ককরোচ জনতা পার্টি

ফের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি সিজেপির
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ৩৬ দিনব্যাপী আন্দোলন করে সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর গত ২৫ জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহার করে সংগঠনটি। দুই দিন না যেতেই আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি কেন দিল সিজেপি?

তেলাপোকারা অনুগত প্রজা না, সাহসী নাগরিক
ধর্মেন্দ্র প্রধানের মূল অপরাধ বা ব্যর্থতা এটি ছিল না যে, তিনি সরকারের নির্দেশমতো কাজ করতে পারেননি। বরং বাস্তবতা হলো তিনি প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া অনুযায়ী সবকিছুই নিখুঁতভাবে ডেলিভারি করেছিলেন। আর তা হলো ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সম্পূর্ণ ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ

ককরোচ পার্টির নেতারা কি ক্ষমতায় যেতে চায়?
সিজেপি এখনই পূর্ণকালীন রাজনীতিতে নামার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তরুণদের নেতৃত্বে তৃণমূল আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই তাদের অগ্রাধিকার।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ পার্টির স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’
ভারতের জাতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সদস্যরা দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছিলেন।

তরুণের বিদ্রোহ, আধুনিক কর্তৃত্ববাদ ও গণতন্ত্র রক্ষার শেষ প্রতিরোধ
শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে কোনো নেতা, দল বা নির্বাচন কমিশন একা নয়; তাকে বাঁচিয়ে রাখে প্রশ্ন করতে পারা সাহসী মানুষ। আর রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত শুরু হয় তখনই, যখন সে মানুষের প্রশ্নকে ভয় পেতে শেখে।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টির উল্লাস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টির উল্লাস

ভারত: তরুণরা বললে রাজনীতিকদের শুনতে হবে
গত ২০ জুলাই নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে ঘটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে চিহ্নিত করা গেছে। নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট ও তলস্তয় মার্গ ক্রসিং থেকে শুরু করে কনট প্লেস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় তরুণ ভারতীয়রা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বগ্রাসী দুর্নীতি ও অবক্ষয়ে

ভারতে প্রশ্নফাঁস থেকে রাষ্ট্রের সংকট: বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের আরেক অধ্যায়?
প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ঘিরে ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলন এক গভীর প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। প্রথমে এটি ছিল পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতার দাবি; কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তা রাষ্ট্রের জবাবদিহি, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীকে বিদায়ই মোদির রক্ষার একমাত্র পথ
২০২৪ ও ২০২৬, মাঝে দুই বছরের ব্যবধান। বাংলাদেশের পর, ভারতেও হচ্ছে জেন-জি আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর ‘ককরোচ’ দ্বিধা
কিন্তু ঠিক এই জায়গাতেই বর্তমানের তরুণদের আন্দোলন বিজেপির সামনে এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জ এবং বিরোধী দলগুলোর জন্য এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে। কারণ সিজেপির ব্যানারে সমবেত হওয়া এই প্রতিবাদী তরুণেরা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে না।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করল মোদি সরকার
নিট প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি যখন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আবারও অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে, ঠিক একই দিনে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তার বিষয়টি সামনে এলো।

ভারত কি বাংলাদেশের পথেই হাঁটছে?
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি নীরব কিন্তু গভীর পরিবর্তন ঘটছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে কোনো রাজনৈতিক দল নেই, নেই কোনো ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বা দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব।

ভারতের গণতন্ত্র কি এক নতুন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে?
ইতিহাসের এক নির্মম সত্য হলো–গণতন্ত্র খুব কম ক্ষেত্রেই একদিনে ধ্বংস হয়। অধিকাংশ সময় এটি ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নির্বাচন থাকে, সংসদও থাকে, আদালতও কাজ করে, সংবাদমাধ্যমও পুরোপুরি বন্ধ হয় না; কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ক্রমশ সংকুচিত হয়, রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রিভূত হতে থাকে এবং ভিন্নমতকে ধীরে

মোদি সরকারের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক
ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে চলা আন্দোলনের সমর্থনে টানা ২৬ দিন অনশন করার পর অবশেষে তা ভঙ্গ করেছেন ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। খবর বিবিসি বাংলার।

ভারতে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসকে ঘিরে কেন ‘ককরোচ’ আন্দোলন?
এ আন্দোলন বিরোধী দলগুলোকেও মোদি ও বিজেপির ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে। কারণ তরুণ ভোটাররা বিজেপির অন্যতম প্রধান সমর্থকগোষ্ঠী এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরও দলটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে জয় পেয়েছে।


