Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশেষ প্রতিবেদন

‘উগ্রবাদে’ অভিযুক্ত আতাউল্লাহ এনসিপিতে কীভাবে

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ২১: ৫৪
‘উগ্রবাদে’ অভিযুক্ত আতাউল্লাহ এনসিপিতে কীভাবে

উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তারের কয়েকদিনের মধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে দলের গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে।

Advertisement

এনসিপি বলছে, আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক পোস্ট, বক্তব্য ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামি উগ্রবাদকে উসকে দেওয়ার অভিযোগ ছিল, যা দলের ‘নীতি ও আদর্শের’ পরিপন্থী।

অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কোনাবাড়ি এলাকার মিনি কক্সবাজার থেকে আতাউল্লাহসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রশ্ন উঠেছে, উগ্রবাদে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে এনসিপির একটি মহানগর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে এলেন? দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে স্থানীয় নেতারা বলছেন, সদস্য নির্বাচন ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া ছিল কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত। স্থানীয় পর্যায়ে তার অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক তথ্য তাদের জানা ছিল না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ কী?

আতাউল্লাহ শাহ এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি গাজীপুর পুলিশ লাইন মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। আতাউল্লাহর বাবা একই মসজিদে ইমাম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এনসিপির নেতারা।

পুলিশের ভাষ্য, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের কোনাবাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা কেন সেখানে জড়ো হয়েছিল, সে বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। এই ঘটনায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবিরের মোবাইল ফোন থেকে একটি ভিডিও উদ্ধার হয়, যা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচনা করছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভিডিওটিতে রাতের অন্ধকারে একাধিক বিস্ফোরণের দৃশ্য, উগ্রবাদী স্লোগান এবং ধারালো অস্ত্র হাতে ‘হুমকিমূলক’ বক্তব্য রয়েছে। ভিডিওটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্রচারণামূলক একটি আরবি নাশিদও (সংগীত) যুক্ত করা হয়েছিল।

এনসিপির ইশতেহারে সেকেন্ড রিপাবলিকসহ আর যা আছেncp-manifesto

তবে তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, ভিডিওতে যেটিকে ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বলে দাবি করা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে সেটি তা ছিল না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খুলনার ডুমুরিয়ায় চকলেট বোমার উপকরণ, পেট্রোল ও কিছু রাসায়নিক মিশিয়ে একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। পরে ভিডিওটি সম্পাদনা করে তাতে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ যুক্ত করা হয়, যাতে সেটিকে আরও ভয়াবহ দেখানো যায়।

এ ঘটনায় প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করে দাবি করেন, মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। তবে ভিডিওটির উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত এখনো চলছে।

এনসিপি জানায়, আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে দলের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণেই তাকে গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা গণমাধ্যমকে বলেন, আতাউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে তার ফেসবুক পোস্ট, বক্তব্য ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ‘ইসলামি উগ্রবাদকে’ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এনসিপিতে যেভাবে এলেন আতাউল্লাহ

আতাউল্লাহর এনসিপিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলছেন দলের অনেকেই। তবে গাজীপুর মহানগর কমিটির নেতারা বলছেন, তার অতীত সম্পর্কে তারা কিছুই জানতেন না।

এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক হুসাইন আল মামুন চরচাকে বলেন, “আতাউল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করতেন–এমন নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি খোঁজ নিয়েছেন। এমনকি দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তার পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। তাদের দাবি, তার বিরুদ্ধে উগ্রবাদের কোনো তথ্য আগে কারও জানা ছিল না।”

মামুন বলেন, “আমাদের কমিটির কেউই জানত না। আমি যাদের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল, তাদেরও জিজ্ঞাসা করেছি। আমাদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেছেন। তার বাবা পুলিশ লাইন মসজিদের ইমাম। আর তিনি খতিব ছিলেন। এরপরও আমরা কোনো সংশ্লিষ্টতা পাইনি।”

সারজিসকে ‘দানব মানব’ বললেন নীলা, এনসিপি নিয়ে সতর্কতাneela-israfil

এনসিপির এই নেতা জানান, বিষয়টি জানার পর দলীয়ভাবে দু-তিনটি টিমকে খোঁজখবর নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, আতাউল্লাহকে তারা আলাদাভাবে বাছাই করে কমিটিতে নেননি। এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের সময় কেন্দ্র থেকেই যাচাই-বাছাই করে নাম পাঠানো হয়েছিল।

মামুনের ভাষ্য, “এখানে কমিটি কেন্দ্র থেকেই দেওয়া হতো। কেন্দ্র থেকে জুলাই আন্দোলনের সংশ্লিষ্টতা দেখা হতো। জুলাই আন্দোলনে যারা সক্রিয় ছিল, ভূমিকা রেখেছিল এবং আগের নাগরিক কমিটির কাজে সক্রিয় ছিল, তাদেরকেই মূলত এনসিপিতে রাখা হয়েছে।”

দলের কেন্দ্রীয় সূত্রও বলছে, সম্প্রতি জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুর সফরে গিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ পান কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর অভিযোগ যাচাইয়ের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আতাউল্লাহর ঘটনায় এনসিপির সদস্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং সাংগঠনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়; তবে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দলটি দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে।

এনসিপির মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলমকে আতাউল্লাহর দলে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ছাড়া দলের রাজনৈতিক পর্ষদের একাধিক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কিছু বলতে চাননি।

বিষয়: কমিটিআন্দোলনএনসিপিগাজীপুর
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

  • ২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত

  • ৩

    সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন

  • ৪

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ৫

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

সম্পর্কিত
  • ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

    আগামী জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রথম ধাপের ভোট আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জুনের মধ্যে পাঁচ ধাপে দেশের প্রায় ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রমজানের আগে অন্তত তিন ধাপে

  • তিস্তার রূপ পরিবর্তনে আতঙ্কে চরাঞ্চলের কৃষকরা

    তিস্তার রূপ পরিবর্তনে আতঙ্কে চরাঞ্চলের কৃষকরা

    তিস্তার পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। এতে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলার চরাঞ্চলের কৃষকরা পাকা ধান নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। ফসল ঘরে তোলার ঠিক আগমুহূর্তে পানি বেড়ে গেলে নিচু জমির পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। কৃষি বিভাগ থেকে অবশ্য আগাম জ

  • দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক মানের এই অপারেটরের মাধ্যমে টার্মিনাল পরিচালিত হলে বাড়বে দক্ষতা, কমবে জাহাজের অবস্থানকাল এবং আয় বাড়বে বন্দরের।

  • বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    রাজধানীর দোকানে দোকানে ঘুরে এলপি গ্যাস পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কোনো দোকানে পাওয়া গেলে তার জন্য গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে দুই হাজার ৪০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ ছিল, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় এলপি গ্যাস। যদিও তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স