Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

বাংলাদেশের নির্বাচন ভারতের জন্য সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ

গ্রেস করকরান

গ্রেস করকরান

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২: ০১
বাংলাদেশের নির্বাচন ভারতের জন্য সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং অস্থিরতার পর ব্যালট বাক্সে এক চূড়ান্ত রায় দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এই ফলাফলের প্রভাব বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আরও বহুদূর বিস্তৃত। প্রতিবেশী ভারতের জন্য এই ফলাফল সেই সম্পর্ককে পুনর্গঠন বা ‘রিসেট’ করার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে, যা পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দলের পতনের পর থেকে তিক্ততায় আচ্ছন্ন ছিল।

Advertisement

গত সপ্তাহে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের মিত্ররা সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। নির্বাচন কমিশন সারা দেশে ৬০.৩ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির কথা ঘোষণা করেছে, যা ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের চেয়ে বেশি। সে সময় ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪১.৮ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, দেশটি পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।

২০২৪ সালের সেই নির্বাচনটিই ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সূচনালগ্ন, যাদের এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিষিদ্ধ ছিল। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নির্বাসিত। মূলত একটি তরুণ-প্রজন্মের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন যখন তার উত্তরোত্তর স্বৈরাচারী ও বংশানুক্রমিক শাসনের অবসানের দাবিতে জাতীয় বিক্ষোভে রূপ নেয়, তখনই তার পতন ঘটে।

বিএনপির জয় কি ভূরাজনীতি বদলে দেবে?tarique press

হাসিনার আমলে ভারতের ওপর অতি-নির্ভরশীলতার যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, তা দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেও সেই টানাপোড়েন বজায় ছিল, যাদের দায়িত্ব ছিল সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং এই ভোট কার্যক্রম তদারকি করা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে বিএনপির প্রত্যাবর্তন যে বংশানুক্রমিক রাজনীতির অবসান ঘটাবে, তা নয়। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলে। তার মা খালেদা জিয়া, যিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং শেখ হাসিনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন; নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ডিসেম্বর মাসে মারা যান। গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত এই দুটি দল এবং তাদের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।

সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে হিমশিম খেতে পারে বিএনপিtarek-rahman-voting

২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে ভারতের সাথে তার সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়, যা গত এক দশকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে তার ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমে আরও বেগবান হয়েছিল। কিছু ক্ষেত্রে টানাপোড়েন থাকলেও হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে বাংলাদেশের এই বিশাল প্রতিবেশীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হয়েছে। ছবি: রয়টার্স
সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

বিএনপির বিগত শাসনকালগুলোতে ভারতের সাথে সম্পর্ক প্রায়ই শীতল ছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কার মতো তা এতটা উত্তেজনাপূর্ণ ছিল না। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হস্তক্ষেপের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিল।

বিএনপি যখন সর্বশেষ ক্ষমতায় ছিল, তখন ভারত অভিযোগ করেছিল যে, ঢাকা ভারত-বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ ছাড়াও দিল্লি বারবার বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং চীনের সাথে বিএনপির ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

বর্তমানে ভারত এই নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরদিনই মোদি তারেক রহমানকে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশ যে ‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী’, সেই বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে, তারেক রহমানও ভারতের সাথে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কাজ শুরু করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ক’ বজায় রাখতে চান।

ভারত তার অন্য কোনো প্রতিবেশীর সঙ্গে অস্থিরতা এড়াতে চাইবে, বিশেষ করে মালদ্বীপ ও নেপালের সঙ্গে সাম্প্রতিক তিক্ততা এবং পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী শত্রুতার প্রেক্ষাপটে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানার ৯০ শতাংশেরও বেশি যুক্ত থাকায়, এ দেশে স্থিতিশীলতা বজায় থাকা ভারতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

‘আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষকথা’Tarique Rahman

এই সম্পর্কের অন্যতম প্রাথমিক পরীক্ষা হবে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ ইস্যুটি, যেখানে গত বছর একটি সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি এখন মৃত্যুদণ্ডের সম্মুখীন। বিষয়টি যেন দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্কের ওপর আরও প্রভাব ফেলতে না পারে, সেজন্য দিল্লির উচিত তাকে তৃতীয় কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা, যাতে শুরুতেই এই উত্তেজনার অবসান ঘটে। যদিও এটি ঢাকা হয়তো ভালোভাবে গ্রহণ করবে না, তবে এটি অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধা দূর করবে।

বর্তমানে ভারত এই নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল
বর্তমানে ভারত এই নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল

অগ্রগতির আরেকটি সুযোগ হতে পারে দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে উত্তরবঙ্গের সেচ কাজের জন্য তিস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জীবনরেখা। এক দশকেরও বেশি সময় আগে একটি খসড়া চুক্তি সম্পাদিত হলেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিরোধিতার কারণে তা আর চূড়ান্ত হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তিস্তা নদীর অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যার তীব্র বিরোধিতা করেছিল দিল্লি। এই চীনা প্রকল্পটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে সংযুক্তকারী মাত্র ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন’স নেক’-এর খুব কাছে অবস্থিত। এই উত্তেজনা নিরসন করতে পারলে দুই দেশই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সদিচ্ছার সংকেত দিতে পারবে।

জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগে তারেকের ওপর আস্থা বাড়ছে ভারতীয়দেরtarique neeee

বর্তমানে বেইজিং বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যার বিনিয়োগ বন্দর থেকে শুরু করে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রতিরক্ষা খাত পর্যন্ত বিস্তৃত। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবে–এমন সম্ভাবনা কম। বরং তারেক রহমান সম্ভবত বেইজিং ও দিল্লি–উভয় পক্ষের সাথেই সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে চলবেন।

ভারতকে এটি মেনে নিতে হবে যে, চীন অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ছাড়ছে না এবং এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই ভারতকে সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে হবে। একই সাথে ঢাকাকেও কোনো একক শক্তির ওপর অতি-নির্ভরশীলতার ফলে সৃষ্ট ঋণ এবং কৌশলগত ঝুঁকিগুলো সতর্কতার সাথে সামলাতে হবে।

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। এখন দেখার বিষয়, বিএনপি আসলে কী উপহার দিতে পারে।

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক দল নিরপেক্ষ, স্বাধীন থিংক ট্যাংক লোয়ি ইনস্টিটিউট পরিচালিত দ্য ইন্টারপ্রেটর-এর লেখাটি অনুবাদ করে প্রকাশিত।

গ্রেস করকরান অস্ট্রেলিয়া ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের ‘ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ নীতি ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক। এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মিনিলেটারালিজম এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আগ্রহের বিষয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ, কৌশলগত উদ্যোগ এবং নীতি গবেষণার নকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গ্রেসের আট বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বিষয়: বিএনপিবাংলাদেশশেখ হাসিনাতারেক রহমানদিল্লিভারতভারতীয়ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনতিস্তা নদীবেইজিংচিকেনস নেক
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ৩

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৪

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

  • সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

  • ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।