক্ষেত্রেই ভারসাম্য রাখতে নতুন নেতৃত্ব আনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে বিএনপি। স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “আজকে আমাদের সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা একটি ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে সরকারে এসেছি। যেদিকে তাকাবেন সেদিকে শুনবেন নাই, নাই, নাই।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি ‘ইনক’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এ পুরস্কার চালু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি ‘ইনক’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এ পুরস্কার চালু করেছে।