চরচা ডেস্ক

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি—মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, খুন ও গণহত্যার ঘটনায় তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নীরব থেকে এসব অপরাধের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছেন।
অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশের জনগণের করের অর্থে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলেও সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি।
তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গুম, খুন, কথিত আয়নাঘর, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় তারা কোনো প্রতিবাদ বা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকেন এবং সংবিধানপ্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা কিংবা সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে এসব ক্ষমতা প্রয়োগে তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। অভিযোগকারীদের মতে, দায়িত্ব পালন সম্ভব না হলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপ্রধানরা যাতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, সে লক্ষ্যেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দলটির এক প্রতিনিধি বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত আয়নাঘরসহ বিভিন্ন গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সময় তারা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ‘উচ্চতর দায়’ নামে একটি স্বীকৃত নীতি রয়েছে। এ নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র বা বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তার অধীনস্থদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিকার করতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তারও দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন, সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সংঘটিত ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে এসব ঘটনার দায় থেকে তারা সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি পেতে পারেন না।

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি—মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, খুন ও গণহত্যার ঘটনায় তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নীরব থেকে এসব অপরাধের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছেন।
অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশের জনগণের করের অর্থে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলেও সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি।
তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গুম, খুন, কথিত আয়নাঘর, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় তারা কোনো প্রতিবাদ বা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকেন এবং সংবিধানপ্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা কিংবা সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে এসব ক্ষমতা প্রয়োগে তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। অভিযোগকারীদের মতে, দায়িত্ব পালন সম্ভব না হলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপ্রধানরা যাতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, সে লক্ষ্যেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দলটির এক প্রতিনিধি বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত আয়নাঘরসহ বিভিন্ন গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সময় তারা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ‘উচ্চতর দায়’ নামে একটি স্বীকৃত নীতি রয়েছে। এ নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র বা বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তার অধীনস্থদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিকার করতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তারও দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন, সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সংঘটিত ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে এসব ঘটনার দায় থেকে তারা সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি পেতে পারেন না।

রোববার বোর্দোর মেয়র টমা কাজেনাভ বলেন, “আগুন এখন শহরের প্রধান প্রবেশপথ থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।” একই দিন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো “কঠিন” রয়েছে।