
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের অন্যতম বড় এই ক্রীড়া আসরের সূচনা করবেন।

নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক যুগ পেরিয়েছে। তার এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই প্রথম নির্ভীক কণ্ঠে, ক্যামেরার সামনে কোনো ভারতীয়কে বলতে শোনা গেছে, ‘মোদিকে পদত্যাগ করতেই হবে’।

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ৩৬ দিনব্যাপী আন্দোলন করে সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর গত ২৫ জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহার করে সংগঠনটি। দুই দিন না যেতেই আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি কেন দিল সিজেপি?

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিট পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র প্রায় ৬ শতাংশ চিকিৎসা কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। সন্তানকে চিকিৎসক বানানোর আশায় বহু পরিবার বছরের পর বছর সঞ্চয় ব্যয় করে কিংবা ঋণ নিয়ে কোচিং, আবাসন ও পড়াশোনার খরচ বহন করে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের মূল অপরাধ বা ব্যর্থতা এটি ছিল না যে, তিনি সরকারের নির্দেশমতো কাজ করতে পারেননি। বরং বাস্তবতা হলো তিনি প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া অনুযায়ী সবকিছুই নিখুঁতভাবে ডেলিভারি করেছিলেন। আর তা হলো ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সম্পূর্ণ ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টির উল্লাস

তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও আন্দোলন থামছে না উল্লেখ করে ভারতের শিক্ষার্থীদের কাছে নরেন্দ্র মোদিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং বিক্ষোভ চলাকালীন ছাত্রদের ওপর হওয়া পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও আন্দোলন প্রত্যাহার করছে না ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত এই যুব সংগঠনটি নতুন করে তাদের হালনাগাদ দাবিনামা প্রকাশ করে স্পষ্ট জানিয়েছে— শিক্ষামন্ত্রী প্রধানের পদত্যাগ তাদের আন্দোলনকে থামাবে না; বাকি তিন দাবি

তরুণদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে এই খবর জানান ধর্মেন্দ্র প্রধান।
২০২৪ ও ২০২৬, মাঝে দুই বছরের ব্যবধান। বাংলাদেশের পর, ভারতেও হচ্ছে জেন-জি আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

নিট প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি যখন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আবারও অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে, ঠিক একই দিনে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তার বিষয়টি সামনে এলো।

তবে এই পদক্ষেপ কতটা ফলপ্রসূ হবে তা বলা কঠিন। প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার হাসপাতালে স্থানান্তর ছাড়া ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে মূলত নীরবতা বজায় রেখেছে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এ আন্দোলন বিরোধী দলগুলোকেও মোদি ও বিজেপির ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে। কারণ তরুণ ভোটাররা বিজেপির অন্যতম প্রধান সমর্থকগোষ্ঠী এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরও দলটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে জয় পেয়েছে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন।

৫৭ বছর বয়সী ধর্মেন্দ্র প্রধান ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দলটির উদীয়মান মুখ হিসেবে পরিচিত। অতীতে তাকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি করার সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছিল।

ট্রলিং বা সমালোচনা করে সরকারকে তার দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনশনরত লাদাখের শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবাদী সোনম ওয়াংচুককে আজ শনিবার সকালে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে দিল্লি পুলিশ। তাঁকে সফদরজঙ্গ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শনিবার ছিল তাঁর অনশনের ২১তম দিন।
‘শিক্ষামন্ত্রী চেষ্টা করছেন শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে এইচ এস সি পরীক্ষার্থীরা। সড়ক অবরোধ লং মার্চের মতো কর্মসূচীও পালন করছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে নানা মত আছে সাধারণ মানুষের। কেউ কেউ শিক্ষার্থীদের কয়েকটি দাবির সাথে একমত হলেও পরবর্তীতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দ্বিমত অনেকে।