Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> ভাবনা
৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

কোসিগিন বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করে সংকট ডেকে আনা হয়েছে’

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ৪১
কোসিগিন বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করে সংকট ডেকে আনা হয়েছে’

ডিসেম্বরের ৩ তারিখ পাকিস্তান ভারতে আক্রমণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। পাকিস্তানের আক্রমনের জবাবে ভারতীয় নৌবাহিনীর হামলায় পাকিস্তানি ডেস্ট্রয়ার ‘বাইসার’ ও ‘শাহজাহান’ করাচির কাছে ধবংস হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও ভারতীয় বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ কমান্ড গঠন করে এর নাম দেওয়া হয় মিত্রবাহিনী।

Advertisement

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আত্মসমর্পণই তাদের লক্ষ্য।

৩ তারিখ পর্যন্ত মুক্তিবাহিনী উত্তরে (রংপুর-দিনাজপুর) তেঁতুলিয়া, হাকিমপুর, নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী; উত্তর-পূর্বে (সিলেট-মৌলভীবাজার) কমলগঞ্জ, ধর্মপাশা, শমশেরনগর; দক্ষিণ-পশ্চিমে (যশোর-খুলনা) বেনাপোল সংলগ্ন এলাকা এবং পূর্বে (কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সীমান্ত সংলগ্ন কসবা, চৌদ্দগ্রামের অংশবিশেষ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করেছিল ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ইন্দিরা গান্ধী যেদিন বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের যুদ্ধ ভারতেরও যুদ্ধ’national monument-chaarcha

৪ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর তীব্র আক্রমণে শত্রুমুক্ত হয় কুমিল্লার দেবীদ্বার, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা, জীবননগর, জামালপুরের বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর, শেরপুরের ঝিনাইগাতি, ঠাকুরগাঁও, হাতীবান্ধা, ডিমলা, দেবীগঞ্জ, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা এবং নাটোরের চণ্ডীপুর।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম সংসদের উচ্চ ও নিম্নকক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) বিশেষ অধিবেশনে জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে একযোগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করছে। তারা বাংলাদেশের সাতটি অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। তারা শত্রুর প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় বড় ফাটল ধরিয়েছে। কয়েকটি শহরের পতন হয়েছে।

শুরু হলো বিজয়ের মাসnational monument

এদিকে, ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকতে ৪ ডিসেম্বর উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, ইতালি, জাপান, আর্জেন্টিনাসহ মোট আটটি দেশ জরুরি বৈঠক ডাকার জন্য অনুরোধ জানিয়ে পরিষদের সভাপতি সিয়েরা লিওনের রাষ্ট্রদূত ইসমাইল টেলর কামারার হাতে চিঠি দেয়।

চিঠিতে স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, ইতালি, জাপান, আর্জেন্টিনা, নিকারাগুয়া ও সোমালিয়া।

জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট এক প্রতিবেদনে নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ভারত-পাকিস্তানের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্স কোসিগিন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পূর্ববঙ্গে গণতন্ত্রকে হত্যা করেই এ সংকট ডেকে আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন এ যুদ্ধে এখনই হস্তক্ষেপ করার কোনো সম্ভাবনা আছে বলে মনে করে না সোভিয়েত ইউনিয়ন।

অন্যদিকে চীন, ভারতের বিরুদ্ধে সম্প্রসারণশীল মনোভাবের অভিযোগ আনে। ভারতকে সমর্থন জানানোয় সোভিয়েত ইউনিয়নের সমালোচনা করে পাকিস্তানের প্রতি তারা পূর্ণ সমর্থন জানায়।

তথ্যসূত্র:

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, এইচ. টি. ইমাম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র

মুক্তিযুদ্ধ ই আর্কাইভ

একাত্তরের দিনপঞ্জি, সাজ্জাদ শরিফ ও রাশেদুর রহমান

বিষয়: পাকিস্তানসোভিয়েত ইউনিয়নজাতিসংঘমুক্তিযুদ্ধচীনভারতনিরাপত্তা পরিষদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    স্থানান্তরিত করা হলো এবি ব্যাংকের অষ্টগ্রাম শাখা

  • ২

    শ্রমিক অসন্তোষে দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

  • ৩

    জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভে সহিংসতা-লুটপাট, নেপথ্যে কী?

  • ৪

    যুক্তরাষ্ট্রে চ্যালেঞ্জের মুখে প্রচলিত সাংবাদিকতা

  • ৫

    পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • ভোটার তালিকা: ভারতের বিরোধীরা কি দ্বিচারিতায় ভুগছে?

    ভোটার তালিকা: ভারতের বিরোধীরা কি দ্বিচারিতায় ভুগছে?

    মুসলিম সম্প্রদায়ের বাইরেও অন্যান্য ভোটাররা যে এখন ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছেন, তা সুরক্ষাকবচের দাবিকে আরও জোরালো করে তোলে। কিন্তু এই সুরক্ষাকবচ আসলে কাদের রক্ষা করার জন্য?

  • রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    মানবাধিকার সংগঠন এমএসএফের (মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন) অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি পরস্পরবিরোধী চিত্র তুলে ধরেছে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনে আহতের ঘটনা শূন্যে নেমেছে, কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে।

  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্