
স্থল অবরোধ ইরানের খাদ্য, জ্বালানি ও বস্ত্র আমদানি বন্ধ করে দেশটির জনগণের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবরোধ বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং এর ফলে ইরানে বিক্ষোভ বা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

সম্প্রতি ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ায় নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল ১৯। সংস্থাটির দাবি, শুধু জুন মাসেই ১০৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারী।

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি—মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার প্রতিবাদে তেল আবিবে বিক্ষোভে নামলেন ইসরায়েলি মানবাধিকার কর্মীরা। সংঘর্ষে নিহ*ত হয়েছেন ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি সেনাসদস্যরা। এদিকে নতুন বসতি নির্মাণ ত্বরান্বিত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত সকল অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নাদিমা খানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

বাংলাদেশের জন্য এই ছয় বছরের ট্রেন্ড একটি সতর্কবার্তা। ২০২৫-এর তীব্র পতন দেখিয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা না থাকলে শান্তি সূচক দ্রুত খারাপ হয়। অন্যদিকে ২০২৬-এর উন্নতি আশার আলো দেখাচ্ছে যে সঠিক পদক্ষেপে পুনরুদ্ধার সম্ভব।

বাংলাদেশে হাজারো শিশুর জন্য বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়ার মানে হলো আটক হওয়া, পড়াশোনায় বাধা, সমাজের অবহেলা এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্ষতির শিকার হওয়া। অনেক ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই এসব কিছু সহ্য করতে হয় তাদের।

এইচআরএফবি জোর দিয়ে বলে যে, অপরাধ দমন ও মানবাধিকার সুরক্ষা পরস্পরবিরোধী নয় এবং আইনের শাসন ও স্বচ্ছতার মাধ্যমেই উভয় লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

অবহেলার দায়ে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী ওই নারীর সন্তানদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ওই নারীর যে ছেলে যুগ্ম সচিব, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৮০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৮০ জন ভুক্তভোগী ১৮ বছরের নিচে এবং অন্তত ৫৬ জনের বয়স ১২ বছরেরও কম। ২০২৪ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল ৪০১ নারী ও শিশু, যার মধ্যে ১৬৪ জন ছিল শিশু।

ফোরাম বলেছে, একটি আট বছর বয়সী শিশুকে এভাবে হত্যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

আসক জানিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদে শিশুদের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে টিআইবি। খসড়া অনুযায়ী বাছাই কমিটিতে স্পিকার, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারদলীয় এমপি ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব থাকবেন। টিআইবির মতে, এতে কমিশনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি তৈরি হবে।

মোহাম্মদির ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, তার বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সাজা মেয়াদের অবশিষ্ট ১৮ বছর কাটানোর জন্য যেন তাকে আর কখনো কারাগারে ফিরতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৩৭ টি অভিযোগ পেয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, ৬৭ শতাংশ গুমের ঘটনার সাথে র্যাবসহ রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো জড়িত।

ইরানের কারাগারে বন্দী শান্তিতে নোবেল পুরস্কারবিজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কারাগার থেকে সরিয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে শনিবার তার পরিবার পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।

বিবৃতি প্রদানকারী ১৭ জন নাগরিক অবিলম্বে রানী য়েন য়েনের ওপর থেকে এই ‘হয়রানিমূলক’ চিঠি প্রত্যাহার এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা রোধে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

“রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন আমি নিজে কারাগারে এমন অনেককে দেখেছি যারা শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারণে বছরের পর বছর ধরে বিনা বিচারে কারাগারে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন বা হয়েছেন।”

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাক-স্বাধীনতা হরণের এক পৈশাচিক উৎসব চলছে। একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মব আমাদের দেশে আর নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং যত দিন যাচ্ছে, এটি যেন নিত্যকার একটি ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। সেই সাথে চলে আসছে ‘গুড মব’ বা ‘ব্যাড মব’-এর মতো ধারণাও। কখনো কখনো কোনো কোনো মবের প্রতিক্রিয়ায় আবার ‘গুড জব’ বলার প্রবণতাও ফুটে উঠছে দারুণভাবে!