
শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে কোনো নেতা, দল বা নির্বাচন কমিশন একা নয়; তাকে বাঁচিয়ে রাখে প্রশ্ন করতে পারা সাহসী মানুষ। আর রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত শুরু হয় তখনই, যখন সে মানুষের প্রশ্নকে ভয় পেতে শেখে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ঘিরে ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলন এক গভীর প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। প্রথমে এটি ছিল পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতার দাবি; কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তা রাষ্ট্রের জবাবদিহি, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

ইতিহাসের এক নির্মম সত্য হলো–গণতন্ত্র খুব কম ক্ষেত্রেই একদিনে ধ্বংস হয়। অধিকাংশ সময় এটি ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নির্বাচন থাকে, সংসদও থাকে, আদালতও কাজ করে, সংবাদমাধ্যমও পুরোপুরি বন্ধ হয় না; কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ক্রমশ সংকুচিত হয়, রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রিভূত হতে থাকে এবং ভিন্নমতকে ধীরে

আমরা এখন অডিও পেরিয়ে ভিডিও সভ্যতায় উন্নীত হয়েছি। দেশে গণতন্ত্র কতটা আছে, সেটা নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা তর্ক করতে পারেন। কিন্তু ভিডিওতন্ত্রের যে রমরমা চলছে, এ নিয়ে কোনো মতভেদ নেই।

নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্ম, বর্ণ কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি না।”

সেখানে যিনি বিরোধী দলের নেতা হন তার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। প্রতিটি সরকারি মন্ত্রীর বিপরীতে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকেন। যুক্তরাজ্যে ছায়া মন্ত্রিসভা রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি স্বীকৃত অংশ। অনেক সময় ছায়ামন্ত্রীরাই পরবর্তী নির্বাচনে জিতে প্রকৃত মন্ত্রী হয়ে যান।

১৯৮৯ সালের মে মাসে চীনের বেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ছাত্র-জনতা এক বুক আশা নিয়ে গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারী কমিউনিস্ট নেতাদের পদত্যাগের দাবিতে ঐতিহাসিক আন্দোলন শুরু করে। তবে ৪ জুন ভোরে চীনা সামরিক বাহিনী ও পুলিশ নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর কোনো সতর্কতা ছাড়াই নির্বিচারে গুলি চালিয়ে এক রক্তাক্ত বিভীষিকার জন্ম দেয়

বর্তমান আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিপক্ষে ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জেড আই খান পান্না। এখন বিএনপি কি সেই নিষেধাজ্ঞার সুবিধা নিতে চাইছে? বাংলাদেশের গতিমুখ কোন দিকে? চরচার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী জেড আই খান পান্না।

একটি গণতান্ত্রিক ও বহু-মেরুভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার যে তাগিদ ভারতের মধ্যে দেখা যায়, তা মূলত এই কৌশলেরই একটি ফল। কারণ কেবল একটি বহু-মেরুর বিশ্বেই এই নীতি সফল হতে পারে।

অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত পুনর্গঠন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, বিচার ও পুলিশ ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষক-শ্রমিকের জন্য ন্যায্য আর্থ-রাজনৈতিক ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান,নাগরিকদের জন্য নিরাপদ বায়ু,পানি, খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন নিশ্চিত করা দেশের রাজনৈতিক চর্চার মূল ক্ষেত্র বলে জানান সাবেক তথ্য উপদেষ্টা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র। প্রত্যাশা কতটা পূরণ হলো? চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহসিন রশিদ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র। প্রত্যাশা কতটা পূরণ হলো? চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী মহসিন রশিদ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র। আন্দোলনের প্রায় দুই বছর পর সেই লক্ষ্য কি পূরণ হলো? জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সরকার দেশের ভার গ্রহণ করেছে। তারা মানুষের প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়ন করতে পারছে?

১৪ মে, শিক্ষাবিদ ও লেখক আনিসুজ্জামানের ষষ্ঠ মৃত্যূবার্ষিকী। তিনি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক, ধীমান গবেষক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধসহ এ দেশের সব গণতান্ত্রিক সংগ্রামে তার অগ্রগণ্য ভূমিকা ছিল।

ব্রিটেনের প্রধান হিসেবে রাজাকে দেখতে নারাজ অনেকে। তারা চান নির্বাচিত প্রতিনিধি। ৯ মে (২০২৬) বাকিংহাম প্যালেসের সামনে ব্রিটিশরাজ অবসানের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে প্রায় দেড় শ লোক।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করেও যেসব তরুণী দূর থেকে চিত্রগুলোর মাধ্যমে রাজনীতিকে দেখছেন, তাদের জন্য এই মুহূর্তগুলো একটি নীরব শিক্ষা বহন করে। তারা কেবল নির্বাচনের ফলাফল দেখছেন না, বরং তারা দেখছেন কত দ্রুত কর্তৃত্বকে ব্যর্থতা হিসেবে সাজানো যায়, কত সহজে আত্মবিশ্বাসকে বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং কীভাবে অ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।