চরচা ডেস্ক

শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়ছে জামায়াতে ইসলামী।
আজ সোমবার রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়া জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “আমরা মনে করি, এই বিচারের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কারো নেই। কারণ বিচার স্বচ্ছ হয়েছে, নিরপেক্ষ হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে।”
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “পত্রপত্রিকা, অডিও-ভিডিও, তাঁদের টেলিফোনিক কনভারসেশনের যে সমস্ত তথ্য হুবহু ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে, রায়ের মধ্যে কিন্তু কোট-আনকোট সেগুলো পড়ে শোনানো হয়েছে। আমরা বিস্মিত হয়েছি, জাতি বিস্মিত হয়েছে।”
জামায়াত নেতা আশা প্রকাশ করেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভেঙে দিয়েছে এই রায়। জনগণ এখন আইনের প্রতি আরও বিশ্বাসী হবে।

শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়ছে জামায়াতে ইসলামী।
আজ সোমবার রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়া জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “আমরা মনে করি, এই বিচারের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কারো নেই। কারণ বিচার স্বচ্ছ হয়েছে, নিরপেক্ষ হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে।”
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “পত্রপত্রিকা, অডিও-ভিডিও, তাঁদের টেলিফোনিক কনভারসেশনের যে সমস্ত তথ্য হুবহু ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে, রায়ের মধ্যে কিন্তু কোট-আনকোট সেগুলো পড়ে শোনানো হয়েছে। আমরা বিস্মিত হয়েছি, জাতি বিস্মিত হয়েছে।”
জামায়াত নেতা আশা প্রকাশ করেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভেঙে দিয়েছে এই রায়। জনগণ এখন আইনের প্রতি আরও বিশ্বাসী হবে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।