Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৯ অক্টোবর, ২০২৬
২৯ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৯ অক্টোবর, ২০২৬
২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে যেভাবে এগিয়ে নেতানিয়াহু

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩: ০৯
সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে যেভাবে এগিয়ে নেতানিয়াহু
লিকুদ পার্টির নেতা ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জেরুজালেমে পার্টির নির্বাচনী সদর দপ্তরে দেশটির জাতীয় নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর বক্তব্য দেন। ২৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের নির্বাচনে ভোট গণনার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এগিয়ে গেছেন। তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোয় আরেক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার জন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে জোট গঠনের পথ খুঁজতে হবে।

Advertisement

মঙ্গলবারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার উপস্থিতি এবং বুধবার প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ইসরায়েলের তিনটি প্রধান সম্প্রচারমাধ্যমের পূর্বাভাসে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থী, উগ্র ডানপন্থী ও অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোর জোট পার্লামেন্টে ৫৩টি আসন পেতে পারে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এগিয়ে রয়েছে ৪৮টি আসন নিয়ে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

৬১টি আসন পেলে নেসেট বা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা সম্ভব। তবে দুই পক্ষের কেউই সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি। অন্যদিকে, ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নেতানিয়াহুর সাবেক উপদেষ্টা আভিভ বুশিনস্কি বলেন, “হয়তো কথাটি বলা বা বিষয়টি উপলব্ধি করা কঠিন, কিন্তু তিনিই বিজয়ী।” নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনকে তিনি ‘পুনরুত্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

বুশিনস্কির মতে, এই নির্বাচনের পরিহাস হলো, যে নির্বাচনে নেতানিয়াহু সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি, সেটিই হয়তো তার রাজনৈতিক আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা এবং এর জেরে সৃষ্ট রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও নেতানিয়াহু অপ্রত্যাশিতভাবে ইসরায়েলের ইহুদি ভোটারদের বড় অংশের সমর্থন পেয়েছেন। ফলে তিনি এখন সবচেয়ে বড় সংসদীয় জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন।

আঞ্চলিক বিশ্লেষক ও ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোভিচের মতে, নেতানিয়াহুর সাফল্য জয়ী হওয়ার চেয়ে টিকে থাকার মধ্যেই বেশি।

নেতানিয়াহুর জোট আসন হারিয়েছে এবং এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পায়নি। তবে আইজেনকোটের শিবিরও আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে পায়নি।

সিত্রিনোভিচ বলেন, “না হেরেই তিনি জিতেছেন। তিনি টিকে থাকতে পেরেছেন।”

লিকুদ পার্টির নেতা ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতীয় নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে পার্টির নির্বাচনী সদর দপ্তরে বক্তব্য দেওয়ার সময় তার স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। ২৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
লিকুদ পার্টির নেতা ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতীয় নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে পার্টির নির্বাচনী সদর দপ্তরে বক্তব্য দেওয়ার সময় তার স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। ২৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

আরব ইসরায়েলিদের অগ্রগতি

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট কাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, সেই সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সুবিধা রয়েছে এবং জোট সরকার গঠনের সুযোগও খোলা আছে।

ইসরায়েলের নির্বাচন: ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কী ঘটে?A drone view of an election campaign display for Israeli PM Benjamin Netanyahu's Likud party, in Tel Aviv, October 26, 2026. REUTERS

নির্বাচনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে ইসরায়েলের আরব ভোটারদের কাছ থেকে। তাদের নজিরবিহীন ভোটার উপস্থিতির কারণে পরবর্তী সরকার গঠনের সমীকরণে আরব দলগুলো নির্ণায়ক প্রভাব অর্জন করতে পারে।

বংশপরিচয়ে ফিলিস্তিনি হলেও নাগরিকত্বে ইসরায়েলি—দেশটির মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ আরব ইসরায়েলি। এখন প্রতিদ্বন্দ্বী দুই জোটের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের অবস্থানে রয়েছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক শান্তি আলোচক ডেনিস রস বলেন, “আরবরা আগে কখনো এতটা ক্ষমতাধর অবস্থানে ছিল না।”

