Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংবিধান সংশোধনের আগে না পরে?

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২: ৫৫
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংবিধান সংশোধনের আগে না পরে?

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় বিএনপির সামনে যে দুটি প্রশ্ন এসেছে, তা হলো পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি কবে হবে এবং কেমন করে হবে? জাতীয় সংসদ সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের যে কমিটি গঠন করেছে, বিরোধী দল তার বিরোধিতা করেছে। তারা মনে করেন, সংবিধান সশোধন নয়, সংস্কার করতে হবে। সরকারি দল আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো নাম দেয়নি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সোৎসাহে ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ ২০২৫ সই হয়, যেখানে সব রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে। আবার কিছু বিষয়ে তাদের ভিন্নমতের কথাও জানায়। সহমত ও ভিন্নমত নিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি মুখোমুখি।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এর আগে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে আশা করা যায়।

কিন্তু সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সমাধান কী করে হবে। জুলাই সনদে কিছু বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো হলে সবাই একমত হয়নি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিএনটির যুক্তি হলো যে বিষয়ে আমরা জুলাই সনদে একমত হয়েছি, সেটা আমরা বাস্তবায়নে দঢ়প্রতিজ্ঞ। কিন্তু যে বিষয়ে একমত হইনি, সেটা বাস্তবায়নে আমরা সায় দিতে পারি না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বিষয়ে বলা হয়: এই নির্বাচন হবে আইনসভার উভয় কক্ষের (নিম্ন ও উচ্চকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে। এ বিষয়ে ২৮টি দল ও জোট একমত হলেও ইসলামী আন্দোলন আপত্তি জানিয়েছে। রাষ্ট্রপাতির ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব ছিল: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) সংশোধনীর প্রস্তাব করে কারও পরামর্শ ও সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত পদে নিয়োগ করতে পারবেন: ১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ২. বাংলাদেশ তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ৩.বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৪. আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৫. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ৬. এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ (এর মধ্যে উল্লিখিত ৫ ও ৬ ক্রমিকে বিএনপি আপত্তি জানিয়েছে)। অর্থাৎ তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের একক কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে দিতে চান না। সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির এ রকম নির্বাহী ক্ষমতা থাকা সমীচীন নয় বলেও কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী এসব দায়িত্ব পেলে যদি স্বৈরাচারী হয়ে যান, রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।

বিএনপির বলেছে, জনগণ তাদের নির্বাচনী ইশততেহার বা কর্মসূচির ভিত্তিতেই জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছে। জনগণের রায়ের বাইরে তারা যেতে পারেন না। বিরোধী দলের বক্তব্য হলো, বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দল আপত্তি জানিয়েছে। সবার আপত্তি আমলে নিলে তো রাষ্ট্রের কোনো সংস্কার হবে না। বিএনপি যে অবস্থান নিয়েছে, তা গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা।

এই যুযুধান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ কি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষকে আলোচনা করে একটি বোঝাপড়ায় আসতে হবে। কোনো পক্ষ অনড় অবস্থান নিয়ে থাকলে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধন কোনোটাই হবে না। এই আলোচনা সংসদের ভেতরে ও বাইরে হতে পারে।

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগunb president

বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা অবশ্য বলেছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে সংসদের বাইরে আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলতে চান। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলে জনমনে হতাশা তৈরি হবে। রাজনীতি উত্তপ্ত হতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন তথা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে বিরোধী দলে রাজপথের আন্দোলনও অব্যাহত রেখেছে।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, তারা কেউ কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি নয়। সংসদে সরকারি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিরোধী দলের সমর্থন ছাড়াই যে কোনো আইন পাস করতে পারবে।

কার্টুন: চরচা।
কার্টুন: চরচা।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কিছুটা সময় নিয়ে করার পেছনে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যসহ জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সেসব প্রস্তাবে বিরোধী দল সায় না দিলে সমস্যা থেকেই যাবে।

দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন? বিষয়টি পুরোপুরি বিএনপি নেতৃত্বের এখতিয়ার। ওই দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে নাম ঠিক হবে। ইতিমধ্যে যাদের নাম আসছে, তারা সবই স্থায়ী কমিটির সদস্য। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মন্ত্রিসভায় নেওয়ায় সাংগঠনিকভাবে দল কিছুটা ঝুঁকিতে পড়েছে। সংবাদমাধ্যমে বিএনপি জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নজরুল ইসলাম খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মইন খানের নাম এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে। এর বাইরে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজউদ্দিন আহমদের কথাও বলছেন কেউ কেউ। বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা এ প্রসঙ্গে বললেন, ‘যে নামগুলো সংবাদমাধ্যমে বেশি বেশি আসছে তার বাইরে থেকেও কাউকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে।’

সোহরাব হাসান: সম্পাদক, চরচা।

বিষয়: বিএনপিরাষ্ট্রপতিনির্বাচনবিরোধী দলসংবিধানআইনমন্ত্রীসংসদঅন্তর্বর্তী সরকার
সর্বশেষ
  • ১

    লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

  • ২

    এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে থানায় নিয়েছে পুলিশ

  • ৩

    সিলেটে প্রতিমা ভাঙচুর, যুবক কারাগারে

  • ৪

    একেকটি ঘটনা একেকটি বেদনার গল্প

  • ৫

    প্রথমবারের মতো তদন্তে এসআরবি

সম্পর্কিত
  • একেকটি ঘটনা একেকটি বেদনার গল্প

    একেকটি ঘটনা একেকটি বেদনার গল্প

    অপ্রতীমের মৃত্যুতে সমস্ত দেশ শোকে স্তব্ধ হলেও আমাদের রাজনীতিকদের চৈতন্ন্যোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। ক্ষমতাসীনেরা সবকিছু ঠিক আছে বলে জনগণকে সান্ত্বনা দেবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের ধরার বাহবাও নিতে চাইবে।

  • চিকিৎসকের দেওয়া টেস্ট রিপোর্ট দেখতেও আবার ফি!

    চিকিৎসকের দেওয়া টেস্ট রিপোর্ট দেখতেও আবার ফি!

    প্রথম পরামর্শে চিকিৎসক নিজেই যদি রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা দেন এবং সেই পরীক্ষার রিপোর্ট না দেখা পর্যন্ত তার ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট দেখা কি নতুন পরামর্শ, নাকি আগের ‘পরামর্শের পরিপূর্ণতা’?

  • ইরানের উত্থান ঠেকানোর উপায় নেই

    ইরানের উত্থান ঠেকানোর উপায় নেই

    চীনের বিপ্লবোত্তর ইতিহাস বিশ্বের জন্য অত্যন্ত শিক্ষাগ্রহণের মতো একটি বিষয়। এটি আমাদের দেখায় কীভাবে একটি বিপ্লবোত্তর রাষ্ট্র নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করে বৈশ্বিক বাণিজ্য, অর্থায়ন ও কূটনীতির মূলধারায় পুনর্বাসিত হতে পারে এবং নিজেদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করতে পারে।

  • শিক্ষা দিবস: ৬৪ বছর পরও কেন বৈষম্যের পাঠ শেষ হলো না?

    শিক্ষা দিবস: ৬৪ বছর পরও কেন বৈষম্যের পাঠ শেষ হলো না?

    ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের তৎকালীন ছাত্রসমাজ রাজপথে নেমেছিল একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে রেখে। সেটি হলো, শিক্ষা কি রাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার, নাকি সামর্থ্যবান মানুষের ক্রয়ক্ষমতার পণ্য? পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক ও শিক্ষা সংকোচনমূলক নীতির বিরুদ্ধে সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মোস্তফা