
পর্ব ৫
পাকিস্তানের মতো তখন ইরানেও ধর্মের চেয়ে বেশি জাতীয়তাবাদ আর ধর্মগুরুদের বদলে জেনারেলদের প্রাধান্য বাড়বে। তখন আদর্শের বদলে জনগণের জাতীয়তাবাদী আবেগ জিইয়ে রাখতে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে কখনো সংঘাত আবার কখনো বা সমঝোতার দোলাচলে থাকবে ইরান।

সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা সংঘাত থামিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছে কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা। বিশ্বরাজনীতিতে ছোট হলেও ধনী এ উপসাগরীয় রাষ্ট্রটি একাধিক সংঘাত মীমাংসায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, দুর্বল হয়ে পড়া আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজের গবেষক আন্দ্রেয়াস ক্রেইগের মতে, আরব দেশগুলোর অনেক চটকদার সামরিক কেনাকাটা মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য।

ইসরায়েল হামলা চালালে তাদের ভয়াবহ পরিণতি হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে মিসর। গত বৃহস্পতিবার কয়েকটি মিসরীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে লেবানিজ দৈনিক আল-আখবার।

সৌদি আরবে শুধু নারীদের খেলা দেখানোর একটি বিশেষ স্পোর্টস চ্যানেল চালু হয়েছে। দেশটির নারী প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের ম্যাচ ও অন্যান্য ইভেন্ট এতে দেখানো হবে। এটি ২৪ ঘণ্টা চলবে এবং পুরো সময় নারীদের বিভিন্ন খেলা প্রচারিত হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

লোহিত সাগরে সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভারত, পাকিস্তানসহ একাধিক দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লক্স। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে আজ সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

বেইজিংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনটি একটি নজরকাড়া সামরিক কুচকাওয়াজ এবং একাধিক উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রস্তাবের সাক্ষী। বিশ্বজুড়ে অনেকেই এই ঘটনাকে আমেরিকার আধিপত্য থেকে একটি নতুন চীনা শতকের রূপান্তরের আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অনেক আরব দেশ উচ্চ অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্যয় সত্ত্বেও কার্যকর সামরিক সক্ষমতা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিমান বাহিনী কিছুটা সফল হলেও ইসরায়েলের সঙ্গে বিরোধে তারা প্রায়ই ব্যর্থ হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অনেক আরব দেশ উচ্চ অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্যয় সত্ত্বেও কার্যকর সামরিক সক্ষমতা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিমান বাহিনী কিছুটা সফল হলেও ইসরায়েলের সঙ্গে বিরোধে তারা প্রায়ই ব্যর্থ হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে ইরান এক অনন্য শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশটিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল বিশেষভাবে সমীহ করে মূলত একটি কারণে—ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার শুধু সংখ্যা বা বৈচিত্র্যের দিক দিয়েই নয়, ভৌগোলিক কভারেজের ক্ষেত্রেও শত্রুপক্ষকে আতঙ্কিত করার মতো।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে ইরান এক অনন্য শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশটিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল বিশেষভাবে সমীহ করে মূলত একটি কারণে—ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার শুধু সংখ্যা বা বৈচিত্র্যের দিক দিয়েই নয়, ভৌগোলিক কভারেজের ক্ষেত্রেও শত্রুপক্ষকে আতঙ্কিত করার মতো।