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পথ বিরোধীদের জন্য কঠিন। সরকার গঠনের জন্য আরব দলগুলোর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। তবে নাফতালি বেনেট ও আভিগদর লিবারম্যানের মতো সম্ভাব্য ডানপন্থী অংশীদারদের পক্ষে এমন সমীকরণ মেনে নেওয়া কঠিন হতে পারে।

ইসরায়েলি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে প্রধানত দুটি পথ খোলা রয়েছে—নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে বৃহত্তর ঐক্যের সরকার গঠন অথবা আরেকটি নির্বাচন।

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে নিজ দলের সদর দপ্তরে বক্তব্য দেওয়ার সময় সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে নিজ দলের সদর দপ্তরে বক্তব্য দেওয়ার সময় সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

বুশিনস্কির মতে, জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি নেতানিয়াহুকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং উগ্র ডানপন্থী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোত্রিচকে পাশ কাটিয়ে চলতে চাপ দেন, তাহলে এ সম্ভাবনা বাড়তে পারে।

বুশিনস্কি বলেন, ইসরায়েলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থনকে বৃহত্তর জোট সরকার গঠনে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

তা না হলে ইসরায়েলের রাজনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে এবং দেশটিকে আবারও নির্বাচনে যেতে হতে পারে। কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, নতুন নির্বাচন হলে ফলাফলে বড় পরিবর্তন না এসে বরং নেতানিয়াহুর অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

সিত্রিনোভিচের মতে, এই অচলাবস্থায় আইজেনকোটের তুলনায় নেতানিয়াহুই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। অধিকাংশ দলের কাছে আরেকটি নির্বাচন আকর্ষণীয় বিকল্প না হওয়ায় তার ধারণা, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে একটি ঐক্যের সরকারই অচলাবস্থা কাটানোর সবচেয়ে সম্ভাবনাময় পথ। সেই সরকারে আইজেনকোট বা বেনেটও যোগ দিতে পারেন।

ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার, আরব ভোটারদের উপস্থিতি কার পক্ষে যেতে পারেIsrael's PM Netanyahu and his wife Sara prepare to vote at a polling station in Jerusalem on October 27, 2026–REUTERS

ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান বড় ফ্যাক্টর

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামাস এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলাও চালিয়েছে দেশটি।

নির্বাচনের পর উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু একটি ‘শক্তিশালী ডানপন্থী জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানান। ইসরায়েলের সামরিক সাফল্যকে তিনি ইরানের হুমকি চিরতরে নির্মূল করার ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে তুলে ধরেন।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের অংশীদার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে ইরানের অস্তিত্বগত হুমকি চিরতরে দূর করার এক অনন্য ঐতিহাসিক সুযোগ ইসরায়েলের সামনে এসেছে। তবে কোনো গোপন উদ্দেশ্য যেন এই পবিত্র লক্ষ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করতে না পারে।”

ট্রাম্প এর আগে ইসরায়েলিদের প্রতি নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে দুই নেতা মিলে ইরানে তাদের অভিযান ‘শেষ করতে’ পারেন। নির্বাচনের পর ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু ‘খুব ভালো’ করেছেন। নিজের সমর্থনও তার সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, “এটি হয়তো জয়, নয়তো সমতা। এ ক্ষেত্রে সমতাকেও জয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, কারণ এটি একটি বড় দাবার খেলা।”

তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু আবারও ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংকট—বিশেষ করে ইরানকে—রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন কি না।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৭ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৭ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

তেহরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে নেতানিয়াহুর আহ্বান আরও জোরালো হতে পারে। তবে সংঘাত কতটা বাড়বে, তা অনেকাংশে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

