
পাস করতে পারেনি ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ শিক্ষার্থী
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলো ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। কমেছে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।
আজ সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তাদের মধ্যে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ৬৬৯টি এবং শতভাগ ফেল করেছে এমন প্রতিষ্ঠান ৩১২টি।
২০২৫ সালে শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি এবং শতভাগ ফেলের প্রতিষ্ঠান ছিল ১৩৪টি। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান কমেছে এবং শতভাগ ফেল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে। গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
চলতি বছর পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। সেই হিসেবে এবার জিপিএ-৫ কমেছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলো ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবারের পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে, তবে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড) গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পাসের হার ৬২.২৫। পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এ বছর সব বোর্ডের ফলে ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ।