চরচা ডেস্ক

বিদেশিদের যাতায়াত সহজ করতে, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং পর্যটন শিল্পের প্রসারে ২০০৬ সালে প্রবর্তিত বিদ্যমান নীতি সংশোধন করে একটি নতুন ভিসা নীতি তৈরি করছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রস্তাবিত ‘ভিসা নীতি ২০২৬’-এর একটি খসড়া উপস্থাপন করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, এই খসড়াটিকে আরও পরিমার্জিত করতে বৈঠকে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একটি আধুনিক ও সেবামুখী ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার এই নতুন ভিসা নীতি প্রণয়ন করছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিদেশিদের প্রবেশ ও প্রস্থান সহজ এবং সুশৃঙ্খল করা; বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ জনশক্তি আকৃষ্ট করা; এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) খাতের প্রসার ঘটানো।
এছাড়াও প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পরিচালনা করাও এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য।
খসড়া নীতিমালাটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্ত্রিপরিষদ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

বিদেশিদের যাতায়াত সহজ করতে, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং পর্যটন শিল্পের প্রসারে ২০০৬ সালে প্রবর্তিত বিদ্যমান নীতি সংশোধন করে একটি নতুন ভিসা নীতি তৈরি করছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রস্তাবিত ‘ভিসা নীতি ২০২৬’-এর একটি খসড়া উপস্থাপন করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, এই খসড়াটিকে আরও পরিমার্জিত করতে বৈঠকে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একটি আধুনিক ও সেবামুখী ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার এই নতুন ভিসা নীতি প্রণয়ন করছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিদেশিদের প্রবেশ ও প্রস্থান সহজ এবং সুশৃঙ্খল করা; বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ জনশক্তি আকৃষ্ট করা; এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) খাতের প্রসার ঘটানো।
এছাড়াও প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পরিচালনা করাও এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য।
খসড়া নীতিমালাটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্ত্রিপরিষদ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, জুলাই বিপ্লবকে যত বেশি আক্রমণ করা হবে, এটি দিন দিন তত বড় ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে।