
২০০২ সালে ১ মার্চ আইন করে পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল বাংলাদেশ সরকার। তারপরও সবখানে পলিথিন দেখা যায়। পলিথিন সস্তা এবং এর বিকল্প সুলভ না হওয়াকে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ না হওয়ার কারণ মনে করছেন অনেকে।

ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর দমনপীড়ন চালিয়েছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গায়েবি মামলায় জেলে পাঠিয়েছে। কিন্তু তারা দল নিষিদ্ধ করেনি। বিএনপি সরকার তার জবাব দিল অন্তর্বর্তী সরকারের ঘাড়ে বন্দুক রেখে।

বিরোধীদলীয় নেতা বিলটি নিয়ে কিছু সময় চাইলেও স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময়ে আপত্তি না আসায় এই পর্যায়ে আর তা বিবেচনার সুযোগ নেই।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে দামেস্কের বিনোদন ও আতিথেয়তা খাতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বার মালিক জানান, তিনি তার ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইরান সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার খাদ্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় জেলেদের দেওয়া হবে চার মাসে ১৬০ কেজি ভিজিএফের চাল। আইন অমান্যকারীদের জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নতুন আচরণবিধি–সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫—এর বিধি ৭(ক) অনুসারে লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এবং কোন প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদরের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যরোলে মুক্তি কেন হয়নি? বাগেরহাট ও যশোর জেলা প্রশাসন দায় চাপাচ্ছে পরস্পরের ঘাড়ে। জেলগেটে মৃত শিশু সন্তান ও স্ত্রীর সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ কেন করতে হয়েছে সাদ্দামের? এর মধ্য দিয়ে কি রাষ্ট্রের ‘নির্দয়’ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে?

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদরের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম কি প্যারোলে মুক্তি পেতে পারতেন? প্যারোলের নীতিমালায় কী আছে? প্যারোল, প্রবেশন ও জামিন কি একই? এই তিন বিধানের কোনটিতে কী আছে? বাংলাদেশের আইনে কী আছে?

বাগেরহাটে নিষিদ্ধঘোষিত এক ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি এবং শাসক লেবার পার্টির মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার মতো নিষেধাজ্ঞা নেওয়ার দাবি বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়ায় গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে এই আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ হচ্ছে। গেমিং আসক্তিতে ভোগা কিশোরদের জন্য হাসপাতাল চালু করেছে বিশেষ ক্লিনিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা নয়—গভীরতর সংস্কার ও সচেতনতা দরকার।

এছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।