চরচা ডেস্ক

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না– আন্দোলন থামানোর আগে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি মানা হচ্ছে না জানিয়ে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আবারও আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ৩৬ দিনব্যাপী আন্দোলন করে সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর গত ২৫ জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহার করে সংগঠনটি।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার ব্যাপারে যে সমঝোতা ছিল, সেটা মোটেই মানা হয়নি। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পরও বিহার ও বাংলায় শত শত শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা হয়েছে এবং দিল্লিতেও অনেককে হেনস্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্কা।
বেশ কিছু প্রতিবেদন তুলে ধরে রাঙ্কা পোস্টে দাবি করেছেন, দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো, বিজেপির শাসনাধীন রাজ্যগুলোর পুলিশের সঙ্গে তৈরি হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর ‘কালক্ষেপণ না করেই তুলে নিতে হবে, শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে হবে এবং ভবিষ্যতেও কোনো এফআইআর ইস্যু করা যাবে না।’
এসব দাবি মানা না হলে সিজেপি আবার আন্দোলনে নামবে বলে জানিয়েছেন রাঙ্কা।
সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাসও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটা বিবৃতি দিয়েছেন। সিজেপি প্রথম দিন থেকেই আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য সব রকমের আইনি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে সৌরভ বিবৃতিতে দাবি করেছেন, ভারতের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও যেন শিগগিরই দেশজুড়ে আটককৃত সব আন্দোলনকারীদের ছেড়ে দেওয়ার সমঝোতাকে কোনো কালক্ষেপণ না করেই সম্মান করে।
সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলবে– এই ‘সরল বিশ্বাসে’ই সিজেপি আন্দোলন থামিয়েছে জানিয়ে সৌরভ দাস তরুণ আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে জানিয়েছেন, সিজেপি পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না– আন্দোলন থামানোর আগে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি মানা হচ্ছে না জানিয়ে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আবারও আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ৩৬ দিনব্যাপী আন্দোলন করে সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর গত ২৫ জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহার করে সংগঠনটি।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার ব্যাপারে যে সমঝোতা ছিল, সেটা মোটেই মানা হয়নি। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পরও বিহার ও বাংলায় শত শত শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা হয়েছে এবং দিল্লিতেও অনেককে হেনস্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্কা।
বেশ কিছু প্রতিবেদন তুলে ধরে রাঙ্কা পোস্টে দাবি করেছেন, দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো, বিজেপির শাসনাধীন রাজ্যগুলোর পুলিশের সঙ্গে তৈরি হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর ‘কালক্ষেপণ না করেই তুলে নিতে হবে, শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে হবে এবং ভবিষ্যতেও কোনো এফআইআর ইস্যু করা যাবে না।’
এসব দাবি মানা না হলে সিজেপি আবার আন্দোলনে নামবে বলে জানিয়েছেন রাঙ্কা।
সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাসও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটা বিবৃতি দিয়েছেন। সিজেপি প্রথম দিন থেকেই আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য সব রকমের আইনি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে সৌরভ বিবৃতিতে দাবি করেছেন, ভারতের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও যেন শিগগিরই দেশজুড়ে আটককৃত সব আন্দোলনকারীদের ছেড়ে দেওয়ার সমঝোতাকে কোনো কালক্ষেপণ না করেই সম্মান করে।
সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলবে– এই ‘সরল বিশ্বাসে’ই সিজেপি আন্দোলন থামিয়েছে জানিয়ে সৌরভ দাস তরুণ আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে জানিয়েছেন, সিজেপি পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযানের ঘটনায় একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান বার্তা সম্পাদক ফারজানা রূপা ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করায় উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।