চরচা প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি, আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র কখনোই একসাথে যায়নি। আগেও যায়নি অর্থাৎ আওয়ামী লীগের জন্মের পরেও যায়নি।”
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা যখনই ফ্যাসিবাদের আক্রমণে আক্রান্ত হয়েছি তখন গণমাধ্যম কর্মীরা ছুটে গিয়ে সেটা কাভার করে জনগণের সামনে তুলে ধরেছে।”
বিএনপিকে একটি গণতান্ত্রিক ও উদারপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “দেশের মানুষের জন্য বিএনপিই সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক শক্তি।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সাংবাদিকরা শুধু সংবাদ পরিবেশনই করেননি, বরং অনেক ক্ষেত্রে আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংবাদিকরা জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।”
নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্ম, বর্ণ কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা চলছে। এসব অপতৎপরতা রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
আলোচনা সভায় বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি, আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র কখনোই একসাথে যায়নি। আগেও যায়নি অর্থাৎ আওয়ামী লীগের জন্মের পরেও যায়নি।”
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা যখনই ফ্যাসিবাদের আক্রমণে আক্রান্ত হয়েছি তখন গণমাধ্যম কর্মীরা ছুটে গিয়ে সেটা কাভার করে জনগণের সামনে তুলে ধরেছে।”
বিএনপিকে একটি গণতান্ত্রিক ও উদারপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “দেশের মানুষের জন্য বিএনপিই সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক শক্তি।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সাংবাদিকরা শুধু সংবাদ পরিবেশনই করেননি, বরং অনেক ক্ষেত্রে আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংবাদিকরা জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।”
নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্ম, বর্ণ কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা চলছে। এসব অপতৎপরতা রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
আলোচনা সভায় বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে দ্রুত নিকটবর্তী কোনো হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। বরং বিলম্বের পর বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই একটি ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে