
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার অনুপস্থিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। শেখ হাসিনা এখন ভারতে। তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে আগেই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আইসিটি ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার। পথচারীদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে এবং দেখা হচ্ছে পরিচয়পত্র।

এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলছে, দুজনের অনুপস্থিতিতে এ বিচার করা হয়েছে। তারা নিজেদের পছন্দমতো আইনজীবী পাননি। আদালত তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, যা গুরুতর মানবাধিকার উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, “প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।”

মামলায় ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে ছিলেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। গণ অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ আরও অনেকে আদালতে বয়ান দেন।

শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল প্রসঙ্গে বলেন, “আমার পক্ষে এ মামলায় আপিল করার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে আনা ট্রাইবুনালের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করছি। গত বছরের জুলাই-আগস্টে যত জনের মৃত্যু হয়েছে, সে জন্য আমি শোকাহত। কিন্তু আমি কিংবা কোনও রাজনৈতিক নেতা কখনোই কোনো আন্দোলনকারীকে হত্যা করার নির্দেশ দিইনি।”

বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে আনা ট্রাইবুনালের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করছি। গত বছরের জুলাই-আগস্টে যত জনের মৃত্যু হয়েছে, সে জন্য আমি শোকাহত। কিন্তু আমি কিংবা কোনও রাজনৈতিক নেতা কখনোই কোনো আন্দোলনকারীকে হত্যা করার নির্দেশ দিইনি।”

তবে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, এটি ব্যক্তিগত দায়ের বিচার, কোনো রাজনৈতিক দলের বিচার নয়। তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নেয়নি।

তবে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, এটি ব্যক্তিগত দায়ের বিচার, কোনো রাজনৈতিক দলের বিচার নয়। তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নেয়নি।

রাজসাক্ষী হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রাজসাক্ষী হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।