চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২০ দিন আগে খুন হন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হক চৌধুরী। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও খুনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। যে তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের কেউ সরাসরি খুনের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
ঘটনার পর মাসুদুলের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করলেও পুলিশ স্থানীয় বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং ওই এলাকায় নদী থেকে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীও গতকাল বুধবার নিহত মাসুদুলের বাড়িতে গিয়ে খুনের সাথে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টদের দায়ী করে তাদের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।
গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনি বাজারের আশরাফিয়া ফার্মেসির সামনে ওষুধ কিনতে গিয়ে খুন হন মাসুদুল। কয়েকটি সিএনজি অটো রিকশা করে সন্ত্রাসীরা এসে মাসুদকে গুলি করে পালিয়ে যান। ওই বাজারের সিসিটিভি ফুটেজে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে বন্দুক উঁচিয়ে আসার বিষয়টি দেখা গেছে।
এ ঘটনায় মাসুদের বড়ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে রাউজান থানায় ১১জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে জাকির নামের একজন এজাহারভুক্ত আসামি এবং খুনের ঘটনার সময় ওই স্থানে উপস্থিত ছিলেন বলে ফুটেজে দেখা গেছে।
ঘটনার পর রাউজান থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজেত আলী মামলাটি তদন্ত করলেও ১০ দিন আগে তদন্তভার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার নিকট হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মাসুদ আলম দায়িত্ব নিয়ে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে নতুন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিও পেয়েছেন।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মধ্যম বেতাগী গ্রামের গোলাম আলী চৌধুরী বাড়ির সন্তান মাসুদুল হক চৌধুরী। তিনি ও তার এক ছোটভাই যুবদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত। পুরো পরিবার বিএনপি ঘনিষ্ঠ হিসেবেই এলাকায় পরিচিত।
মামলার বাদী নিহতের বড়ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনিয়নটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হলেও রাউজানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনি বাজারে যাওয়া হতো তাদের। ঘটনার দিন দুপুরে ওষুধ কেনার জন্যই মাসুদুল হক বাজারে গিয়েছিলেন।
ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী চরচাকে বলেন, “আগামী ইউপি নির্বাচনে আমাদের পরিবার থেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। এমপি মহোদয়ও (হুমাম কাদের চৌধুরী) বিষয়টি জানতেন। আমি অথবা মাসুদ কেউ একজন দাঁড়াতাম এবং পারিবারিকভাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল। নির্বাচন কে করবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদও ছিল না।”
এলাকায় মাসুদের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল দাবি করে তিনি বলেন, “ইউনিয়নের প্রায় সব লোকেই তাকে খুবই পছন্দ করত। তার কারণে এলাকায় কেউ চাঁদাবাজি বা কোনো খারাপ কাজ করতে পারত না। কর্ণফুলী নদী লাগোয়া ইউনিয়নটিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও সে সোচ্চার ছিল। এলাকায় তার কোনো শত্রু ছিল বলে জানতাম না।”
মামলার তদন্তের অগ্রগতিতে তিনি সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে বলেন, “পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে, ঘটনা তদন্ত করছে। এখনই এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
কী কারণে মাসুদকে খুন করা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এলাকায় জনপ্রিয়তা, বেতাগী এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে সোচ্চার থাকা এবং ইউপি নির্বাচন করা নিয়ে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। রাজনৈতিক কোনো কারণ আছে কি না সে বিষয়ে আমার ধারণা নেই। পুলিশ তদন্ত করে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা বের করে আনুক।”
রাউজান থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। ভিডিও ফুটেজ দেখে খুনিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও প্রতিপক্ষ কারা সেসব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল।”
মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা জেলা ডিবি পুলিশের এসআই মাসুদ আলম চরচাকে বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রেপ্তার তিন আসামিকে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনাস্থলের সিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া, স্থানীয়ভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বসহ আরও বেশকয়েকটি বিষয় সামনে রেখে আমরা তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছি। অচিরেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত আরও আসামিকে গ্রেপ্তার করা যাবে বলে আশা রাখি।”

চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২০ দিন আগে খুন হন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হক চৌধুরী। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও খুনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। যে তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের কেউ সরাসরি খুনের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
ঘটনার পর মাসুদুলের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করলেও পুলিশ স্থানীয় বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং ওই এলাকায় নদী থেকে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীও গতকাল বুধবার নিহত মাসুদুলের বাড়িতে গিয়ে খুনের সাথে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টদের দায়ী করে তাদের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।
গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনি বাজারের আশরাফিয়া ফার্মেসির সামনে ওষুধ কিনতে গিয়ে খুন হন মাসুদুল। কয়েকটি সিএনজি অটো রিকশা করে সন্ত্রাসীরা এসে মাসুদকে গুলি করে পালিয়ে যান। ওই বাজারের সিসিটিভি ফুটেজে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে বন্দুক উঁচিয়ে আসার বিষয়টি দেখা গেছে।
এ ঘটনায় মাসুদের বড়ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে রাউজান থানায় ১১জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে জাকির নামের একজন এজাহারভুক্ত আসামি এবং খুনের ঘটনার সময় ওই স্থানে উপস্থিত ছিলেন বলে ফুটেজে দেখা গেছে।
ঘটনার পর রাউজান থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজেত আলী মামলাটি তদন্ত করলেও ১০ দিন আগে তদন্তভার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার নিকট হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মাসুদ আলম দায়িত্ব নিয়ে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে নতুন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিও পেয়েছেন।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মধ্যম বেতাগী গ্রামের গোলাম আলী চৌধুরী বাড়ির সন্তান মাসুদুল হক চৌধুরী। তিনি ও তার এক ছোটভাই যুবদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত। পুরো পরিবার বিএনপি ঘনিষ্ঠ হিসেবেই এলাকায় পরিচিত।
মামলার বাদী নিহতের বড়ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনিয়নটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হলেও রাউজানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনি বাজারে যাওয়া হতো তাদের। ঘটনার দিন দুপুরে ওষুধ কেনার জন্যই মাসুদুল হক বাজারে গিয়েছিলেন।
ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী চরচাকে বলেন, “আগামী ইউপি নির্বাচনে আমাদের পরিবার থেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। এমপি মহোদয়ও (হুমাম কাদের চৌধুরী) বিষয়টি জানতেন। আমি অথবা মাসুদ কেউ একজন দাঁড়াতাম এবং পারিবারিকভাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল। নির্বাচন কে করবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদও ছিল না।”
এলাকায় মাসুদের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল দাবি করে তিনি বলেন, “ইউনিয়নের প্রায় সব লোকেই তাকে খুবই পছন্দ করত। তার কারণে এলাকায় কেউ চাঁদাবাজি বা কোনো খারাপ কাজ করতে পারত না। কর্ণফুলী নদী লাগোয়া ইউনিয়নটিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও সে সোচ্চার ছিল। এলাকায় তার কোনো শত্রু ছিল বলে জানতাম না।”
মামলার তদন্তের অগ্রগতিতে তিনি সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে বলেন, “পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে, ঘটনা তদন্ত করছে। এখনই এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
কী কারণে মাসুদকে খুন করা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এলাকায় জনপ্রিয়তা, বেতাগী এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে সোচ্চার থাকা এবং ইউপি নির্বাচন করা নিয়ে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। রাজনৈতিক কোনো কারণ আছে কি না সে বিষয়ে আমার ধারণা নেই। পুলিশ তদন্ত করে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা বের করে আনুক।”
রাউজান থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। ভিডিও ফুটেজ দেখে খুনিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও প্রতিপক্ষ কারা সেসব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল।”
মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা জেলা ডিবি পুলিশের এসআই মাসুদ আলম চরচাকে বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রেপ্তার তিন আসামিকে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনাস্থলের সিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া, স্থানীয়ভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বসহ আরও বেশকয়েকটি বিষয় সামনে রেখে আমরা তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছি। অচিরেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত আরও আসামিকে গ্রেপ্তার করা যাবে বলে আশা রাখি।”

‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী, প্রত্যেক সক্ষম সন্তান তার মা-বাবার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে বাধ্য। আইনে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান ও প্রয়োজনীয় সেবাযত্নকে ভরণপোষণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একাধিক সন্তান থাকলে তাদের সবাইকে যৌথভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

জামায়াত নেতারা বলছেন, ঢাকা উত্তরে দলের প্রভাব রয়েছে বেশি। বিশেষ করে মিরপুর ও উত্তরায় দলীয় অবস্থান ভালো। এমন পরিস্থিতিতে উত্তরে বেশি জোর দেওয়া স্বাভাবিক। এ ছাড়া দক্ষিণে যাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ভাবা হচ্ছে, তিনি এখনো নির্বাচনী মাঠেই নামেননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মহানগর দক্ষিণ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।