চরচা ডেস্ক

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের জন্য ‘দ্রুত বিচার আদালত’ (ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট) গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কয়েক দিন ধরে চলা তরুণদের বিক্ষোভের পর আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া। তবে বিক্ষোভকারীরা এবং বিরোধী দলগুলো এই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এদিকে বিরোধী দলের সদস্যরা টানা চতুর্থ দিনের মতো সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটান। গতকাল বুধবার রাতে নয়াদিল্লির রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ঘোষণায় সন্তুষ্ট নয় সিজেপি ও রাহুল গান্ধী
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে গত মাসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে পরিচিত আন্দোলনকারী গোষ্ঠী বিক্ষোভ শুরু করে। তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনাও জড়িত।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, প্রশ্নফাঁসের পর আদালত কী করবে, সেটি সমস্যার একটি মাত্র দিক।
তিনি বলেন, “কিন্তু মোদিজি, আগে বলুন তো এই দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে কেন? নানা বিষয়ে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট হয়েছে, কিন্তু সেগুলো আদৌ সমস্যার সমাধান করেছে কি না—এর উত্তর আপনি যেমন জানেন, আমরাও জানি।”
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন স্বয়ং মোদিই।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদ (লোকসভা) ভবনের বাইরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও স্লোগান দেন। পরে তারা অধিবেশনেও বিক্ষোভ দেখালে উভয় কক্ষের কার্যক্রম বারবার স্থগিত করতে হয়।
অন্যদিকে মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং তাদের মিত্র দলের সংসদ সদস্যরা পাল্টা বিক্ষোভ করে প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনা দাবি করেন।
সরকারের মন্ত্রীরা অভিযোগ করেন, বিরোধীরা আন্তরিক নয়; কারণ তারা এ বিষয়ে সংসদীয় বিতর্কে অংশ নিতে রাজি হচ্ছে না।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তরুণদের পক্ষ থেকে এটিই মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে চলতি সপ্তাহে শুরু হওয়া সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন বারবার অচল করে দিয়েছে। মোদির তৃতীয় মেয়াদে এটিই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের জন্য ‘দ্রুত বিচার আদালত’ (ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট) গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কয়েক দিন ধরে চলা তরুণদের বিক্ষোভের পর আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া। তবে বিক্ষোভকারীরা এবং বিরোধী দলগুলো এই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এদিকে বিরোধী দলের সদস্যরা টানা চতুর্থ দিনের মতো সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটান। গতকাল বুধবার রাতে নয়াদিল্লির রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ঘোষণায় সন্তুষ্ট নয় সিজেপি ও রাহুল গান্ধী
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে গত মাসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে পরিচিত আন্দোলনকারী গোষ্ঠী বিক্ষোভ শুরু করে। তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনাও জড়িত।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, প্রশ্নফাঁসের পর আদালত কী করবে, সেটি সমস্যার একটি মাত্র দিক।
তিনি বলেন, “কিন্তু মোদিজি, আগে বলুন তো এই দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে কেন? নানা বিষয়ে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট হয়েছে, কিন্তু সেগুলো আদৌ সমস্যার সমাধান করেছে কি না—এর উত্তর আপনি যেমন জানেন, আমরাও জানি।”
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন স্বয়ং মোদিই।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদ (লোকসভা) ভবনের বাইরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও স্লোগান দেন। পরে তারা অধিবেশনেও বিক্ষোভ দেখালে উভয় কক্ষের কার্যক্রম বারবার স্থগিত করতে হয়।
অন্যদিকে মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং তাদের মিত্র দলের সংসদ সদস্যরা পাল্টা বিক্ষোভ করে প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনা দাবি করেন।
সরকারের মন্ত্রীরা অভিযোগ করেন, বিরোধীরা আন্তরিক নয়; কারণ তারা এ বিষয়ে সংসদীয় বিতর্কে অংশ নিতে রাজি হচ্ছে না।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তরুণদের পক্ষ থেকে এটিই মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে চলতি সপ্তাহে শুরু হওয়া সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন বারবার অচল করে দিয়েছে। মোদির তৃতীয় মেয়াদে এটিই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে।