Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

কাটছে জ্বালানি সংকট, সচল হচ্ছে কারখানা, প্রশ্ন স্থিতিশীল সরবরাহ নিয়ে

রেজাউল করিম

রেজাউল করিম

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮: ০০
কাটছে জ্বালানি সংকট, সচল হচ্ছে কারখানা, প্রশ্ন স্থিতিশীল সরবরাহ নিয়ে
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

প্রায় দুই মাস তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পর দেশের শিল্পকারখানায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। গত তিন-চার দিনে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ বাড়ায় অনেক কারখানা আবার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়েছে। কোথাও কোথাও উৎপাদন প্রায় স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তারা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের উদ্যোক্তারা বলছেন, “কয়েক দিন আগেও যেখানে গ্যাসের চাপ ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল, এখন পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। কোনো কোনো কারখানা ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন করছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন, সংকট কাটতে শুরু করলেও গত দেড় থেকে দুই মাসে যে ক্ষতি হয়েছে, তার প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি। আগের সময়ে শত শত কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ বা স্বল্প সক্ষমতায় চলেছে, উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, শিপমেন্টে বিলম্ব হয়েছে এবং কিছু নিটওয়্যার কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে বা কমে গেছে। তাই এখন শিল্পে স্বস্তি ফিরলেও ব্যবসায়ীদের নজর রয়েছে সরবরাহ কতটা স্থিতিশীল থাকে, তার ওপর।

৯০-৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় ফিরেছে অনেক কারখানা

গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা যেসব শিল্পকারখানায় পড়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম টেক্সটাইল মিল। এক মাস আগেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন চালাতে পারছিল না। বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে গিয়ে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।

তবে এখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। এ অ্যান্ড এ টেক্সটাইল মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর হোসাইনের কাছে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চরচাকে বলেন, “এখন কারখানা প্রায় পূর্ণ সক্ষমতার কাছাকাছি চলছে। ৯০ শতাংশ বা ৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন হচ্ছে। সংকট প্রায় কেটে গেছে বলা যায়। আগে মাত্র ৫-৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত, এখন সামান্য কিছুক্ষণ হয়তো লোডশেডিং হয়।”

জ্বালানি তেল সরবরাহে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংকট হবে না: বিপিসি চেয়ারম্যানpress-brifing

অর্থাৎ, শুধু গ্যাস সরবরাহ নয়, বিদ্যুৎ পরিস্থিতিরও উন্নতি হওয়ায় কারখানাটির উৎপাদন আগের অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। এক মাস আগে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় যেখানে ব্যয় প্রায় ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন আলমগীর হোসাইন, এখন সেই চাপ অনেকটাই কমেছে বলে জানান তিনি।

একই ধরনের চিত্র পাওয়া গেছে অলটেক্স ফেব্রিক্সেও। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আসিফ চরচাকে বলেন, “গত দুই-তিন দিন ধরে আমার কারখানা প্রায় ৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। সংকট ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে। মাঝখানে যে ধরনের সংকটে পড়েছিলাম, এখন সেই পরিস্থিতি নেই। গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ায় উৎপাদনও প্রায় স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে।”

শুধু কি এ দুই কারখানায়? না, অধিকাংশ কারখানাতেই উৎপাদন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম চরচাকে বলেন, “নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে এবং এসব এলাকায় চাপ ১০ থেকে ১৫ পিএসআই পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আশুলিয়া, কাশিমপুর ও কালিয়াকৈরের কিছু এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত চাপের অভাব রয়েছে।”

সংকট কাটছে

গত কয়েক সপ্তাহের পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান অবস্থার পার্থক্য সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝা যায় শিল্প উদ্যোক্তাদের বক্তব্যে। তীব্র সংকটের সময়ে অনেক কারখানায় গ্যাসের চাপ এতটাই কমে গিয়েছিল যে, উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে কোথাও বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করা হয়, কোথাও উৎপাদন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সীমিত করে আনা হয়।

শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে, কিন্তু কীভাবে?gas_psSDa3V

এখন সেই পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। এ অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের আলমগীর হোসাইন বলেন, “বর্তমানে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন হওয়া মানে আমার কারখানা প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। আগে যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল মাত্র কয়েক ঘণ্টা, এখন সেখানে খুব কম সময় লোডশেডিং হলেও সার্বিকভাবে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া যাচ্ছে।”

অলটেক্স ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আসিফও একই কথা বলছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত দুই-তিন দিনের উন্নতিতে কারখানাটি আবার প্রায় ৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে। ফলে কয়েক সপ্তাহ আগে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজও কয়েকটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ বাড়ার পর শিল্পকারখানায় গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় চাপ এখনো ওঠানামা করছে। কোনো কোনো স্থানে দুই ঘণ্টার মতো স্বাভাবিক চাপ থাকার পর কয়েক ঘণ্টা আবার কমে যাচ্ছে। অর্থাৎ, সংকট পুরোপুরি শেষ হয়েছে–এমন নয়। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

পোশাক খাতেও পরিস্থিতির উন্নতির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। ১৭ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সাংবাদিকদের বলেন, “সাত দিন আগের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবেই উন্নত হয়েছে। দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকায় এবং এলএনজি সরবরাহের বিঘ্ন কমে আসায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।”

এর এক দিন আগে, ১৬ সেপ্টেম্বরও তিনি জানিয়েছিলেন, “গ্যাস সংকট ধীরে ধীরে কমছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে। গাজীপুর, মাওনা, ভালুকা ও ময়মনসিংহের গ্যাস পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। তবে মানিকগঞ্জ, ধামরাই ও সাভারের কিছু এলাকায় এখনো ঘাটতি ও চাপের ওঠানামা রয়েছে।”

তীব্র সংকটে বন্ধ হয়েছিল শত শত কারখানা

জুলাইয়ের শেষদিক থেকে আগস্টে গ্যাস সংকট তীব্র হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। গত মাসে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) জানিয়েছিল, “শুধু টেক্সটাইল খাতেই ৯০০টির বেশি মিল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। নারায়ণগঞ্জ, সাভার, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এসব কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল।”

২০২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছিল ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু গড় ইউনিট মূল্য বেড়েছিল মাত্র ২ শতাংশ। ছবি: রয়টার্স
২০২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছিল ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু গড় ইউনিট মূল্য বেড়েছিল মাত্র ২ শতাংশ। ছবি: রয়টার্স

নরসিংদীর চিত্রও ছিল উদ্বেগজনক। একই সময়ে ওই জেলার শিল্পাঞ্চলে ১০০টির বেশি কারখানা তিন দিন ধরে বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া যায়। অন্তত ৫০টি কারখানা উৎপাদন চালু রাখতে গ্যাসের বিকল্প হিসেবে কাঠ ব্যবহার করছিল। সেখানকার শিল্প উদ্যোক্তাদের হিসাবে, ওই সময় নরসিংদীর কারখানাগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত উৎপাদন ক্ষতি হচ্ছিল।

গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে না: অর্থমন্ত্রীannual-economic-state

তখন বিটিএমএ জানিয়েছিল, “নরসিংদীতে প্রায় ৪০০টি গ্যাসনির্ভর কারখানা রয়েছে। স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য এসব কারখানায় ১০ থেকে ১৫ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হলেও সংকটের সময় সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে যায়। ফলে কোনো কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, আবার কোনো কারখানা ১০ শতাংশ সক্ষমতাতেও উৎপাদন চালাতে বাধ্য হয়।”

অন্যদিকে শিল্প পুলিশের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা মূল্যায়নে দেখা যায়, তাদের আওতাধীন ১০ হাজার ৬৩টি কারখানার মধ্যে ৪১৩টি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর মধ্যে ১৭টি কারখানার ১৮টি উৎপাদন ইউনিট উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল। আরও ২০২টি কারখানা সংকট অব্যাহত থাকলে এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকটের সময় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছিল উৎপাদন সক্ষমতায়। অনেক কারখানা স্বাভাবিক সক্ষমতার মাত্র ৫ থেকে ৫০ শতাংশে উৎপাদন করছিল। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, আশুলিয়া ও অন্যান্য শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ কম থাকায় কারখানাগুলোকে সীমিত উৎপাদন চালাতে হয়েছিল।

বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কারণে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। এ অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর হোসাইনের দেওয়া তথ্য তার একটি উদাহরণ। প্রায় এক মাস আগে চরচায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন, “সংকটের সময় উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহারের কারণে তাদের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল।” এখন তিনি বলছেন, “বর্তমানে উৎপাদন ৯০-৯৫ শতাংশ সক্ষমতায় ফিরছে। তাই উৎপাদন ব্যয়ও অটোমেটিক কমে এসেছে।”

নজর এখন স্থিতিশীল সরবরাহে

বর্তমান পরিস্থিতির সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, দীর্ঘ সময়ের সংকটের পর কারখানাগুলো আবার উৎপাদন বাড়াতে শুরু করেছে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও অন্যান্য শিল্প সংগঠনও গত কয়েক দিনে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।

ফলে জুলাই-আগস্টের সেই পরিস্থিতি, যখন গ্যাসের অভাবে শত শত কারখানা সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল বা স্বাভাবিক সক্ষমতার অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল, তা থেকে শিল্প খাত এখন বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে ক্ষতির হিসাব পুরোপুরি মুছে যায়নি। সংকটের সময়ে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাড়তি ব্যয় হয়েছে, কিছু কারখানায় কর্মীদের কাজের সময় কমেছে, শিপমেন্ট পিছিয়েছে এবং কিছু নিটওয়্যার কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল বা কমেছে। এসব ক্ষতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব আগামী কয়েক মাসে স্পষ্ট হতে পারে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, “সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের প্রকৃত প্রভাব বুঝতে আরও তিন থেকে চার মাস অপেক্ষা করতে হবে। কারখানা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় না, চলমান অর্ডার, শ্রমিকদের পাওনা ও ব্যাংকিং দায় নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন কারণে এর প্রভাব পরে দৃশ্যমান হয়।”

বিষয়: গাজীপুরজ্বালানিবিদ্যুৎ বিলবিদ্যুৎ সংযোগকারখানানারায়ণগঞ্জনরসিংদীবাংলাদেশঅর্থনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    কাটছে জ্বালানি সংকট, সচল হচ্ছে কারখানা, প্রশ্ন স্থিতিশীল সরবরাহ নিয়ে

  • ২

    ২৫ ম্যাচে ২২ হার, এবার ভারত-বাধা পেরোবে বাংলাদেশ?

  • ৩

    ৬ মাসে শেষ ১৪ পরিবার, শুধুই মৃত্যু নাকি হত্যা?

  • ৪

    ২ মাসে ৯ নারীকে হত্যা, দক্ষিণ আফ্রিকায় জমছে ক্ষোভ

  • ৫

    এনসিটি ইজারা স্থগিত ও মামলা প্রত্যাহারে দুই দিনের আল্টিমেটাম

সম্পর্কিত
  • ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ মধ্যেও যেভাবে টিকে আছেন তিনি

    ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ মধ্যেও যেভাবে টিকে আছেন তিনি

    চন্দ্রশেখরনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখনো টাটা সন্সের পরিচালনা পর্ষদ ও এর নিয়ন্ত্রণকারী ট্রাস্টগুলোর প্রকাশ্য বিরোধ। এতে কোম্পানি ও তার সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডারের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

  • ডানপন্থীদের উত্থানে অভিবাসীদের মনে প্রশ্ন, তারা কি জার্মানিতে আপনজন?

    ডানপন্থীদের উত্থানে অভিবাসীদের মনে প্রশ্ন, তারা কি জার্মানিতে আপনজন?

    ডানপন্থী এএফডি প্রান্তিক একটি আন্দোলন থেকে জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এবং জাতীয় জনমত জরিপে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের রক্ষণশীল জোটের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেই বদলে যায় শিক্ষাক্রম, কেন?

    রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেই বদলে যায় শিক্ষাক্রম, কেন?

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হওয়ার পর নিজস্ব কোনো শিক্ষানীতি ছিল না। উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছিল ১৯৬৯ সালে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সময় এয়ার মার্শাল নূর খানকে প্রধান করে গঠন করা কমিটির অবশেষ।

  • গুলশানের মিছিল থেকে ওসির অডিও: আ.লীগকে নিয়ে বিএনপির ভাবনা কী?

    গুলশানের মিছিল থেকে ওসির অডিও: আ.লীগকে নিয়ে বিএনপির ভাবনা কী?

    গুলশানের মিছিলের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে যে বার্তা এসেছে, তাতে বোঝা যায়, ক্ষমতাসীন দলটি আওয়ামী লীগের তৎপরতাকে সাময়িক বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে না।