চরচা ডেস্ক

পিরোজপুর সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি স্মৃতিস্তম্ভটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতিস্তম্ভের একটি অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিউল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। শিগগিরই দোষীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দেশের ৬৪ জেলায় ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’নির্মাণ করা হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
পুলিশ বলেছে, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে বিস্তারিত জানানো হবে।

পিরোজপুর সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি স্মৃতিস্তম্ভটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতিস্তম্ভের একটি অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিউল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। শিগগিরই দোষীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দেশের ৬৪ জেলায় ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’নির্মাণ করা হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
পুলিশ বলেছে, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে বিস্তারিত জানানো হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।