
সোহরাব হাসান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনেও সরকারি দলের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে না বিরোধী দল গতিমুখ বদলাতে পারবে, সেটা আগে থেকে বলা কঠিন। সংসদীয় কমিটি গঠন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যকার বিরোধ কীভাবে ও কতদিনে মীমাংসা হবে, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি বোমায় মানুষ মারা যাবে, সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। কেননা সেখানে ঘাতকেরা চিহ্নিত। কিন্তু আমাদের ঘরের ভেতরে ও আশপাশে যে ঘাতকেরা লুকিয়ে আছে, সেটা অনুমান করা কঠিন। রংপুরের ঘটনাই ধরুন। রংপুরের মাছুয়াবাজারে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে নিয়ে থাকতেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী। রংপুর

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানাই। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে সরকারি দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। বিরোধী দলের প্রার্থী ছিলেন অলি আহমেদ (বীর বিক্রম), তিনি পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

যদি বিরোধী দলের কাউকে জিজ্ঞেস করেন, বিএনপি সরকার কেমন দেশ চালাচ্ছে, নিশ্চিতভাবে তিনি বলবেন, “খুব খারাপ। সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেনি। জনজীবনে সংকট আরও ঘনীভুত হয়েছে।” আর যদি সরকার সমর্থক কারও কাছে একই প্রশ্ন করেন, তিনি বলবেন, “খুবই ভালো। গত ৬ মাসে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে, গত ৫৫ বছরেও তা হয়নি।”

রাষ্ট্রপতি পদে শেষ পর্যন্ত বিএনপি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই প্রার্থী করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পরই মির্জা ফখরুল দলের মহাসচিব পদ

১৯৬৬ সালে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে বিজেঞ্জো কোয়েটা ফিরে যাচ্ছিলেন। বালুচ নেতা নওয়াব বুগতি কাগজের মুদ্রায় ‘ওয়ান ইউনিট তোড় দো’ বা এক ইউনিট ছুড়ে ফেলো স্ট্যাম্পে লিখে ছাপ দিতেন।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনো নিশ্চিত হয়নি। এর আগেই জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট প্রার্থী হিসেবে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে বেছে নিয়েছে। সংসদে সরকারদলীয় জোটের আসন ২৫৯টি, বিরোধীদলীয় জোটের ৯০টি। অর্থাৎ, বিরোধীদলীয় জোটের প্রার্থী জেতার সম্ভাবনাই নেই। হারবে জেনেও কেন তারা প্রার্থী দিয়েছে?

বেলুচদের স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিণতি না পাওয়ার অন্যতম কারণ, তারা বিভিন্ন উপজাতি জনগোষ্ঠীতে বিভক্ত। একসঙ্গে সব উপজাতি জনগোষ্ঠী লড়াই-সংগ্রাম চালাতে পারেনি। কোনো না কোনো উপজাতি জনগোষ্ঠী পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আপস করেছে।

পাকিস্তান বলতে অনেকের ধারণা, দেশটির সম্ভবত সবাই শোষক ও নির্যাতনকারী। কিন্তু বেলুচ জাতীয়তাবাদী নেতা গাউস বক্স বিজেঞ্জোর লেখায় সেই ধারণা অনেকাংশে ভুল প্রমাণ করেছে। পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে, বেলুচ, পাঠান ও সিন্ধিরাও পাঞ্জাবিদের শোষণ ও বঞ্চনার শিকার।

গত ২৫ জুলাই আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছিলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের নিয়মিত অধিবেশনেই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এই নির্বাচনের জন্য আলাদা করে কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু ৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে বলেছে, আগামী ২

বেলুচিস্তানে চলছে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও স্বাধীনতার লড়াই। প্রাকৃতিক সম্পদে পাকিস্তানের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও সেখানকার মানুষ সবচেয়ে গরিব। বেলুচদের ইতিহাস ও সংগ্রাম নিয়ে চরচার এই ধারাবাহিক

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো হবিগঞ্জেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উপায়ে পালিত হতে পারত। কিন্তু সেটা হয়নি। সাভারের পর এটাই দ্বিতীয় অঘটন। হবিগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া, হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও আহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিটি শান্তিকামী মানুষের মতো আমরাও উদ্বিগ্ন।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, তারা কেউ কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি নয়। সংসদে সরকারি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিরোধী দলের সমর্থন ছাড়াই যে কোনো আইন পাস করতে পারবে।

কে নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, সেটাই এখন রাজনৈতিক পরিসরে মুখ্য আলোচনা। সংসদে বিএনপির যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে, তাতে রাষ্ট্রপতি পদে তাদের পছন্দসই প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে বিরোধী দলের কাছে ধরনা দিতে হবে না।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বাড়ছে, এটা নিশ্চয়ই আনন্দের সংবাদ। সেই সঙ্গে সরকার ১২তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশনিংয়ের ব্যবস্থাও করছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষুদ্র একটা অংশ বর্তমানে রেশনিং সুবিধা পেলেও বেশির ভাগই এর বাইরে আছেন।

যে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন, ইরান জয় করে ফেলেছেন, সেই নেতার রাজসিক বিদায়কে তিনি কোনোভাবে মেনে নিতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, ইরানের মানুষ তাকে ঘৃণা করে। আজ খামেনির শেষকৃত্যে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়ে জানিয়ে দিল, কাকে তারা ঘৃণা করে। কাকে ভালোবাসে। অস্ত্র ও শক্তি দিয়ে

জাতীয় সংসদের বাজেট বক্তৃতায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্যকে মোটেই ভালোভাবে নেননি জামায়াতের নেতারা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের কর্মীরা নেতা-মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর মান নিয়ে বিচলিত হতেন। সেই সময়ে নেতা-মন্ত্রী এবং তাদের মান নিয়ে বিচলিত সাগরেদদের কাউকে এখন দেখা যাচ্ছে না। চার মাস বয়সী বিএনপির সরকারকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলাম মাত্র।

সংবিধানে স্থানীয় পর্যায়ে স্বশাসনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় শাসনের দাপটই সর্বত্র। কেন্দ্র থেকেই সব সিদ্ধান্ত যায়, বাস্তবায়নের নির্দেশিকাও দেওয়া হয়। তাহলে স্থানীয় সরকার নামের বস্তুটি থাকার প্রয়োজন আছে কি না, সেই প্রশ্নও আছে।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন, কেবল উপমহাদেশ নয়, বিশ্বে যত যুদ্ধ হানাহানি, বৈষম্য ও শোষণ এর পেছনে আছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা। পুঁজিবাদের নিগড় ভাঙতে দেশে দেশে যত সংগ্রাম হয়েছে, যত আন্দোলন হয়েছে, এখনো হচ্ছে–তিনি এর প্রতিটিকে নিজের আন্দোলন মনে করেন।

যারা সরকারে আসেন, এখনো যারা রাজনৈতিক সরকার, যারা মন্ত্রী হিসেবে আসছেন, তারা কখনো কিন্তু আসলে সেভাবে সরকার পরিচালনা করে আসেননি, প্রস্তুতিও নেননি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেও কাউকে সরকার পরিচালনা করে আসতে হবে, তা না। কিন্তু আমি যেটা মনে করি, নিজ নিজ ক্ষেত্রে তার প্রায় সকলেই সফল ব্যক্তিত্ব

অর্থমন্ত্রী যখন এটাকে ‘রিকভারি ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করেন, তখন তা একটি ‘অনেস্ট কনফেশন’ বলে মনে হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ইভি বা সেমিকন্ডাক্টরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া একটি ইতিবাচক দিক। তবে আমার প্রধান গুরুত্ব থাকবে প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারে। বর্তমান পুরনো কাঠামো এই বড় বাজেটের ভার বহন করতে পারছে না

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের পেছনে অসুস্থতাই যে মূল কারণ নয়, সেটা নানা প্রতিক্রিয়া থেকেও আঁচ করা যায়। এখানে রাজনৈতিক প্রশ্নটিই প্রধান। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ ছাড়াও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়েও সরকারের ভেতরে মতভেদ আছে বলে জানা যায়। রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ানের সমর্থকেরা পদত্যাগপত্র প্রত্যাহা

যে মানুষ বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে ভারতে গেছেন, ভারত সরকার না হয় তাদের দায়িত্ব অস্বীকার করল। কিন্তু যারা ভারতে জন্ম নিয়েছেন, তাদের কোন আইনে তারা ফেরত পাঠাবে?