Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
পর্ব ১

বেলুচিস্তানে ‘স্বাধীনতা’র লড়াই ও পাকিস্তান

বেলুচিস্তানে চলছে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও স্বাধীনতার লড়াই। প্রাকৃতিক সম্পদে পাকিস্তানের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও সেখানকার মানুষ সবচেয়ে গরিব। বেলুচদের ইতিহাস ও সংগ্রাম নিয়ে চরচার এই ধারাবাহিক।

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২০: ০৬
বেলুচিস্তানে ‘স্বাধীনতা’র লড়াই ও পাকিস্তান
গণতান্ত্রিক ও সশস্ত্র— দুই পথেই বেলুচদের সংগ্রাম চলছে। ছবি: রয়টার্স

আমরা বেলুচের সন্তান,

Advertisement

মুক্ত ও স্বাধীন,

আমাদের নিজেদের ভাগ্য–নিয়ন্তা

আমাদের ক্রোধে পৃথিবী কম্পিত,

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভয়ে কেঁপে ওঠে প্রাসাদগুলো

আমরা বাঘের মতো নির্ভয় রক্ষক;

আমরা আমাদের পিতৃপুরুষের অনুপ্রেরণা,

আমাদের মা ও বোনদের গর্ব ও সম্মান,

আমাদের ভাইদের শৌর্য

আমাদের রক্ত একদিন,

দেশের প্রয়োজনে বিলিয়ে দেব,

মায়েদের ঘুমপাড়ানি গানের মর্যাদা আমরা রাখব;

আমরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়েছি,

তলোয়ারের ছায়ায়,

চোখের রক্তিম খুন জানান দেয় আমরা শহীদের বংশধর;

আমরা অসহায় ও গরিবের রক্ষক,

আমরা সন্ত্রাসের দুর্গ ধ্বংস করেছি,

চিরতরে শেষ হয়ে গেছে অত্যাচারের দিন।

(অনুবাদ: ইয়াসিন আরাফাত)

বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাকামীদের এই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে। এটাকে তারা বলেন, ‘জাতীয় সংগীত’। কিন্তু এই সংগীত ও বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি বা বিএলএর তৎপরতা প্রমাণ করে না যে সত্যি সত্যি বেলুচিস্তান স্বাধীন হয়েছে। এখনো এটি পাকিস্তান রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরের একটি প্রদেশ। বেলুচিস্তানে স্বাধিকারের আন্দোলন চলে আসছে ১৯৪৮ সাল থেকে।

বেলুচিস্তানে রক্ত ঝরেই চলেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টায় বেলুচিস্তান ও পাকতুন খাওয়ায় ৩২ জন বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে। তাদের ভাষায়, দুষ্কৃতকারী। পাকিস্তান সরকারের দাবি, এরা ভারত সমর্থিত ‘ফিতনা আল খাওয়াজ’ আর ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’-এর সদস্য। জুলাই মাসের শুরুতে বেলুচিস্তানে বিদ্রোহীরা ২৭ জন পুলিশ হত্যা ও অপহরণ করে। এর জবাবে সেনাবাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালায়।

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্ট্যাডিজ (পিআইসিএসএস) বলেছে, গত মে ও জুন মাস ছিল বেলুচিস্তানের জন্য সবচেয়ে সহিংস মাস। জুন মাসে সেখানে ৭১টি হামলার ঘটনা ঘটে। এপ্রিলে ছিল ৩৪টি। মে মাসে সারা দেশে যে ৫৪টি গুমের ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে বেলুচিস্তানেই ৫২টি।

প্রাকৃতিক সম্পদে পাকিস্তানের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও বেলুচিস্তানের মানুষ সবচেয়ে গরিব। ছবি: রয়টার্স
প্রাকৃতিক সম্পদে পাকিস্তানের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও বেলুচিস্তানের মানুষ সবচেয়ে গরিব। ছবি: রয়টার্স

কেন্দ্রীয় সরকার যখন শক্তিপ্রয়োগে বেলুচিস্তানের বিদ্রোহ দমন করতে চাইছে তখন সাংবাদিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা মনে করেন, সেটা সঠিক পথ নয়। গত ২২ জুলাই সাংবাদিক জাহিদ হোসেন পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডন-এ লিখেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে হতাহতের যে সংখ্যা দেওয়া হচ্ছে তা প্রকৃত সংখ্যার অর্ধেকেরও কম। কৌশলগতভাবে পাকিস্তানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রদেশটি দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে আছে এবং পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

আয়তনে বেলুচিস্তান পুরো পাকিস্তানের ৪৪ শতাংশ। লোক সংখ্যা মাত্র দেড় কোটি। বেলুচদের অভিযোগ, বেলুচিস্তান প্রাকৃতিক সম্পদে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে আছে। পাকিস্তানে গড় দারিদ্র্যের হার ২৭ শতাংশ। বেলুচিস্তানে ৪৭ শতাংশ। বেলুচরা মনে করেন, তাদের প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে পাকিস্তানের অন্যান্য প্রদেশে শিল্প কারখানা গড়ে উঠলেও তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। সত্তর দশকে ভুট্টো সরকার বেলুচিস্তানের প্রাকৃতিক গ্যাসে তাদের হিস্যা দেওয়ার বিষয়ে যে চুক্তি করেছিল, সেটাও কার্যকর থাকেনি। ভুট্টো কয়েক মাসের মাথায় বেলুচিস্তানের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেন বিদেশিদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে। বেলুচদের রাজনৈতিক অসন্তোষ তখন থেকেই ঘনীভুত হয়।

গণতান্ত্রিক ও সশস্ত্র— দুই পথেই বেলুচদের সংগ্রাম চলছে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর উপজাতীয় গোষ্ঠীগুলো সেটা না মেনে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। এরই মধ্যে গড়ে ওঠা বেলুচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) তৎপরতা আর উপজাতীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সীমিত নেই। তারা শহুরে শিক্ষিত তরুণদের আকৃষ্ট করতে পেরেছে। এমনকি বহু নারীও এই সংগঠনে যোগ দিয়েছে। বিএলএ গঠনের পটভূমি হলো ২০০৬ সালে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নওয়াব আকবর বুগতির খুন হওয়া। তখন ছিল পারভেজ মোশাররফের সেনা শাসন। গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ করা যাচ্ছিল না। ফলে বুগতির অনুসারীরা অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। গঠন করে বেলুচ লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ। ২০১৮ সালে করাচিতে চীনা কনস্যুলেটে হামলা, ২০২০ সালে করাচি স্টক এক্সচেঞ্জ, ২০২৪ সালে করাচি বিমানবন্দরের কাছে চীনা প্রকৌশলীদের গাড়িতে হামলা ও ২০২৫ সালে জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন ছিনতাইসহ আরও অনেক সশস্ত্র ঘটনার মধ্য দিয়ে তারা পাকিস্তানি ক্ষমতা কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

বিএলএ বহু বছর ধরেই স্বাধীন বেলুচিস্তান প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে। সংগঠনটির বিবৃতি, প্রচারণামূলক ভিডিও ও সামরিক অভিযানের ভাষায় প্রায়ই ‘স্বাধীনতা’, ‘মুক্তি’ এবং ‘দখলদার বাহিনী’—এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়। তাদের এই শব্দ চয়নের সঙ্গে সত্তরের দশকে বাঙালি নেতা শেখ মুজিবের ‘শব্দ চয়ন’ মিলে যায়। তিনিও আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বায়ত্তশাসন, স্বাধীনতা ও মুক্তি প্রভৃতি শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করতেন।

বেলুচিস্তান দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে আছে। ছবি: রয়টার্স
বেলুচিস্তান দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে আছে। ছবি: রয়টার্স

