
ফজলে রাব্বি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে ১৪ বছর ধরে টেলিভিশন সাংবাদিকতা করেছেন। চলচ্চিত্র আন্দোলনেরও সক্রিয় কর্মী তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় এক হাজার ছয়টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব মামলার বড় অংশই পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়েছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, মূলত মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতাদের রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ‘ম্যানেজ’ করতে গিয়ে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয় পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের। সমঝোতা নয়; বরং টাকা না পেলে রাস্তায় ঘুরবেনা গাড়ির চাকা–এমন অঘোষিত নিয়মের জালেই বন্দী থাকে পরিবহন খাত।

সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে চাইলে আইপিপিগুলোর বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। এর জন্য চাই বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ। সেক্ষেত্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার সময় যা বলেছিলেন–সেগুলো ছিল অঙ্গীকার। জনগণের কাছে কোনো ধরনের দায়বদ্ধতা থাকে না অন্তর্বর্তীকালীন কিংবা তত্ত্বাবধায়ক ধরনের সরকারের।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। রাজধানীর ১৩টি সংসদীয় আসনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভোট হয়।

এবার সেই বাস্তবতা নেই। আওয়ামী লীগ মাঠে নেই। ফলে ভোটারদের বড় অংশ নতুন করে হিসাব কষছেন। কেউ কৌশলগত ভোটের কথা ভাবছেন। কেউ আদর্শের কথা ভাবছেন।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ও জরিপভিত্তিক গবেষণা দেখায়, আওয়ামী লীগের কোর ও সফট সমর্থক মিলিয়ে ভোটার ভিত্তি ৩০-৫০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে। নব্বই পরবর্তী সময়ের হিসাব বিবেচনায় নিলে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট ছিল মোট ভোটের ৩০ দশমিক ০৮ শতাংশ।

‘জালিয়াতিতে বাংলাদেশ পৃথিবীতে চ্যাম্পিয়ন’– প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য আসার পর থেকে নানা মহলে এ নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকে বলছেন, রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহী যখন এ ধরনের কথা বলেন, তখন সেটি আর ব্যক্তিগত মতামত থাকে না।

সার্বিকভাবে, ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে রাজধানীতে আনার চেয়ে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা পাইপলাইন স্থাপন করা অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এখন দেখার বিষয়, বিইআরসি ও সরকার বিপিডিবির এই ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাবকে কতটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।

বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম দিয়ে বোমা তৈরি নিয়ে আমাদের মোসাদ্দেকের তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিতে হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোচ্ছে।

বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর কমিটি মনে করে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত যে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে, তা হঠাৎ তৈরি হয়নি। নীতিগত সিদ্ধান্ত, বিশেষ আইন, অস্বচ্ছ চুক্তি এবং গোষ্ঠীস্বার্থের সমন্বয়ে ধীরে ধীরে এই খাতকে এক ধরনের ‘আর্থিক ব্ল্যাকহোলে’ পরিণত করা হয়েছে।

২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫,৮০০ টাকা এবং ১ম গ্রেডের বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬৫,৫০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

টিআরসি কোনো যাদুকরী সমাধান নয়। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, এটি রাষ্ট্রকে একবার হলেও আয়নার সামনে দাঁড় করায়। অন্তত এই প্রক্রিয়া যেসব দেশে সফলতা পেয়েছে কিংবা আংশিক সফল হয়েছে, সেখানে তেমনটিই দেখা যায়।

অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রান্নার বিকল্প হিসেবে কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন, কেউ আবার বাইরে থেকে খাবার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৮টি বিভাগের জন্য আঞ্চলিক ভাষায় মিউজিক ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। হাটে মাঠে ঘাটে তা প্রচার করা হচ্ছে। ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চমৎকার অডিও-ভিজ্যুয়াল।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রফিক আলমের বাসায় পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। এ জন্য তাকে নিয়ম মেনে বিলও পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু ঘরের রান্নার কাজে তাকে বাজার থেকে এলপিজি কিনে ব্যবহার করতে হয়। এ জন্য তাকে প্রতি মাসে হাজার টাকার বেশি বাড়তি গুনতে হয়।

কাউকে হতাশ করতে চায় না জানিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, জয়ের বিষয় মাথায় রেখেই আসন সমঝোতার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার মজুত ফুরিয়ে আসছে। এক হিসাবে দেখা গেছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। একই হারে সার্বিক গ্যাস উৎপাদনও কমেছে। এ অবস্থায় গ্যাসের সংকট মেটাতে আমদানির ওপরই ভরসা রাখা হচ্ছে।

তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে রণধীর বলেন, “বাংলাদেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে ভারত। এই ঘটনাকে সেই প্রেক্ষাপট থেকেই দেখা উচিত।”

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত সমমনা আট দলের জোটে আসন সমঝোতা নিয়ে চলছে জটিল হিসাব-নিকাশ। এই জোট হচ্ছে না বলেও গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার শিরোনাম ছিল ‘BANGLADESH LIBERATED’। এতে বলা হয়, স্বাধীন রাষ্ট্রের আবেগে ঢাকা শহর ফেটে পড়েছে।

