
গাজায় যুদ্ধ শুধু মানুষের জীবন ও ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়নি, সংকট তৈরি করেছে দাফনের জায়গাতেও। কবরস্থানগুলো ভরে গেছে, ধ্বংস হয়েছে ৪০টির বেশি কবরস্থান। জায়গার অভাবে অস্থায়ী কবর, এমনকি পুরোনো কবরও ব্যবহার করতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে।

পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্রও রয়টার্সকে আসিম মুনিরের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রথম সূত্রটি জানায়, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি দিয়ে চলাচল করেছে। এগুলোর কোনোটিই বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ছিল না।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করবে, ইরান তাদের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

গত কয়েক দিন ধরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন কিছু বিলবোর্ড দেখা গেছে। এসব বিলবোর্ডে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের দায়িত্ব নেওয়া সাত নেতার ছবি রয়েছে। তবে বিলবোর্ডে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো–নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কোনো ছবি নেই।

অধিকারকর্মী সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যক্তি মালিকানাধীন ফিলিস্তিনি জমি দখলের চেষ্টায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ৯ আগস্ট কুসরায় কয়েকটি বাড়ি ঘিরে ফেলা শুরু করে। ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন যখন পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও বাড়াতে চাইছে, তখন আর্কটিক দিয়ে চীন-রাশিয়ার বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়তে থাকলে ওয়াশিংটনও বিষয়টির দিকে আরও নজর দেবে। এখানে ইউরোপ ও ন্যাটোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আর্কটিক কাউন্সিলের আট সদস্য দেশের মধ্যে সাতটিই ন্যাটোর সদস্য।

হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখন্ড হিসেবে দাবি করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এই মানচিত্র প্রকাশ করেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাস ও গাজার অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে। কূটনীতিকরা বলছেন, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বড় কোনো ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা থেমে যাওয়ায় তেহরান আবারও সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে, জুনে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দুই পক্ষের একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ ঘোষণার হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল নিয়েও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলেছেন। কানাডাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর প্রস্তাবও বারবার এসেছেতাঁর বক্তব্যে।

কাও বলেন, জাহাজের নাবিকদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এর মধ্যে তাজা খাবারের সরবরাহ না থাকায় খাবারের তালিকায় পরিবর্তন এবং উচ্চ মাত্রার সামরিক হুমকির সময় পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলার ওপর বিধিনিষেধও ছিল।

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিশরও যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এই চুক্তিতে তিনি কায়রোর অন্তর্ভুক্তিকে ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, জোটটি ভবিষ্যতে আরও সদস্য গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য নতুন একটি রুটের মানচিত্র তৈরিতে ইরান ও ওমান একমত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে দুই দেশ এই সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে তেহরান।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে একটি যৌথ নৌ-সামরিক জোট গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবসহ ১৪টি দেশ। ভবিষ্যতে আরও অনেক দেশ এতে যোগ দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, “পেট্রলের জন্য সামান্য একটু বেশি দাম দেওয়া”, একটি দেশকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার জন্য মূল্য দেওয়ার মতো বিষয়। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে তার উল্লেখ করা কারণগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত করে হত্যার কথিত ইরানি ষড়যন্ত্র এবং সেই হুমকি নিয়ে সিআইএর ‘লো কনফিডেন্স’ মূল্যায়ন এখন ওয়াশিংটনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা এবং আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও কোনো অগ্রগতি না হওয়ার মধ্যে এমন মন্তব্য করলেন ট্রাম্প।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়েছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনো এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।