Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

আন্দোলনে জোট, আলাদাভাবে ভোট: স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত কতটা ‘একা’?

আল হেলাল শুভ

আল হেলাল শুভ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ২১: ২৪
আন্দোলনে জোট, আলাদাভাবে ভোট: স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত কতটা ‘একা’?
জামায়াত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছে। ফাইল ছবি

সংসদের বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য অনেক আগেই জোট বাদ দিয়ে ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছে। তবে তাদের এই সিদ্ধান্তে মনঃক্ষুণ্ন হয়েছে ১১ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো। বিগত জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের নেতৃত্বে অংশ নেওয়া এই জোটের অনেকের মধ্যে এক ধরনের হতাশাও সৃষ্টি হয়েছে। যদিও শরিক দলগুলোর নেতারা বলছে, এটাই ১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত, যা তারা প্রত্যেকে মেনে নিয়েছেন।

Advertisement

গত মে মাসে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জানিয়েছেন, ১১ দলীয় ঐক্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, স্থানীয় নির্বাচন তারা আলাদা আলাদাভাবেই করবে। সিটি করপোরেশনগুলোতে দলগুলো নিজ নিজ প্রার্থী দেবে বলেও জানিয়েছে। এরপর জামায়াত কিংবা ১১ দলীয় জোট তাদের সিদ্ধান্ত বদল করেনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত মঙ্গলবার ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে প্রেস বিফ্রিংয়ে জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ারের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তখন মামুনুল হক বলেন, “আগে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেটাই আছে। যার যার দল থেকে নির্বাচন করা হবে।” তবে ১১ দলীয় জোটের ঐক্য থাকবে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন মামুনুল হক।

শরিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন জোটভিত্তিতে না করার কারণে জামায়াত জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে আলোচনা আছে, এতে ঢাকার মতো বড় সিটি কর্পোরেশনে ভোট ভাগ হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। এনসিপির বেশ কিছু নেতা মনে করেন, শুধু ঢাকা সিটি নয়, এমন বেশ কয়েকটি স্থান আছে যেখানে জোটের শরিকরা আলাদা প্রার্থী দিলে ভোট ভাগাভাগি হবে। যার ফল পেয়ে লাভবান হবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অনেক আগেই ওই ঘোষণা দেওয়ার ফলে জোটের শরিক ছোট ছোট দলগুলোর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে হতাশা বেড়েছে। জামায়াতের এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্তের কারণে জোটের অন্তত দুটি দল হেফাজতে ইসলামের কওমিভিত্তিক যে নতুন জোট হতে যাচ্ছে, সেটির অংশ হয়ে নির্বাচন করার চিন্তা করছে। কওমিপন্থী ৭ ইসলামী দলের সমন্বয়ে যে ‘সমমনা ইসলামী দল’ গঠনের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, সেই জোটের মাধ্যমেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে সেখানেও ভোট ভাগাভাগি হওয়ার আশঙ্কা রয়ে যাচ্ছে।

জোট বাঁধছে কওমি ঘরানার ৭ দল, একসঙ্গে করবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনkowmi

জামায়াতের শরিক এবং নতুন জোটে যেতে আগ্রহী দুটি দলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন জোট গঠনের পেছনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জামায়াত এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ফলেই তাদের নতুন জোটে জোটবদ্ধ হতে হচ্ছে।

১১ দলীয় জোটে এখন আছে ৯টি দল- জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও লেবার পার্টি। জোটে থাকা খেলাফত মজলিস জুলাই মাসেই ১১ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। আর খেলাফত আন্দোলনও এর আগেই জানিয়েছিল যে, তারা জামায়াতের জোটে নেই।

‘সমমনা ইসলামী দল’ নামের নতুন জোট গঠনের উদ্দেশ্যে গত ২২ অক্টোবর ঢাকায় বৈঠক করে কওমিভিত্তিক সাতটি দল। সেই বৈঠকের দিন জামায়াত জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন চরচাকে বলেন, “জামায়াত জোট নিয়ে আমাদের ভেবেচিন্তে দেখার বিষয় আছে। আর আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আছে। এই নির্বাচন জামায়াত এককভাবে করবে। ফলে… আমাদেরও তো নির্বাচন করতে হবে! আমরাও এখানে জোট করে নির্বাচন করব।”

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাত দলের জোট আকারে আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনার কথাও তখন জানিয়েছেন আতাউল্লাহ আমিন, “আমরা এই নতুন জোটের দলগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করব। এটার সঙ্গে আরও কিছু দল আসতে পারে।”

জামায়াতের বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত অভিযোগ বাড়ছে?jamat-e-islam-bangladesh

জোট আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হিসাব-নিকাশের পার্থক্য তুলে ধরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “১১ দলীয় জোট (জামায়াত জোট) আন্দোলনের জন্য আছে। ওই জোটের একটি দল জামায়াতে ইসলামী। তারা তো ঘোষণা দিয়েছে, তারা এককভাবে নির্বাচন করবে। এখন ১১ দল তার জায়গায় থাকলেও, নির্বাচন জামায়াতে বিরুদ্ধে হবে। স্থানীয় নির্বাচন তো জামায়াত এককভাবে করবে, আমাদের তো নির্বাচনকেন্দ্রিক আর কোনো জোট নাই। এখন আমরা অন্যান্য দল নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করব।”

এ প্রসঙ্গে ১১ দলীয় জোটের আরেক শরিক বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মূসা বিন ইযহার চরচাকে বলেন, “জামায়াতের সাথে এখন আমাদের নির্বাচনী জোট না। সেটা শেষ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে তারা শুধু আন্দোলনে রয়েছে। নির্বাচন একসাথে করতে হবে- এটা জরুরি নয়।”

সাত দলীয় জোটের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ নিয়ে মূসা বিন ইযহার বলেন, “সাত দলীয় ঐক্য বা সমমনা ইসলামী দলগুলোর সাথে জোটগত করার যে আলোচনা রয়েছে, সেটা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে যায়নি। তবে ওই জোটের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার হবে বলে আলোচনা হয়েছে।”

স্থানীয় নির্বাচনে সাত দলীয় জোটের সমন্বয়ের ব্যাপারে ধারণা দিয়ে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব বলেন, “স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে প্রতিটি দলের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে। তবে সমমনা দলগুলোর সাথে কোয়ার্ডিনেট করে আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।”

নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের প্রস্তুতি

এদিকে জামায়াত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করে ফেলেছে বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন। দলটি কাউন্সিলর পদেও নির্বাচনী প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। আর ঢাকা দক্ষিণে দলের মেয়র প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমকে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির অনেক ওয়ার্ডেই দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী কে হবেন, তা দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে ঘোষণা করা হয়েছে। তারা ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে প্রচারণাও চালাতে শুরু করেছেন। তবে দলীয়ভাবে নাম ঘোষণা করা হলেও প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো হয়নি।

স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী চায় বিএনপি, হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরtarek-rahman-at-parliament

গত ১২ অক্টোবর পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে ভোট আয়োজিত হবে। তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ইসি এখনো কোনো তারিখ জানায়নি।

জামায়াত জোটের শরিকরা বলছেন, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়, এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও জড়িত। জোটভিত্তিক নির্বাচনের কারণে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই রাজনৈতিক জোট ভালো ফলাফল করেছে। আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আরেকটি সমঝোতা হলে ফলাফল ভালো হবে বলে মনে করছেন তারা।

জোটের নেতারা মনে করছেন, ঢাকা দক্ষিণে জামায়াত ও এনসিপির দুই প্রার্থী শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে ভোট ভাগাভাগি হবে এবং বিএনপি প্রার্থী সহজেই জয়ী হবে। এই সমীকরণ অন্যান্য স্থানীয় নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে। তাছাড়া জাতীয় নির্বাচন ও আন্দোলনে একসঙ্গে থাকলেও স্থানীয় নির্বাচন এককভাবে করলে জোটের ঐক্য কিছুটা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এনসিপির প্রস্তুতি কী?

সমঝোতা না হওয়ায় এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। ইতোমধ্যে ঢাকা দক্ষিণে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। তবে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি শতাধিক উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চললেও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের যোগ্য প্রার্থীর সংকট রয়েছে। অবশ্য ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় কিছু জায়গায় সমঝোতার পথও খোলা রাখছে দলটি।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের এককভাবে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তে এনসিপির একটি অংশেও রয়েছে চাপা ক্ষোভ। দলটির অনেক নেতা মনে করেন, স্থানীয় নির্বাচনে ভালো ফলাফল করতে না পারলে তাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করা কঠিন হয়ে যাবে। এ জন্য জামায়াতের ওই সিদ্ধান্ত ভাল ভাবে নেয়নি এনসিপি, তবে প্রকাশ্যে এ ব্যাপারে কোনো উচ্চারণও করছে না তারা।

আগামী বছরের শুরুতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে পারবে ইসি?mitu

এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, জামায়াত যে এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ফলে এনসিপিও তাদের সঙ্গে কিছুটা ব্যবধান রেখেই চলতে চায়। এ জন্যই ঢাকা-কুষ্টিয়া লংমার্চে দলটির কয়েকজন নেতা যোগ দিলেও দলের শীর্ষ নেতারা অনুপস্থিত ছিলেন। তবে এখনই ১১ দলীয় জোট ছেড়ে যাবে- এমনটা দলের কোনো নেতা দাবি করেননি।

জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে থাকলেও পৃথক দল হিসেবে নিজেদের ‘স্বতন্ত্র পরিচয়’ ধরে রাখতে চায় এনসিপি। এর অংশ হিসেবে ১১ দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের এক দিন আগে দলটি গত শুক্রবার ঢাকার শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, এবারের ১১ দলের লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেননি। এর আগে দুটি লং মার্চে অবশ্য তারা অংশ নিয়েছিলেন।

আলাদাভাবে নির্বাচন আর একসঙ্গে আন্দোলন- এই হিসাব নিকাশ স্পষ্ট করে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব চরচাকে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, এ জন্য আমরা এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে আমরা কর্মসূচি চলমান রাখব।”

জামায়াতের সিদ্ধান্তকে এবি পার্টি কীভাবে দেখছে?

জোটের অন্য শরিকরাও আলাদা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে তাদের মধ্যেও ভিন্নমত রয়েছে। ১১ দলের অন্যতম শরিক আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “আমরা আলাদাভাবে নির্বাচন করব। আমরা ইতিমধ্যে প্রার্থীদের নাম জমা নিয়েছি। এরপর যাচাই-বাছাই করে আগামী মাসেই ঘোষণা করব।”

জামায়াত যে এককভাবে নির্বাচন করছে, এটাকে এবি পার্টি দলীয়ভাবে কীভাবে নিয়েছে- জানতে চাইলে মজিবুর রহমান বলেন, “আমরা ঠিক মনে করছি। প্রথম কথা হলো, এটা তো দলীয় নির্বাচন না। সে জন্য আমরা এককভাবে নির্বাচন করাকে পছন্দ করছি।”

জামায়াত যা বলছে

জামায়াত স্থানীয় সরকার নির্বাচন এককভাবে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জোটের শরিক অনেকে মনঃক্ষুণ্ন কি না- এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন চরচাকে বলেন, “আমরা যখন বিএনপির সঙ্গে চার দলীয় জোটে ছিলাম, তখনো তো আমরা স্থানীয় নির্বাচন এককভাবে করেছি!”

আলাদাভাবে কেন নির্বাচনে যাচ্ছে জামায়াত, এর একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় তার কথায়, “একাধিক প্রার্থী হলে তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিয়ন্ত্রণ করা খুব মুশকিল।”

জোটে থাকলেও নির্বাচনী ভাবনা যে আলাদা হতে পারে, তা বুঝিয়ে সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, “বিএনপি-জামায়াত অতীতে এক জোটে থাকা সত্বেও আমরা আলাদা করে করেছি। এটা একটি ফ্যাক্ট! (১১ দলীয়) জোটের শরিকরাও তো কেউ কেউ নির্বাচনের প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে। আর স্থানীয় নির্বাচনে বিভিন্ন ফ্যাক্টর কাজ করে, এটাও তো বুঝতে হবে!”

কওমিভিত্তিক সাত ইসলামী দলের নতুন জোট হলে ভোট ভাগাভাগি হবে কি না, জানতে চাইলে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, “সেটা দেখা যাক। আগে ভোট আসুক, তখন দেখা যাবে।”

বিষয়: জামায়াতআন্দোলননির্বাচনভোটরাজনীতিজামায়াতে ইসলামীস্থানীয় সরকারস্থানীয় নির্বাচন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন

  • ২

    বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন

  • ৩

    আন্দোলনে জোট, আলাদাভাবে ভোট: স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত কতটা ‘একা’?

  • ৪

    আবারও বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

  • ৫

    ‘যে বেতন পাই তাতে ১৫ দিনও চলে না’

সম্পর্কিত
  • ঢাকার শপিংমল কেন হয়ে পড়ছে অচল?

    ঢাকার শপিংমল কেন হয়ে পড়ছে অচল?

    কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির ২০ তলা ভবনের নিচের তিন তলা জুড়ে ছিল শপিং কমপ্লেক্সটি। পোশাক, জুতা, প্রসাধনী আর উপহারসামগ্রী থেকে শুরু করে এখানে ছিল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম। চতুর্থ তলায় ছিল ফুড কোর্ট। শপিং কমপ্লেক্সটি যখন চালু হয়, তখন এর দোকান সংখ্যা ছিল ১৯৮টি।

  • কোন পথে বাংলা কিউআর

    কোন পথে বাংলা কিউআর

    বাংলা কিউআরের যাত্রা শুরু হয় একক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি বাংলা কিউআরের নির্দেশিকা জারি করে। পরে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ঢাকার মতিঝিলে পরীক্ষামূলকভাবে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বাংলা কিউআর পেমেন্ট চালু হয়

  • এসআরবির অভিযানে শ্রমিকের মৃত্যু: গুলি করা ‘দুর্বৃত্ত’ আসলে কারা?

    এসআরবির অভিযানে শ্রমিকের মৃত্যু: গুলি করা ‘দুর্বৃত্ত’ আসলে কারা?

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১০) অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে কারখানা শ্রমিক মারুফ ওরফে দুখু মিয়ার (২০) মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার এজাহারের সঙ্গে নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া গেছে। পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থলে এসআরবি সদস্যরাই গুলি ছুড়েছেন।

  • ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকবছর ধরে নতুন কিছু ভাইরাল গ্রুপ আর পেজের দেখা মিলছে। ‘বাস লাভার’, ‘ট্যুর বাস লাভার’, ‘বাস স্পটার’ নামের অনেক গ্রুপ আর পেজ দেখা যায় ফেসবুকে। এই গ্রুপ বা পেজগুলোয় বাস নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এসব গ্রুপের সদস্য বা পেজের অ্যাডমিনরা কিছুদিন পরপরই বাস ভাড়া করে দূরপ