৬৬ বছর বয়সী আইজেনকোট গাজা যুদ্ধে নিজের এক ছেলে ও দুই ভাতিজাকে হারিয়েছেন। তিনি নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর গণরায় হিসেবে নির্বাচনকে তুলে ধরে ক্ষমতার বৈধতা দাবি করার চেষ্টা করেছেন।

ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ও সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় আইজেনকোট বলেন, নেতানিয়াহু এখন এমন একটি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যার ওপর জনগণের আস্থা হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, “আপনাদের চ্যালেঞ্জ করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দৃঢ় ও অবিচল থাকুন।”

দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির বিচার, হামাসের হামলা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের বিরোধিতা, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি এবং অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদের সামরিক সেবার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রশ্নে তীব্র বিরোধ—এসব চাপ নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রদুর্নীতিহামাসইহুদিবেনইয়ামিন নেতানিয়াহুমধ্যপ্রাচ্যরেকর্ডনির্বাচনভোটহামলাডোনাল্ড ট্রাম্পইরানফিলিস্তিনইসরায়েলভোটাধিকাররাজনীতিডানপন্থীইহুদি সংগঠনগাজাপ্রতিপক্ষ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে যেভাবে এগিয়ে নেতানিয়াহু

  • ২

    ‘মাদ্রাসাতে ধর্ম শেখানো হচ্ছে না ধর্মীয় বিধান শেখানো হচ্ছে’

  • ৩

    ‘জ্বালানির দাম ২ ধাপে না বাড়িয়ে ১ ধাপ বাড়ালেই হতো’

  • ৪

    গুলিস্তানে উচ্ছেদ চলছেই ধুলোয় মিশে গেল শতাধিক দোকান!

  • ৫

    ‘জামায়াত বোকার স্বর্গে বাস করছে’

সম্পর্কিত
  • ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা কেন রাস্তায়

    ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা কেন রাস্তায়

    জীবনযাত্রার ব্যয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাল দশা এবং দুর্নীতি নিয়ে অসন্তোষের জেরে ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ। সার্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনের পর নির্বাচনে দেশটির দীর্ঘদিনের শাসকের পতন ঘটেছে।

  • সমঝোতার ফাঁদে যেভাবে আটকে যায় নারীর সম্পত্তির অধিকার

    সমঝোতার ফাঁদে যেভাবে আটকে যায় নারীর সম্পত্তির অধিকার

    কারণ সম্পত্তির মালিকানা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ। আর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া সহিংসতার বিরুদ্ধে নারীর লড়াইটিও থেকে যায় অসম শক্তির লড়াই।

  • ইরান যুদ্ধ: প্রত্যেক মার্কিন পরিবারের ব্যয় বেড়েছে ২০০০ ডলার

    ইরান যুদ্ধ: প্রত্যেক মার্কিন পরিবারের ব্যয় বেড়েছে ২০০০ ডলার

    যুদ্ধের ব্যয়, উচ্চ সুদের হার এবং নিত্যপণ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য জিনিসের বর্ধিত মূল্য বিবেচনায় নিলে, এই যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারের ওপর প্রায় ২,০০০ ডলারের সমতুল্য আর্থিক বোঝা পড়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসন যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের স্বেচ্ছায় বেছে নেওয়া এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে

  • বিশ্বে নারী-পুরুষে বৈষম্য ঘুচেছে কতটা?

    বিশ্বে নারী-পুরুষে বৈষম্য ঘুচেছে কতটা?

    বিশ্বজুড়ে নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য কমছে, কিন্তু সেই অগ্রগতির গতি কি যথেষ্ট? শিক্ষায় সমতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বিশ্ব। স্বাস্থ্য খাতেও ব্যবধান তুলনামূলক কম। কিন্তু অর্থনৈতিক সুযোগ এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী-পুরুষের সমতা এখনো অনেক দূরে। বর্তমান অগ্রগতির হার অপরিবর্তিত থাকলে বিশ্বজুড়ে পূর্ণ লিঙ্গসমতা