বেলুচ মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, গত দুই দশকে বহু ছাত্র, রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক ও সন্দেহভাজন বিচ্ছিন্নতাবাদীকে নিরাপত্তা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে। অনেকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আবার কারও মরদেহ পরে প্রত্যন্ত এলাকায় পাওয়া গেছে। অর্থাৎ বেলুচিস্তানের যে কোনো আন্দোলন সংগ্রাম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে চাইছে। সেখানে এখন যা ঘটছে, তা কয়েক দশকের রাজনৈতিক বঞ্চনা, সম্পদের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে গভীর অবিশ্বাসের ফল।

বেলুচিস্তান ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা বিএনপি চিন্তাধারায় বামপন্থী। তবে তারা এখনো সশস্ত্র সংগ্রামের পথে যায়নি। এই দলের নেতা ও বেলুচিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আখতার জান মেঙ্গল ২০১২ সালে মুসলিম লিগের নেতা নওয়াজ শরিফের (তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী নন, বিরোধী দলের নেতা) সঙ্গে দেখা করে বেলুচিস্তানের জন্য ছয় দফা দাবিনামা পেশ করেছিলেন। এই ছয় দফায় বেলুচিস্তানে সামরিক অভিযানের অবসান, রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা ও গুম করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের কথা বলা হয়েছিল।

বেলুচিস্তান কি স্বাধীন হচ্ছে?balochistan

বেলুচ মানবাধিকার কর্মী মাহরাং বেলুচের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে; যাতে তিনি তাদের অধিকার আদায়ের ও স্বাধীনতার আন্দোলনে বাঙালি নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের উদাহরণ টেনে এনেছেন। তিনি সরাসরি শেখ মুজিবের পথ অনুসরণ করার এবং পাকিস্তানের শাসন থেকে মুক্তির ডাক দিয়েছেন।

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে মেঙ্গল বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পর কারাগারে। কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডনে যান। পাকিস্তানের নেতাদের জন্য গদি ও জেলখানার দূরত্ব খুবই সামান্য। খুব কম নেতাই আছেন, যারা ক্ষমতা হারানোর পর জেলে যাননি। মেঙ্গল লন্ডন থেকে ফিরে এসে আবার বেলুচদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেন।

ইতিমধ্যে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিস্ফোরন্মুখ হয়েছে। কয়েক বছর আগে লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরে আখতার জান মেঙ্গল সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে ছয় দফা দাবি তুলে বলেন, এটাই বেলুচিস্তানে শান্তি আনার একমাত্র পথ। নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি আরও বলেছিলেন, এই ছয় দফা কোনোভাবেই বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফার সঙ্গে ভিন্ন ভাবা ঠিক হবে না। ছয় দফা বাস্তবায়ন না হলে বেলুচিস্তানের জনগণের পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা সম্ভব হবে না। (চলবে)

বিষয়: পাকিস্তানহত্যাস্বাধীনতাবিদ্রোহীসংগ্রামজাতীয় সংগীতঅপহরণবেলুচিস্তান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    নামে হিটলার-মুসোলিনি, আদর্শে বামপন্থী, জিতে গেছেন নির্বাচনে

  • ২

    জনশক্তি রপ্তানির গণ্ডি ছাড়িয়ে ঢাকা-রিয়াদকে বৃহত্তর কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়তে হবে

  • ৩

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

  • ৪

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে করা প্রশ্নগুলোর ইন্টেনশন ঠিক নাই’

  • ৫

    ‘এনজিও সরকার ২ বছরের শাসনে দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেল’

সম্পর্কিত
  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

  • সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

  • ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।

  • আকাশ যাদের জন্য ছোট হয়ে আসছে

    আকাশ যাদের জন্য ছোট হয়ে আসছে

    শেষ বিচারে কোনো সম্প্রদায় দেয়াল তুলে টিকে থাকতে পারে না। লায়লা খালেদ একসময় আরব বিশ্বে নায়িকা ছিলেন, আজ বিশ্বের কোনো বিমানবন্দর তার নাম শুনলে সতর্ক হয়ে যায়।