
‘স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার’, এমন সচল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিও ভুক্তির দাবিতে শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছেন, আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে না দেওয়া হলে দেশে আন্দোলন ও সহিংসতা বাড়বে।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের ফ্যাসিস্ট হিসেবে প্রমাণ করছে। তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে জুলাই সনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। হাসিনাকে আমরা একটি লাল কার্ড দেখিয়েছি। তবে নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্র-জনতা তাদেরকে ডাবল লাল কার্ড দেখাবে।

‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি শিক্ষক সংগঠনের মোর্চার ব্যানারে শিক্ষকরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালাচ্ছেন।

প্রেস সচিব বলেন, “বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মত জানিয়েছে। আমরা এটিকে হুমকি হিসেবে দেখছি না। যেটা সবচেয়ে উত্তম প্রধান উপদেষ্টা সেটাই করবেন। আগামী ১৩ নভেম্বর আদালত শেখ হাসিনার বিচারের দিন জানাবেন।”

বড় আন্দোলনের মাধ্যমে যদি বা কিছু পরিবর্তন আসে তা আবার দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কিছুক্ষেত্রে এসব আন্দোলনের ফলাফল হয় উল্টো। আন্দোলনকারী পক্ষগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যেমন- সিরিয়া, মায়ানমার ও ইয়েমেন।

প্রতিটি জেন জি আন্দোলনের তাৎক্ষণিক কারণ ভিন্ন। নেপালে কারণ ছিল হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করা। মাদাগাস্কারে কারণ ছিল পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থতা।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় শিক্ষকদের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করেছে, সেই ধারাবাহিকতায় বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত যে অগ্রগতি, সেটা হয়েছে। আমি মনে করি, এখন আন্দোলনরত শিক্ষক যারা রয়েছেন, তারা শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাবেন। শিক্ষা কার্যক্রম স্কুলগুলোতে শুরু হবে।’’

গত কয়েক বছর ধরেই এই ফ্যাসিজম নিয়ে এ দেশের রাজনৈতিক মহলে নানা কড়চা শোনা যাচ্ছে। কেউ কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে অভিধা দিচ্ছে, তো কাউকে বলা হচ্ছে ফ্যাসিস্টের দোসর। কিন্তু ফ্যাসিজম আসলে কী?

গত কয়েক বছর ধরেই এই ফ্যাসিজম নিয়ে এ দেশের রাজনৈতিক মহলে নানা কড়চা শোনা যাচ্ছে। কেউ কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে অভিধা দিচ্ছে, তো কাউকে বলা হচ্ছে ফ্যাসিস্টের দোসর। কিন্তু ফ্যাসিজম আসলে কী?

গতকাল মঙ্গলবার ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনম বলেছিলেন, ‘ আন্দোলনে থাকার কারণে আমাকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হলে আমি খুশি হব।’

এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনম বলেছিলেন, ‘ আন্দোলনে থাকার কারণে আমাকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হলে আমি খুশি হব।’