রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাটিতে প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু মামলাটি ভূমি বিষয়ে তাই এসআরবি আইন মোতাবেক আদালত মহাপরিচালককে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে। তাই এই আইনের ১৫(২) ধারা মোতাবেক মহাপরিচালক, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), ইউনিটে কর্মরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার নিম্নে নয়, এমন কোনো সদস্য দিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের অন্তর্ভুক্ত জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনের মালিক ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডা অবস্থান করছেন। তাদের চাচা মিজানুর রহমান বাংলাদেশে থাকা সকল প্রকার স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য সকল প্রকার দায়-দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে আসামি হেমায়েত উদ্দিন সুমন, নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি সেখানে তাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন দখল ও আত্মসাতের চেষ্টায় লিপ্ত আছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আসামি হেমায়েতের নেতৃত্বে ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই জোর করে বাড়িতে অনুপ্রবেশ করেন এবং দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন তাদের বাধা দিলে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে আসামি হেমায়েত বাদী মিজানুরের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে দুই লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।