চরচা ডেস্ক

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুতবিচার আদালতে।”
মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুতবিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”
নরেন্দ্র মোদি আরও লিখেছেন, “যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুতবিচার আদালতে।”
মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুতবিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”
নরেন্দ্র মোদি আরও লিখেছেন, “যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন।