মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় পদত্যাগের দাবি ওঠার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, আন্দোলনরত তরুণদের উদ্বেগ দূর করা এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শিক্ষার্থীদের কয়েক দিনের ব্যাপক বিক্ষোভের পর স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান লেখেন, “আমাদের সরকার সংসদে নিট নিয়ে আলোচনা এবং তরুণদের প্রতিটি যৌক্তিক উদ্বেগের সমাধানে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
রাহুল গান্ধীর আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “ভারতের শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার চেয়ে অনেক ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।”
৫৭ বছর বয়সী ধর্মেন্দ্র প্রধান ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দলটির উদীয়মান মুখ হিসেবে পরিচিত। অতীতে তাকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি করার সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছিল।
২০১৪ সালে মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, ইস্পাত, দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে ২০২১ সালে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তার বাবাও বিজেপির প্রবীণ নেতা ছিলেন এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে মোদি বা বিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দলটির কাছে তার রাজনৈতিক গুরুত্বেরই ইঙ্গিত বহন করে।