বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার (৫৫) কে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর বয়স ২১ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণ ও পড়াশোনার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার রাষ্ট্রকে বহনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফয়সাল হোসেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার দূরসম্পর্কের মামাতো ভাই হওয়ায় আলমগীরের বাড়িতে মেয়েটির নিয়মিত যাতায়াত ছিল। পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২২ সালের শেষের দিকে একদিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আলমগীর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেন।
এরপর ২০২৩ সালের ২২ মার্চ দ্বিতীয়বারও একই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তিনি। কিছুদিন পর মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উজিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম একমাত্র আসামি আলমগীর সিকদারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আলমগীর সিকদারকে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগীর বাবা দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেন, “ধর্ষণের ঘটনায় আমার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ভুক্তভোগী ও তার সন্তান বর্তমানে আমার সঙ্গেই বসবাস করছেন।”

বরিশালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার (৫৫) কে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর বয়স ২১ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণ ও পড়াশোনার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার রাষ্ট্রকে বহনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফয়সাল হোসেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার দূরসম্পর্কের মামাতো ভাই হওয়ায় আলমগীরের বাড়িতে মেয়েটির নিয়মিত যাতায়াত ছিল। পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২২ সালের শেষের দিকে একদিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আলমগীর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেন।
এরপর ২০২৩ সালের ২২ মার্চ দ্বিতীয়বারও একই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তিনি। কিছুদিন পর মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উজিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম একমাত্র আসামি আলমগীর সিকদারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আলমগীর সিকদারকে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগীর বাবা দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেন, “ধর্ষণের ঘটনায় আমার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ভুক্তভোগী ও তার সন্তান বর্তমানে আমার সঙ্গেই বসবাস করছেন।”

আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, জুলাই বিপ্লবকে যত বেশি আক্রমণ করা হবে, এটি দিন দিন তত বড় ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে।