পর্ব ৬

ইরান কি তুরস্কের মতো হবে?

করিম সাদজাদপোর
করিম সাদজাদপোর
ইরান কি তুরস্কের মতো হবে?
তুরস্কের পথে হাঁটতে হলে ইরানকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের দিক থেকে ইরানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে একটি দেশ হলো তুরস্ক। এই দেশটিও এক অনারব গর্বিত মুসলিম রাষ্ট্র। আবার এই দেশের ইতিহাসও বড় শক্তিগুলোর প্রতি অবিশ্বাসের দীর্ঘ ঐতিহ্যে পূর্ণ।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্কের বর্তমান অবস্থা ইরানের সঙ্গে নতুন এক তুলনা টেনে আনে-নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রিয় নেতার ক্ষমতায় আসা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুর মেলানো প্রাথমিক সংস্কার, আর তারপর ধীরে ধীরে সংখ্যাগরিষ্ঠের নাম করে গণতন্ত্রের আবরণে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে এগিয়ে যাওয়া।

তবে তুরস্কের পথে হাঁটতে হলে ইরানকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের জটিল ক্ষমতা কাঠামো ভেঙে দিতে হবে যার মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর, গার্ডিয়ান কাউন্সিল এবং অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস। একই সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) পেশাদার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে একীভূত করতে হবে এবং বর্তমানে প্রায় অকার্যকর নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃত ক্ষমতা দিতে হবে।

এই পূর্বশর্তগুলো পূরণ না হলে সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ও দায়বদ্ধ রাজনীতি কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

তবে ইরানকে একেবারে শূন্য থেকে শুরু করতে হবে না। সমাজবিজ্ঞানী কিয়ান তাজবাখশের মতে, ইরান সরকার হাজার হাজার স্থানীয় পরিষদ ও পৌর সংস্থা গঠন করে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে যেগুলো মূলত কর্তৃত্ববাদী শাসন টিকিয়ে রাখতে গঠিত হলেও, সুযোগ পেলে গণতান্ত্রিক কাঠামোতেও এদেরকে রূপান্তর করা যাবে।

আসলে, ইরানিরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থার কাঠামো অনুশীলন করেছে, কিন্তু এর প্রকৃত ফল কখনো ভোগ করতে পারেনি।

ইরানিরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থার কাঠামো অনুশীলন করেছে, কিন্তু এর প্রকৃত ফল কখনো ভোগ করতে পারেনি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
ইরানিরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থার কাঠামো অনুশীলন করেছে, কিন্তু এর প্রকৃত ফল কখনো ভোগ করতে পারেনি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ইরানের বর্তমানে এমন অবস্থা যে, যেমন তেমন একটা নির্বাচনেও খুব জনপ্রিয় কোনো নেতা উঠে আসতে পারে। এই দেশটা একইসঙ্গে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ আর সামাজিক বৈষম্যে পরিপূর্ণ। এই কারণে ইরানে জনতুষ্টিবাদ কাজে লাগিয়ে রাজনীতিতে সফল হওয়া বেশ পরিচিত বিষয়।

খোমেনি ১৯৭৯ সালে, শাহ ও তার বিদেশি সমর্থকদের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করেছিলেন। সেসময় তিনি বিনামূল্যে বিদ্যুৎ-পানি, সবার জন্য বাসস্থানের এবং জনগণের হাতে তেলের সম্পদ তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

খোমেনির পরের প্রজন্মও এর সঠিক ব্যবহার করেছে। ২০০৫ সালে তেহরানের অল্প পরিচিত মেয়র মাহমুদ আহমাদিনেজাদ জনগণের ডিনার টেবিলে তেলের টাকা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেসিডেন্ট হন।

তাই খামেনি-পরবর্তী ইরানেও এমন এক নেতা উঠে আসতে পারেন যিনি জাতীয়তাবাদী ভাব নিয়ে অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি শত্রুদের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষকে কাজে লাগাতে পারবেন।

এই পথ ইরানকে উদার গণতন্ত্রে নিয়ে যাবে না ঠিকই, তবে ধর্মগুরুদের শাসনও টিকিয়ে রাখবে না। বরং এটি জনপ্রিয় সমর্থন ও কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, সম্পদ বণ্টন ও দুর্নীতি, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় প্রতীকের এক মিশ্র রূপ তৈরি করবে। অনেক ইরানির কাছে এটি ধারাবাহিক ধর্মতান্ত্রিক বা সামরিক শাসনের চেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে।

তবে তুরস্ক থেকে নেওয়া অভিজ্ঞতা বলে যে জনতুষ্টিবাদ সব সময় বহুত্ববাদে নয়, বরং গণভিত্তিক ও ভোটে বৈধতা পাওয়া নতুন ধরনের কর্তৃত্ববাদের দিকেও নিয়ে যেতে পারে।

জেন্দেগি-ই-নরমাল

ইতিহাস আমাদেরকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সতর্ক হতে শেখায়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে, শাহের প্রস্থানের ঠিক এক মাস আগে, ইরান বিষয়ক একজন প্রখ্যাত আমেরিকান গবেষক জেমস বিল ফরেন অ্যাফেয়ার্সে লিখেছিলেন যে, শাহের সবচেয়ে সম্ভাব্য বিকল্প হলো মধ্য পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তাদের একটি বামপন্থী, প্রগতিশীল দল। তিনি আরও সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন ডানপন্থী সামরিক শাসন, পশ্চিমা মডেলের ওপর ভিত্তি করে উদার গণতন্ত্র, অথবা কমিউনিস্ট সরকার।

বিল আশ্বাস দিয়েছিলেন, “আমেরিকার ভয় পাওয়ার দরকার নেই যে ইরানের ভবিষ্যৎ সরকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমেরিকার স্বার্থের বিরোধী হবে।” সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হলো, শাহের পতনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বিল অনুমান করেছিলেন যে ধর্মীয় নেতারা সরকারের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর সরাসরি অংশ হবেন না।

শুধু বিল একাই নন, ইরানের বুদ্ধিজীবীরাও ভুল অনুমান করেছিলেন। খোমেনি তার ধর্মতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণহত্যা শুরু করার কয়েক সপ্তাহ আগে ইরানের প্রখ্যাত দার্শনিক দারিউশ শায়েগান তাকে মহাত্মা গান্ধীর সাথে তুলনা করে বলেছিলেন, “খোমেনি একজন ইসলামী গান্ধী। তিনি আমাদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন।”

তুরস্ক থেকে নেওয়া অভিজ্ঞতা বলে যে জনতুষ্টিবাদ সব সময় বহুত্ববাদে নয়, বরং গণভিত্তিক ও ভোটে বৈধতা পাওয়া নতুন ধরনের কর্তৃত্ববাদের দিকেও নিয়ে যেতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
তুরস্ক থেকে নেওয়া অভিজ্ঞতা বলে যে জনতুষ্টিবাদ সব সময় বহুত্ববাদে নয়, বরং গণভিত্তিক ও ভোটে বৈধতা পাওয়া নতুন ধরনের কর্তৃত্ববাদের দিকেও নিয়ে যেতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

১৯৭৯ সালে বিপ্লবের পরে যেমন ইরানের ভেতরের ও বাইরের সবাই চমকে গিয়েছিল, তেমনি এবারও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি ঘটতে পারে। ইরানের মানুষের সামনে যেহেতু তেমন বিকল্প নেই তাই অনেকেই চেয়ে আছেন প্রাক্তন শাহের নির্বাসিত ছেলে রেজা পাহলভির দিকে। বিপ্লব-পূর্ব যুগের প্রতি নস্টালজিয়া নিয়ে ইন্টারনেটে তার ব্যাপক পরিচিতি আছে। তবে প্রায় অর্ধশতাব্দী বিদেশে থাকার কারণে, আসন্ন নির্বাচনে জিততে হলে তাকে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

আরেকটি আশঙ্কা হচ্ছে জাতিগত কারণে যুগোস্লাভিয়ার মতো দেশ ভাগ হওয়া। অনেক দেশপ্রেমিক এবং সরকারবিরোধীদের মধ্যেও এই ভয় বেশ প্রকট। তবে ইরানের সংখ্যালঘুদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের যে অগ্রহণযোগ্যতা তা বিদ্রোহের কারণ বা নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ হতে পারে।

ইরান অনেক পুরোনো ও সুসংহত পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে টিকে আছে। ৮০ শতাংশের বেশি পার্সিয়ান ভাষা ব্যবহার করেন, এবং পার্সিয়ান নয় এমন গোষ্ঠীরাও সেই রাষ্ট্রের সঙ্গে পরিচয় ধরে রেখেছে। আর এই ধারাবাহিকতার ইতিহাস প্রায় আড়াই হাজার বছরের। তাই যুগোস্লাভিয়ার মতো দেশ ভাগ হওয়ার আশঙ্কা ইরানের জন্য অতটা গুরুতর নয়।

ইরান আবার এমন একটি দেশ যার ভবিষ্যৎ নাটকীয়ভাবে ভিন্ন রূপ নিতে পারে। আমেরিকা ও বিশ্বসমাজের জন্য সুবিধাজনক হবে যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্র পরবর্তী ইরান বিপ্লবী আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত না হয়ে দেশভিত্তিক স্বার্থের ওপর পরিচালিত হয়।

আমেরিকান কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছেন, “বিশ্বে খুব কম দেশ আছে যার সঙ্গে আমেরিকার বিরোধের কারণ কম এবং স্বার্থের মিল বেশি, ইরান তার মধ্যে একটি।”

যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান ও ইরাকে অভিজ্ঞতা বিদেশি প্রভাবের সীমাবদ্ধতাকে তুলে ধরেছে- রক্তক্ষয় ও সম্পদের বিপুল বিনিয়োগ করেও রাজনৈতিক ফলাফল নির্ধারণ করা যায় না।

রাশিয়াও একই সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি। মস্কো হয়তো চাইবে ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রই থাকুক যাতে আমেরিকা চাপে থাকে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে সব চেষ্টা সত্ত্বেও মস্কো সিরিয়ায় তার মিত্র আসাদের পতন রোধ করতে পারেনি।

অপরদিকে, চীনের জন্য সুবিধাজনক হবে এমন একটি ইরান যা শক্তিশালী জ্বালানি শক্তি হিসেবে সম্ভাবনাময় হয়। তারা চাইবে না ইরান অস্থিতিশীল হোক।

জি-২০ ভুক্ত হওয়ার জন্য ইরানের সব বৈশিষ্টই রয়েছে। এক্ষেত্রে যদিও বাইরের শক্তিগুলো প্রভাব ফেলতে পারে, তবুও বর্তমান ইরান জনসংখ্যা, বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ এবং গর্বিত সভ্যতার পরিচয়সহ যথেষ্ট বড়।

ইরানে যারা গণতন্ত্রপন্থী তাদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ খুব একটা অনুকূলে নেই। পশ্চিমা সরকারগুলো যারা একসময় গণতন্ত্রের সমর্থক ছিল তারা এখন তাদের সাহায্যের হাত তুলে নিয়েছে। এখন তারা নিজেদের গণতন্ত্রের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত। স্নায়ুযুদ্ধের সময় আমেরিকার সফলতার পেছনে যেই সংস্থাগুলো সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রেখেছে যেমন ন্যাশনাল এন্ডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি এবং ভয়েস অব আমেরিকা, সেসব সংস্থা বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত হয়ত ইরানে গণতন্ত্র নিয়ে আসবে না। তবে ক্ষমতায় যেতে চায় এমন সব নেতাদেরই লক্ষ্য থাকবে তাদের মন জয় করার। আর এক্ষেত্রে একটা কথা স্পষ্ট যে ফাঁকা বুলি, ব্যক্তিপূজা বা উচ্চমানের গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখিয়ে ইরানিদেরকে আর ভোলানো যাবেনা। তারা এখন একটি সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক সরকার চায় যা তাদের অর্থনৈতিক মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে পারে এবং তাদের একটি ‘জেন্দেগি-এ নরমাল’, অর্থাৎ সাধারণ জীবন দিতে পারে। তারা এমন এক সরকারব্যবস্থা চায় যার মাধ্যমে তারা রাষ্ট্রের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত থাকে। বর্তমান সরকার যেমন তাদের পোশাক, ভালোবাসার ধরন, পছন্দের ব্যক্তিত্ব, এমনকি খাওয়া-দাওয়ার ওপরও নজরদারি করে, তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যা তাদেরকে এরকম পুলিশি ব্যবস্থা থেকে মুক্তি দেবে।

খামেনি-পরবর্তী ইরানেও এমন এক নেতা উঠে আসতে পারেন যিনি জাতীয়তাবাদী ভাব নিয়ে অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি শত্রুদের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষকে কাজে লাগাতে পারবেন।
খামেনি-পরবর্তী ইরানেও এমন এক নেতা উঠে আসতে পারেন যিনি জাতীয়তাবাদী ভাব নিয়ে অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি শত্রুদের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষকে কাজে লাগাতে পারবেন।

ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শাসন ইরানের মানুষ হারানো অর্ধশতাব্দী হিসেবে মনে রাখবে। যখন তাদের পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশীরা বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, পরিবহন ও প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, সেইসময় ইরান তার সম্পদ নষ্ট করেছে ব্যর্থ আঞ্চলিক অভিযান ও এমন একটি পারমাণবিক কর্মসূচিতে, যা শুধু একাকিত্বই নিয়ে এসেছে। সেইসাথে দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ-মানুষের ওপর চালিয়েছে দমন-নিপীড়ন।

দেশটির এখনো যথেষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানবসম্পদ আছে, যা এটিকে বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির মধ্যে স্থান দিতে পারে। তবে যদি তেহরান তার ভুল থেকে শিক্ষা না নেয় এবং রাজনীতি ঢেলে না সাজায় তাহলে দেশ উন্নতির দিকে নয় বরং পতনের দিকে আগাবে।

তবে পরিবর্তন আসবে কি আসবে না সেটা মূল প্রশ্ন নয়। বরং প্রশ্ন হল পরিবর্তন অবশেষে কি নিয়ে আসবে? বহুল প্রতীক্ষিত বসন্ত নাকি আরেকটি শীত?

**ফরেন অ্যাফেয়ার্স ডটকমে প্রকাশিত লেখাটি অনুবাদ করে প্রকাশিত**

করিম সাদজাদপোর কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর সিনিয়র ফেলো। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সাবেক ‘চিফ ইরান অ্যানালিস্ট’ সাদজাদপোরের কাজের প্রধান ক্ষেত্র ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্য সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি।

অনুবাদ করেছেন: রিতু চক্রবর্ত্তী

সম্পর্কিত