চরচা ডেস্ক

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় শুনে আদালতের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শাহিনা বেগম। তবে শোকে নয়, আনন্দে কান্না করছিলেন তিনি।
শাহিনা বেগম আল জাজিরাকে বলেন, “মাত্র পাঁচ মিনিটে আমার জীবত সন্তানকে পুড়িয়ে মেরেছে তারা, কিন্তু এই রায় দিতে সময় লেগেছে প্রায় দেড় বছর।”
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই শাহিনা বেগমের ২০ বছর বয়সী ছেলে সাজ্জাত হোসেনকে গুলি করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলেছিল পুলিশ। শেখ হাসিনাই এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আদালতের প্রমাণ হয়েছে।
গত সোমবার উসকানি, হত্যার নির্দেশ এবং নৃশংসতা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। তবে রাজসাক্ষী হওয়ায় তৃতীয় আসামি পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর শাহিনা বেগম বলেন, “শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি না দেওয়া পর্যন্ত আমি শান্ত হতে পারব না।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এই সরকার কি সত্যিই হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবে? সরকার পরিবর্তন হলে তারা যদি হাসিনা ও তার সহযোগীদের সুরক্ষা দেয় তাহলে কী হবে? কে নিশ্চিত করবে যে এই খুনিরা পালিয়ে যাবে না?”
ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়া হলেও তার কার্যকার হওয়া নিয়ে অনেক শহীদ পরিবারই সন্দিহান।
রায় ঘোষণার পর শহীদ মীর মাহবুবুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর স্নিদ্ধও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সৈয়দ মুনতাসির রহমানের বাবা সৈয়দ গাজীউর রহমান বলেন, “এই ফাঁসিটা যেন দৃষ্টান্তমূলক হয়, প্রকাশ্যে হয়। তবেই মানুষ শান্তি পাবে।”
জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারও শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় গুলিতে নিহত দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দিপ্তি আল জাজিরাকে বলেন, “যেদিন এই রায় কার্যকর করা হবে, সেদিন ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।”
তাছাড়া আইজিপি মামুনের শাস্তি নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় শুনে আদালতের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শাহিনা বেগম। তবে শোকে নয়, আনন্দে কান্না করছিলেন তিনি।
শাহিনা বেগম আল জাজিরাকে বলেন, “মাত্র পাঁচ মিনিটে আমার জীবত সন্তানকে পুড়িয়ে মেরেছে তারা, কিন্তু এই রায় দিতে সময় লেগেছে প্রায় দেড় বছর।”
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই শাহিনা বেগমের ২০ বছর বয়সী ছেলে সাজ্জাত হোসেনকে গুলি করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলেছিল পুলিশ। শেখ হাসিনাই এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আদালতের প্রমাণ হয়েছে।
গত সোমবার উসকানি, হত্যার নির্দেশ এবং নৃশংসতা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। তবে রাজসাক্ষী হওয়ায় তৃতীয় আসামি পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর শাহিনা বেগম বলেন, “শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি না দেওয়া পর্যন্ত আমি শান্ত হতে পারব না।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এই সরকার কি সত্যিই হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবে? সরকার পরিবর্তন হলে তারা যদি হাসিনা ও তার সহযোগীদের সুরক্ষা দেয় তাহলে কী হবে? কে নিশ্চিত করবে যে এই খুনিরা পালিয়ে যাবে না?”
ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়া হলেও তার কার্যকার হওয়া নিয়ে অনেক শহীদ পরিবারই সন্দিহান।
রায় ঘোষণার পর শহীদ মীর মাহবুবুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর স্নিদ্ধও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সৈয়দ মুনতাসির রহমানের বাবা সৈয়দ গাজীউর রহমান বলেন, “এই ফাঁসিটা যেন দৃষ্টান্তমূলক হয়, প্রকাশ্যে হয়। তবেই মানুষ শান্তি পাবে।”
জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারও শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় গুলিতে নিহত দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দিপ্তি আল জাজিরাকে বলেন, “যেদিন এই রায় কার্যকর করা হবে, সেদিন ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।”
তাছাড়া আইজিপি মামুনের শাস্তি নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।