
বিএনপি সরকারের ৬ মাসে পররাষ্ট্রনীতিতে দুর্বলতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বর্তমান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। আজ মঙ্গলবার বিকেলে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ মন্তব্য করেন।

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণ করেছে যমুনা ব্যাংক পিএলসি।

মোস্তফার দীর্ঘ পেশাগত জীবনে মূল ব্যাংকিং আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, পেমেন্ট সিস্টেম, এআইভিত্তিক সমাধান এবং এন্টারপ্রাইজ অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি বৃহৎ রূপান্তরের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

স্থল অবরোধ ইরানের খাদ্য, জ্বালানি ও বস্ত্র আমদানি বন্ধ করে দেশটির জনগণের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবরোধ বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং এর ফলে ইরানে বিক্ষোভ বা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

ভিসা ইসলামিক সিগনেচার ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি। গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কার্ড চালু করা হয়।

বিনিয়োগ কমে যাওয়া, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোর অতি সতর্ক অবস্থানের কারণে দেশের ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়েই চলেছে। জুন মাস শেষে মোট উদ্বৃত্ত তারল্য প্রথমবারের মতো চার লাখ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ, ব্যাংকে বিশাল অঙ্কের টাকা অলস পড়ে আছে।

এনআরবি ব্যাংক পিএলসি. গত ৪ আগস্ট সফলতার সঙ্গে কার্যক্রমের ১৩তম বছর পূর্ণ করেছে। গত বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে কেক কেটে ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নাম। সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী কিংবা বেসিক ব্যাংক- এদের বিস্তার দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ পুনর্গঠন থেকে শুরু করে প্রান্তিক মানুষের হাতে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে

গত এক দশকে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এই সময়ে দুটি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং বর্তমানে দেশের হাল বিএনপির হাতে। আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংকঋণে রেকর্ড গড়েছিল। আর গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের দেখানো পথেই হাঁটে ইউনূস সরকার।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে বহুল আলোচিত ব্যাংক রেজুলেশন আইন আবারও সংশোধনের পথে। সম্প্রতি ব্যাংক রেজুলেশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই সংশোধনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা পুরোপুরি বাতিল করা। সরকার বলছে, ধারাটি কার্যকর করার মতো কোনো আবেদ

দৈনন্দিন জরুরি কেনাকাটা, মোবাইল রিচার্জ কিংবা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল পরিশোধ সহজ করতে স্বল্প পরিসরে ডিজিটাল ঋণসেবা চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রস্তাবিত এ কাঠামোর আওতায় এমএফএস বা মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম (বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি) ব্যবহার করে গ্রাহক ৫০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ

দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ, অতিরিক্ত সুদহার, আমদানিতে কড়াকড়ি এবং ডলার সংকটের প্রভাবে এই খাতে ঋণের গতি কমে গেছে। অন্যদিকে, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং অভ্যন্তরীণ আয় কমে যাওয়ায় পরিচালনা ব্যয় মেটাতে ব্যাংক খাতের ওপর সরকারের নির্ভরতা বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর একীভূত হওয়া পাঁচ প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) থেকে প্রশাসক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকটির সার্বিক কার্যক্রম এখন থেকে নতুন গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। গতকাল বৃহস্প

ভুয়া ও জাল শেয়ার জামানত রেখে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় মোট ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে পৃথক তিনটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে দণ্ডপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে এই মাসের শেষের দিকেই ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১২ থেকে ১৩টি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পগোষ্ঠী এসব ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত বা সরকারি ব্যাংকগুলোকে শক্তিশালী ভাবা হয়। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং নীতিমালা অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আর্থিক শক্তির বিচারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশের একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালীসহ আরও কয়েকটি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে জারি করা এক সার্কুলারে ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ সুদহার ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ২৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্রাঞ্চেস ডিভিশনের প্রধান মো. অলিউল্লাহ, নয়াবাজার শাখা প্রধান মো.জিল্লুর রহমান, ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার প্রধান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।