চরচা ডেস্ক

নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ শুক্রবার সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়, এই মুহূর্তে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করাটা হবে সবচেয়ে সহজ পথ এবং তা দায়িত্ব এড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ারই নামান্তর।
সরকারের এই সিদ্ধান্তটি অনলাইন স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মকভিত্তিক আন্দোলন কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জন্য এক বড় ধাক্কা। উল্লেখ্য, নীট প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে মাসব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে সংগঠনটি।
সরকার কোনো লোকদেখানো পদক্ষেপে না গিয়ে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার (এনটিএ) অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। এই পরীক্ষা পরিচালনা পর্ষদের নানা ত্রুটি-বিচ্যুতির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই সংশোধনমূলক পদক্ষেপগুলো কার্যকর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান কঠোর অবস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করে সূত্রটি জানায়, পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নফাঁসে জড়িত একাধিক গ্যাংকে ইতোমধ্যেই ধরা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিট প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি যখন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আবারও অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে, ঠিক একই দিনে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তার বিষয়টি সামনে এলো।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। ভিডিও বার্তায় মোদি বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর নতুন আইন আনা হচ্ছে। এ আইনের একটি খসড়া তিনি ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছেন। আজ শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটি নিয়ে আলোচনা হবে।

নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ শুক্রবার সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়, এই মুহূর্তে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করাটা হবে সবচেয়ে সহজ পথ এবং তা দায়িত্ব এড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ারই নামান্তর।
সরকারের এই সিদ্ধান্তটি অনলাইন স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মকভিত্তিক আন্দোলন কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জন্য এক বড় ধাক্কা। উল্লেখ্য, নীট প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে মাসব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে সংগঠনটি।
সরকার কোনো লোকদেখানো পদক্ষেপে না গিয়ে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার (এনটিএ) অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। এই পরীক্ষা পরিচালনা পর্ষদের নানা ত্রুটি-বিচ্যুতির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই সংশোধনমূলক পদক্ষেপগুলো কার্যকর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান কঠোর অবস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করে সূত্রটি জানায়, পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নফাঁসে জড়িত একাধিক গ্যাংকে ইতোমধ্যেই ধরা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিট প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি যখন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আবারও অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে, ঠিক একই দিনে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তার বিষয়টি সামনে এলো।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। ভিডিও বার্তায় মোদি বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর নতুন আইন আনা হচ্ছে। এ আইনের একটি খসড়া তিনি ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছেন। আজ শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটি নিয়ে আলোচনা হবে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “আপনারা জানেন, যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়ে ছি, সেদিনই আমি ভারপ্রাপ্ত রঅষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি, যদি প্রয়োজন হয়। ঠিক একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথ নেন। সেখানে বলা থাকে, কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন