
তারেক রহমান বলেন, যারা অন্যায় করেছে, যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিচার অবশ্যই হবে। তবে আমরা চাই, বিচারের নামে যেন আরেকটি অবিচার না ঘটে। বিচার হতে হবে ন্যায়সঙ্গত ও আইনের ভিত্তিতে।

রিজভী বলেন, “আমাদের সব জানালা খোলা রাখতে হবে। শহীদরা নীরবে আমাদের স্মৃতিতে ফিরে আসবেন এবং আমাদের অনুপ্রাণিত করবেন, যাতে কোনো মিথ্যা স্বপ্ন আমাদের মনে শিকড় গাড়তে না পারে।”

সংসদে দাঁড়িয়ে মাননীয় এমপিরা যখন এমন বেপরোয়া, লাগামহীন বক্তব্য দেন, তখন মনে হয়–সংসদ কোনো আইনসভার অধিবেশন নয়, বরং এটি একটি ‘স্ট্যান্ড-আপ কমেডি’র মঞ্চ। যেখানে জনপ্রতিনিধিরা আসেন, মাইক্রোফোন নেন, মনগড়া রূপকথা শোনান, এবং শেষে ধরা খেলে বলেন, “সরি ভাই, মাথায় একটু ব্যথা ছিল!”

নীলফামারীর এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার বক্তব্যে অসাবধানতাবশত ভুল হয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে আমি সংশোধনী দিয়েছি স্পিকার বরাবর। যা আজকে জমা হচ্ছে।”

অনুষ্ঠানের সভাপ্রধান ফউজুল আজিম বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের যেসব স্থানে অবাঙালি বা বিহারি অধ্যুষিত ছিল সেই সব স্থানেই অধিক হারে গণহত্যা হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশ এখনো এই বিষয়ে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি।”

আগামী ২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাক আউট পালনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

গেজেটে তার নম্বর ৬৪৩। হত্যা মামলার অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে উবাইদুলের মৃত্যুর কথা বলা হয়। তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। উবাইদুলের মৃত্যু সনদে সড়ক দুর্ঘটনার কথা স্পষ্ট উল্লেখ থাকলেও ভুয়া মামলার সূত্র ধরে একজনকে ‘জুলাই শহীদ’ আরেকজনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দেয়

মোজতাবা খামেনি বলেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং তাদের লক্ষ্যবস্তু কেবল মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো।

ঘড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপনে প্রতিষ্ঠানটি লিখেছে, ‘জান দেব, জুলাই দেব না, এটি কেবল একটি বাক্য নয় এটি একটি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। একটি বিশ্বাস, একটি প্রতিজ্ঞা, একটি বিপ্লবের উচ্চারণ। এই অমর উচ্চারণ করেছিলেন শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি, আমাদের সবার প্রিয় হাদি ভাই।…শহীদ হাদির স্মরণে আমরা নিয়ে এসেছি বিন হাদি কাঠের ঘড়ি,

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম শহীদ মিনার ভাঙার নির্মম দৃশ্যের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ। তার ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতায় ধরা পড়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতি ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠ। কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের শ্রমে গড়ে ওঠা শহীদ মিনার বারবার ভাঙা হলেও চেতনায় অমলিন।

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শনিবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দেখা রিকশাচালক মো. আনোয়ারের সাথে। তিনি তার রিকশা ফুল দিয়ে সাজিয়ে রওনা হয়েছেন শহীদ মিনারে, ফুলে ফুলে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে। ভিডিও: তারিক সজীব

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা সারিবদ্ধভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন।

একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার আত্মত্যাগের গৌরবের দিন, কিন্তু এই মর্যাদা কি সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত? সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা রাষ্ট্রভাষা হলেও আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ভাষাগুলোর সংগ্রাম আজও চলমান। এই লেখা ভাষা আন্দোলনের উত্তরাধিকার আর উপেক্ষিত মাতৃভাষার বাস্তবতার প্রশ্ন তুলে ধরে।

১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিরা যে বিদ্রোহটি করে তা ইতিহাসে ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ হিসেবে পরিচিত। সেই বিদ্রোহের আঁচ ঢাকায়ও লেগেছিল। তখন ইংরেজ সৈন্যদের সঙ্গে ঢাকার সৈন্যদের সংঘর্ষ হয়।

১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিরা যে বিদ্রোহটি করে তা ইতিহাসে ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ হিসেবে পরিচিত। সেই বিদ্রোহের আঁচ ঢাকায়ও লেগেছিল। তখন ইংরেজ সৈন্যদের সঙ্গে ঢাকার সৈন্যদের সংঘর্ষ হয়।