১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো যুদ্ধে পরাজয় মেনে না নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য দায়ী করেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজির আগে পাঠানো বার্তার জবাবে দুপুরের পরে আসা এক বার্তায় ইয়াহিয়া খান যুদ্ধবিরতির অনুমোদন দেন। নিয়াজি সন্ধ্যায় ঢাকায় নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল হার্বার্ট ড্যানিয়েল স্পিভাকের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে চিঠি লেখেন।

মুজিবনগরের একটি সূত্র এদিন জানায়, বাংলাদেশে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাদের পরাজয় সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে রিচার্ড নিক্সন সপ্তম নৌবহরকে আদেশ দিয়েছেন, তাদের একাংশ যেন এখনই বঙ্গোপসাগরে চলে যায়। ওয়াশিংটন মস্কোকে আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। তবে এটাও চায় না যে পাকিস্তান ভেঙে পড়ুক।

লন্ডনের মহাত্মা গান্ধী হলে ইন্ডিয়া লিগ আয়োজিত এক সভায় লেবার পার্টির সাবেক মন্ত্রী পিটার শোর বলেন, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি এবং ব্যবহারিক সাহায্য দিতে যুক্তরাজ্যের তৈরি থাকা উচিত।

জামালপুর ও ময়মনসিংহের পতনের পর ঢাকার দিকে এগোতে থাকে যৌথ বাহিনী। উত্তর-পূর্বে যৌথ বাহিনী মেঘনা অতিক্রম করে ঢাকার দিকে এগোচ্ছে আরেকটি দল।

পেট্রোবাংলার হিসাবে বর্তমানে গড়ে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় খনিগুলো দৈনিক ১৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ১০৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এতে প্রতিদিন অন্তত ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নির্দেশে অধিকৃত বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এদিন থেকে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার করা হয়েছিলো বলে পরবর্তীতে জানা যায়।

২০০৬ সালের ৩০ আগস্ট উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন না করা, বাংলাদেশে এশিয়া এনার্জির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও সরকারের সাথে চুক্তি বাতিলসহ সাত দফা দাবি মেনে চুক্তি সই করে সরকার।

বিজয় প্রায় নিশ্চিত বুঝতে পেরে কাজের গতি বেড়ে যায় বাংলাদেশ সরকারের। মুজিবনগরের এদিন সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুক্ত এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনের কার্যক্রম শুরু এবং খাদ্য, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

যৌথ বাহিনীর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এদিন মুক্ত কুমিল্লা পরিদর্শন করেন। সকালে যৌথ বাহিনী বিমানবন্দরসহ কুমিল্লা শহর দখল করে। অরোরা বাংলাদেশ-ভারতের পতাকা লাগিয়ে কুমিল্লা বিমানবন্দরে পৌঁছালে জনতা হর্ষধ্বনি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়।

সিলেটের পতন হয় যশোরের কিছুক্ষণ পর। যৌথ বাহিনী প্রথমে শালুটিকর বিমানবন্দর দখল করে। সেখানে যৌথ বাহিনীর ছত্রীসেনা অবতরণ করে। এরপর চারদিক থেকে শহরের দিকে অগ্রসর হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পাকিস্তান সেনারা পিছু হটে মেঘনা নদীর ওপারে ভৈরব বাজারে অবস্থান নেয়।

কূটনৈতিক বিশ্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে যখন তোলপাড় চলছিল, রণাঙ্গনে তখন একের পর এক এলাকা মুক্ত হচ্ছিল পাকিস্তানের হাত থেকে।

রণাঙ্গনে ক্রমাগত কোণঠাসা হয়ে পড়া পাকিস্তানি সৈন্যদের সম্মান বাঁচানোর শেষ চেষ্টা চলতে থাকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে। বাংলাদেশকে ঘিরে ঠান্ডা যুদ্ধে লিপ্ত পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও চীনও তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম সংসদের উচ্চ ও নিম্নকক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) বিশেষ অধিবেশনে জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে একযোগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করছে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো রাওয়ালপিন্ডিতে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পুরো ক্ষমতা গ্রহণের শর্তে অসামরিক যৌথ মন্ত্রিসভায় বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর অধীনে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণে তিনি রাজি আছেন।

যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় এক কোটি শরণার্থীর মানবেতর জীবন নিয়ে উদ্বেগ চোখে পড়ে। তবে, ডিসেম্বরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ শরণার্থী সংকট থেকে সরে কেন্দ্রীভূত হয় সামরিক সংঘাতের দিকে।

বিজয়ের পতাকা উড়লেই শুরু হয়ে যাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর কাজ। স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকাবিধি তৈরি, বিদেশ ভ্রমণে ট্রাভেল পাস ইস্যু, মুদ্রানীতি তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রবাসী সরকার হাত দিয়েছিল ডিসেম্বরের আগেই।