
কারা হেফাজতে থাকা বন্দীদের মৃত্যুর সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি কমেছে। কিন্তু দেশের ৭৫টি কারাগারে থাকা প্রায় ৮৪ হাজার বন্দীর জন্য চিকিসক আছেন মাত্র দুজন। প্রতিটি কারাগারে অন্তত একজন করে স্থায়ী চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে প্রায় সব কারাগারেই সেই পদ শূন্য।

মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বুধবারই সেই সাজা কার্যকর করা হবে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে চলতি বছর ইরানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছরেও তাকে জীবিত বা মৃত উদ্ধার করা সম্ভব না হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান।

শহীদ সাজ্জাতের মা শাহিনা বেগমের প্রশ্ন, “এই সরকার কি সত্যিই হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবে? সরকার পরিবর্তন হলে তারা যদি হাসিনা ও তার সহযোগীদের সুরক্ষা দেয় তাহলে কী হবে? কে নিশ্চিত করবে যে এই খুনিরা পালিয়ে যাবে না?”

বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ৯৪ জন নারীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। তবে দেশের সূচনালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নারী বন্দির ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নজিরবিহীন ঘটনা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগেই এই রায়।

আল জাজিরার বিশ্লেষণ
নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক আজ হিমশীতল। হাসিনার আমলে যে সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জোট ছিল, তা এখন অবিশ্বাসে ভরা সম্পর্কে রূপান্তরিত হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে এর আগে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ। নতুন করে এ আলোচনা আবার সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে?

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “(আসামিদের) অনুপস্থিতিতে এই বিচারের কার্যক্রম নজিরবিহীন দ্রুতগতিতে করা হয়েছে। আদালত নিযুক্ত আইনজীবী শেখ হাসিনার প্রতিনিধিত্ব করলেও তিনি (বিবাদীকে) রক্ষার্থে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য খুব কম সময় পেয়েছেন।”

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘খুবই উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা শশী থারুর।

শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল প্রসঙ্গে বলেন, “আমার পক্ষে এ মামলায় আপিল করার সুযোগ নেই।

শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল প্রসঙ্গে বলেন, “আমার পক্ষে এ মামলায় আপিল করার সুযোগ নেই।

পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”

পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রায় পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা, উত্তেজনাপ্রসূত আচরণ, সহিংসতা বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রায় পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা, উত্তেজনাপ্রসূত আচরণ, সহিংসতা বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হচ্ছে।